সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়াকে ‘মাদার ডেমোক্রেসি পদক’, বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর: তথ্যমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : ০৬:২৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১২৩

ছবি: সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি পদক’ দেওয়া হলো, আর বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে খালেদা জিয়াকে হাসির পাত্র করা হয়েছে।

বুধবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সাক্ষাৎ শেষে হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, যে সংগঠনের নাম কেউ জানে না, যার জন্মেরও বেশি দিন হয়নি, কানাডার এমন একটি সংগঠন খালেদা জিয়াকে মাদার অব ডেমোক্রেসি বলে সনদ দিয়েছে। এটি আবার ফখরুল সাহেবরা ২০১৭-১৮ সাল থেকে বলা শুরু করেছেন। সনদ দেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই। বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। আসলে পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে বেগম খালেদা জিয়াকে একদম ‘লাফিং স্টক’ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, কানাডার ফেডারেল আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে রায় দিয়েছেন। সেখানে এটাও উল্লেখ করা হয়েছিল বিএনপি যেভাবে জ্বালাও পোড়াও করেছে, তারা ভবিষ্যতেও এরকম করতে পারে। সেখানে আবার একটি তথাকথিত হিউম্যান রাইটস অরগানাইজেশন থেকে তারা (বিএনপি) আবার একটি সনদ কিনেছেন। তিনি বলেন, বিএনপি যে স্বনামে-বেনামে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছিল। সেটি আমরা বেশ কয়েকবার গণমাধ্যমের সামনে বলেছিলাম। কিছু কিছু লবিস্ট ফার্মের সঙ্গে আবার বিদেশিদের মাধ্যমেও চুক্তি করেছিল। যার একটি চুক্তি স্বাক্ষরকারী হচ্ছে যে প্রতিষ্ঠান থেকে খালেদা জিয়াকে পদক দেওয়া হয়েছে, সেই সংগঠনের সঙ্গে।

ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল ত্রিপুরায় দেখা যায়। সেখানে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে তেমন একটা প্রতিবন্ধকতা নেই। কিন্তু পশ্চিম বাংলায় এগুলো দেখা যায় না। সেখানের ব্রডকাস্টাররা অনেক টাকা চায়। এটা কীভাবে সহজ করা যায় সে প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল এবং পত্রিকার রিপোর্টার কলকাতায় কাজ করেন। তাদের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়। তারা যেন সহজেই সেটি পায় সে বিষয়ে কথা হয়। এছাড়া দুই দেশের সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি সিনেমা করার চুক্তি হয়েছে।

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের জনসভা অনুষ্ঠিত

খালেদা জিয়াকে ‘মাদার ডেমোক্রেসি পদক’, বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৬:২৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, খালেদা জিয়াকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি পদক’ দেওয়া হলো, আর বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে খালেদা জিয়াকে হাসির পাত্র করা হয়েছে।

বুধবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সাক্ষাৎ শেষে হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, যে সংগঠনের নাম কেউ জানে না, যার জন্মেরও বেশি দিন হয়নি, কানাডার এমন একটি সংগঠন খালেদা জিয়াকে মাদার অব ডেমোক্রেসি বলে সনদ দিয়েছে। এটি আবার ফখরুল সাহেবরা ২০১৭-১৮ সাল থেকে বলা শুরু করেছেন। সনদ দেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই। বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। আসলে পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে বেগম খালেদা জিয়াকে একদম ‘লাফিং স্টক’ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, কানাডার ফেডারেল আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে রায় দিয়েছেন। সেখানে এটাও উল্লেখ করা হয়েছিল বিএনপি যেভাবে জ্বালাও পোড়াও করেছে, তারা ভবিষ্যতেও এরকম করতে পারে। সেখানে আবার একটি তথাকথিত হিউম্যান রাইটস অরগানাইজেশন থেকে তারা (বিএনপি) আবার একটি সনদ কিনেছেন। তিনি বলেন, বিএনপি যে স্বনামে-বেনামে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছিল। সেটি আমরা বেশ কয়েকবার গণমাধ্যমের সামনে বলেছিলাম। কিছু কিছু লবিস্ট ফার্মের সঙ্গে আবার বিদেশিদের মাধ্যমেও চুক্তি করেছিল। যার একটি চুক্তি স্বাক্ষরকারী হচ্ছে যে প্রতিষ্ঠান থেকে খালেদা জিয়াকে পদক দেওয়া হয়েছে, সেই সংগঠনের সঙ্গে।

ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল ত্রিপুরায় দেখা যায়। সেখানে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে তেমন একটা প্রতিবন্ধকতা নেই। কিন্তু পশ্চিম বাংলায় এগুলো দেখা যায় না। সেখানের ব্রডকাস্টাররা অনেক টাকা চায়। এটা কীভাবে সহজ করা যায় সে প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল এবং পত্রিকার রিপোর্টার কলকাতায় কাজ করেন। তাদের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়। তারা যেন সহজেই সেটি পায় সে বিষয়ে কথা হয়। এছাড়া দুই দেশের সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি সিনেমা করার চুক্তি হয়েছে।