
শাহিনুর ইসলাম শাহিন, ক্ষেতলাল (উপজেলা) ।।
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল পৌর এলাকার বুড়াইল গ্রামে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধু ফরিদা বেগমের হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নিহতের পরিবার ও গ্রামবাসী।
২ (জানুয়ারী) রোববার দুপুর ১২টায় ক্ষেতলাল টু জয়পুরহাট সড়কের বুড়াইল ত্রিমোহনী মোড়ে গ্রামবাসীর আয়োজনে ঘন্টাব্যাপী মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সকলেই জড়িতদের ফাসির দাবিতে শ্লোগান দেয়।
মানববন্ধন চলাকালে দেওয়া বক্তব্যে নিহত গৃহবধু ফরিদা বেগমের বাবা মোফাজ্জল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, গত ২৭ নভেম্বর তার মেয়ে ফরিদা বেগমকে তার স্বামী এবং শ্বশুর শাশুড়ি শ্বাসরোধ কিংবা অন্যকোনভাবে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি ক্ষেতলাল থানায় অবহিত করা হলেও পুলিশ তার কথা না শুনে হত্যায় প্ররোচিত করার মনগড়া অভিযোগ দিয়ে গত ২৮ (নভেম্বর) মামলা রুজু করেন। মামলার পর আমার মেয়ের স্বামী সোহেল রানা ও শাশুড়ি হাজেরা গ্রেপ্তার হলেও শ্বশুর আব্দুল গফুর পলাতক আছে। পুলিশের অসহযোগীতার কারণে মামলার কোন অগ্রগতি না হওয়ায় গত ২ ডিসেম্বর জয়পুরহাট বিজ্ঞ আমলি আদালত ক্ষেতলালে তিনি ন্যায় বিচারের জন্য ওই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তার দাবি, মামলাটির সঠিক তদন্ত করলেই তিনি মেয়ে হত্যার ন্যায় বিচার পাবেন।
মানববন্ধনে স্থানীয় বুড়াইল ডিএস ফাজিল মাদ্রাসার পরিচালক আতাউর রহমান, ওই মাদ্রাসার প্রভাষক মোমিনুল ইসলাম, গ্রামবাসি শিহাব, শারফুল ইসলাম সহ বুড়াইল গ্রামের তিন শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেয়।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ নীরেন্দ্র নাথ মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত ২৮ নভেম্বর ভোরে বুড়াইল গ্রামের দিন-মজুর সোহেল রানার স্ত্রী ফরিদা বেগম এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মোফাজ্জল হোসেন হত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগে ওই রাতে মামলা করলে অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার মাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি আরো বলেন, মামলায় পুলিশের কোন প্রকার গাফিলতি নেই।
নিজস্ব সংবাদদাতা 







































