মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিচারপতি নাজমুল আহাসানের প্রতি শ্রদ্ধায় বসবে না সুপ্রিম কোর্ট

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : ১১:৩৬:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১৫২

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানের মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম আজ বন্ধ থাকবে।

রোববার সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির ভার্চুয়াল আপিল বিভাগে শুরুতেই অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘মাই লর্ড, রীতি অনুযায়ী কোন সিটিং বিচারপতি মারা গেলে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একদিন আদালতের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়ে থাকে। গত শুক্রবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান মারা গিয়েছেন। তাই তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ আদালতের কার্যক্রম বন্ধ রাখা যেতে পারে। এসময় আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ আদালতের কার্যক্রম বন্ধের অনুরোধ করেন। এছাড়া ভার্চুয়াল আদালতে সংযুক্ত সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী আজ আদালত বন্ধ রাখার জন্য অভিমত ব্যক্ত করেন।

একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

গত শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন এফ আর এম নাজমুল আহাসান মারা যান। ওই দিন সকাল ১১ টায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানসহ ৪ বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন হয়েছিল। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ‘এই নিয়ােগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হইবে।’

এরপর গত ৯ জানুয়ারি বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন। কিন্তু অসুস্থ থাকায় বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান আর আপিল বিভাগের বিচারপতির শপথ নিতে পারেননি।

এফ আর এম নাজমুল আহাসান ১৯৫৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিএ (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর এলএলবি পাস করে আইন পেশায় যোগ দেন। ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এর দুই বছর পর ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল তিনি হাইকোর্ট স্থায়ী বিচারপতি হন।

জনপ্রিয়

গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিন: প্রধান উপদেষ্টা

বিচারপতি নাজমুল আহাসানের প্রতি শ্রদ্ধায় বসবে না সুপ্রিম কোর্ট

প্রকাশের সময় : ১১:৩৬:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানের মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম আজ বন্ধ থাকবে।

রোববার সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির ভার্চুয়াল আপিল বিভাগে শুরুতেই অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘মাই লর্ড, রীতি অনুযায়ী কোন সিটিং বিচারপতি মারা গেলে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একদিন আদালতের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়ে থাকে। গত শুক্রবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান মারা গিয়েছেন। তাই তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ আদালতের কার্যক্রম বন্ধ রাখা যেতে পারে। এসময় আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ আদালতের কার্যক্রম বন্ধের অনুরোধ করেন। এছাড়া ভার্চুয়াল আদালতে সংযুক্ত সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী আজ আদালত বন্ধ রাখার জন্য অভিমত ব্যক্ত করেন।

একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

গত শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন এফ আর এম নাজমুল আহাসান মারা যান। ওই দিন সকাল ১১ টায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসানসহ ৪ বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন হয়েছিল। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ‘এই নিয়ােগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হইবে।’

এরপর গত ৯ জানুয়ারি বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন। কিন্তু অসুস্থ থাকায় বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান আর আপিল বিভাগের বিচারপতির শপথ নিতে পারেননি।

এফ আর এম নাজমুল আহাসান ১৯৫৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিএ (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর এলএলবি পাস করে আইন পেশায় যোগ দেন। ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এর দুই বছর পর ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল তিনি হাইকোর্ট স্থায়ী বিচারপতি হন।