সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন থেকে সরবো না : তৈমূর

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ।।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে সরে যেতে নানাভাবে চাপ দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী ও বিএনপি নেতা তৈমূর আলম খন্দকার।

তিনি বলেন, প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে বসে নির্বাচন কবরো। তবু ভোট থেকে সরবো না।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, শুরু থেকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) সকালে নারায়ণগঞ্জ নগরীর চাষাঢ়া মিশনপাড়া এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন তিনি।

তার নেতাকর্মীদের নানাভাবে প্রশাসন হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ করে তৈমূর বলেন, এখন পর্যন্ত ৩০ জনের বেশি নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। নানা অজুহাতে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে বারবার অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

তৈমূর বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় আমার নির্বাচনী সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছিলেন মনিরুল ইসলাম রবি। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। পোলিং এজেন্টদের নামের তালিকা চূড়ান্ত করছিলেন রবি। পুলিশ তাকে সেই তালিকাসহ ধরে নিয়ে গেছে। এর আগেও দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

হাতি প্রর্তীকের এই প্রার্থী বলেন, নির্বাচন কমিশন বোবা ও অন্ধ হয়ে গেছে। প্রতি রাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আমার কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি ঘেরাও করছেন। প্রশ্ন করলে পুলিশ বলছে, তারা কিছুই জানে না।

পাশাপাশি শামীম ওসমান পাশে না থাকলেও ভোটে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জনপ্রিয়

ইচ্ছামতো চাঁদাবাজি চলছে রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় সূর্য মেলায়

নির্বাচন থেকে সরবো না : তৈমূর

প্রকাশের সময় : ০১:৪৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ।।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে সরে যেতে নানাভাবে চাপ দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী ও বিএনপি নেতা তৈমূর আলম খন্দকার।

তিনি বলেন, প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে বসে নির্বাচন কবরো। তবু ভোট থেকে সরবো না।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, শুরু থেকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) সকালে নারায়ণগঞ্জ নগরীর চাষাঢ়া মিশনপাড়া এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন তিনি।

তার নেতাকর্মীদের নানাভাবে প্রশাসন হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ করে তৈমূর বলেন, এখন পর্যন্ত ৩০ জনের বেশি নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। নানা অজুহাতে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে বারবার অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

তৈমূর বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় আমার নির্বাচনী সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছিলেন মনিরুল ইসলাম রবি। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। পোলিং এজেন্টদের নামের তালিকা চূড়ান্ত করছিলেন রবি। পুলিশ তাকে সেই তালিকাসহ ধরে নিয়ে গেছে। এর আগেও দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

হাতি প্রর্তীকের এই প্রার্থী বলেন, নির্বাচন কমিশন বোবা ও অন্ধ হয়ে গেছে। প্রতি রাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আমার কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি ঘেরাও করছেন। প্রশ্ন করলে পুলিশ বলছে, তারা কিছুই জানে না।

পাশাপাশি শামীম ওসমান পাশে না থাকলেও ভোটে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।