মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হরিণাকুণ্ডুতে দুধের শিশুকে রেখে মায়ের আত্মহত্যা

ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে দুধের শিশুকে রেখে মনিকা পারভিন (২১) নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
সে উপজেলার রামনগর গ্রামের মনিরুল ইসলামের মেয়ে।
আজ বৃহস্পতিবার  (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬ টার দিকে তিন মাসের দুধের শিশু কন্যা ইলমাকে রেখে জানালার পর্দা দিয়ে ঝুলন্ত ফ্যানের সাথে বাবার বাড়িতে আত্মহত্যা করেছে। নিহত মনিকার একই উপজেলার আদর্শ আন্দুলিয়া গ্রামের মানিক মন্ডল (২৫) এর সাথে তিন বছর আগে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়েছিলো। বিয়ের পর সুখে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করছিলো এই দম্পতি। গত তিন মাস আগে এই সুখী দম্পতির ঘর আলোকিত করে একটি মেয়ে সন্তান জন্ম নেয় বাবা- মা আদর করে মেয়ের নাম রেখেছিল ইলমা। সেই আদরের মেয়েকে রেখে মা মনিকা কেন আত্মহত্যা করলো তা এখনো অজানা স্বজনদের কাছে।
মনিকার চাচা আমিরুল ইসলাম জানান যে, আমাদের মনিকা খুব সুখে শান্তিতে সংসার করছিলো জামাইও অনেক ভালো তবে কেনো এমন হলো আমরা এখনো পর্যন্ত জানিনা। লাশ দেখতে আসা শ্বশুর বাড়ির আশেপাশের মহিলাদের বলতে শোনা যায়, মনিকা অনেক ভালো বউমা ছিলো আচার ব্যবহার খুবই ভালো তবে কেনো এই অভিমানী পথ বেঁচে নিলো আমরা জানিনা।
হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ভবানীপুর ক্যাম্প ইনচার্জ এস,আই বাবলু  লাশের সুরত হাল লিপিবদ্ধ করেছেন। লাশ ময়না তদন্তের উদ্দেশ্য হরিনাকুন্ডু থানায় নিয়ে যান। এসময় মৃত্যু মনিকাকে দেখতে আসেন তাহেরহুদা ইউনিয়নের নব- নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ মুনজুর রাশেদ এবং  সংরক্ষিত ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের নব-নির্বাচিত মহিলা মেম্বর মোছাঃসাকিরন নেছা ও ৩ নং রামনগর ওয়ার্ডের নব-নির্বাচিত মেম্বর মোঃআব্দুর রাজ্জাক (রাজা) সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বার্তাকণ্ঠ/এন
জনপ্রিয়

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা

হরিণাকুণ্ডুতে দুধের শিশুকে রেখে মায়ের আত্মহত্যা

প্রকাশের সময় : ০৪:০৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে দুধের শিশুকে রেখে মনিকা পারভিন (২১) নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
সে উপজেলার রামনগর গ্রামের মনিরুল ইসলামের মেয়ে।
আজ বৃহস্পতিবার  (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬ টার দিকে তিন মাসের দুধের শিশু কন্যা ইলমাকে রেখে জানালার পর্দা দিয়ে ঝুলন্ত ফ্যানের সাথে বাবার বাড়িতে আত্মহত্যা করেছে। নিহত মনিকার একই উপজেলার আদর্শ আন্দুলিয়া গ্রামের মানিক মন্ডল (২৫) এর সাথে তিন বছর আগে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়েছিলো। বিয়ের পর সুখে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করছিলো এই দম্পতি। গত তিন মাস আগে এই সুখী দম্পতির ঘর আলোকিত করে একটি মেয়ে সন্তান জন্ম নেয় বাবা- মা আদর করে মেয়ের নাম রেখেছিল ইলমা। সেই আদরের মেয়েকে রেখে মা মনিকা কেন আত্মহত্যা করলো তা এখনো অজানা স্বজনদের কাছে।
মনিকার চাচা আমিরুল ইসলাম জানান যে, আমাদের মনিকা খুব সুখে শান্তিতে সংসার করছিলো জামাইও অনেক ভালো তবে কেনো এমন হলো আমরা এখনো পর্যন্ত জানিনা। লাশ দেখতে আসা শ্বশুর বাড়ির আশেপাশের মহিলাদের বলতে শোনা যায়, মনিকা অনেক ভালো বউমা ছিলো আচার ব্যবহার খুবই ভালো তবে কেনো এই অভিমানী পথ বেঁচে নিলো আমরা জানিনা।
হরিণাকুণ্ডু উপজেলার ভবানীপুর ক্যাম্প ইনচার্জ এস,আই বাবলু  লাশের সুরত হাল লিপিবদ্ধ করেছেন। লাশ ময়না তদন্তের উদ্দেশ্য হরিনাকুন্ডু থানায় নিয়ে যান। এসময় মৃত্যু মনিকাকে দেখতে আসেন তাহেরহুদা ইউনিয়নের নব- নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ মুনজুর রাশেদ এবং  সংরক্ষিত ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের নব-নির্বাচিত মহিলা মেম্বর মোছাঃসাকিরন নেছা ও ৩ নং রামনগর ওয়ার্ডের নব-নির্বাচিত মেম্বর মোঃআব্দুর রাজ্জাক (রাজা) সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বার্তাকণ্ঠ/এন