বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের ক্ষতির বিষয়টি দেখা হচ্ছে: দীপু মনি

ঢাকা ব্যুরো ।।

রোনার কারণে বিলম্বে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষতির বিষয়টি দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি জানান, অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে ২২ লাখ পরীক্ষার্থীকে টিকার আওতায় নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) সকালে চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন ও আল আমিন স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের করোনা টিকার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। কারণ, সবার সহযোগিতায় আমরা পরীক্ষাটি নিতে পেরেছি। এসময় শিক্ষার্থীদের যা ক্ষতি হয়েছে, পরবর্তীতে তা আমরা সমন্বয় করব। আশা করছি এতে কারো অসুবিধা হবে না।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২২ লক্ষ শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার সুযোগ ছিল না। এখনো দেশের প্রতিটি জেলায় ফাইজারের টিকা দেওয়ার পরিস্থিতি নেই। তারপরও আমরা অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থীকে টিকার আওতায় নেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।
এসময় অন্যদের উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গিয়াসউদ্দিন পাটওয়ারী, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা কুমিল্লা অঞ্চলের উপপরিচালক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) মঈনুল হাসান, হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতানা ফেরদৌস প্রমুখ।বার্তাকণ্ঠ/এন

জনপ্রিয়

মোংলায় বিদেশি মদ ও টাকাসহ নারী মাদকব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের ক্ষতির বিষয়টি দেখা হচ্ছে: দীপু মনি

প্রকাশের সময় : ০১:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর ২০২১

ঢাকা ব্যুরো ।।

রোনার কারণে বিলম্বে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষতির বিষয়টি দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি জানান, অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে ২২ লাখ পরীক্ষার্থীকে টিকার আওতায় নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) সকালে চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন ও আল আমিন স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের করোনা টিকার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। কারণ, সবার সহযোগিতায় আমরা পরীক্ষাটি নিতে পেরেছি। এসময় শিক্ষার্থীদের যা ক্ষতি হয়েছে, পরবর্তীতে তা আমরা সমন্বয় করব। আশা করছি এতে কারো অসুবিধা হবে না।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২২ লক্ষ শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার সুযোগ ছিল না। এখনো দেশের প্রতিটি জেলায় ফাইজারের টিকা দেওয়ার পরিস্থিতি নেই। তারপরও আমরা অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থীকে টিকার আওতায় নেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।
এসময় অন্যদের উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গিয়াসউদ্দিন পাটওয়ারী, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা কুমিল্লা অঞ্চলের উপপরিচালক রোকসানা ফেরদৌস মজুমদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) মঈনুল হাসান, হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতানা ফেরদৌস প্রমুখ।বার্তাকণ্ঠ/এন