বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ, বিপাকে দুই’শ বোরো চাষী

শরণখোলায় রেকর্ডীয় খালে বাঁধ দিয়ে মাছের চাষ করায় দুই শতাধিক বোরো চাষী পড়েছেন বিপাকে। খালের পানি ওঠা নামা বন্ধ হওয়ায় বোরো ধান উৎপন্ন না হবার আশংকা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনিরুজ্জামান খানসহ রায়েন্দা তাফালবাড়ী গ্রামের অর্ধশত চাষী স্বাক্ষরিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দাখিলকৃত অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের রায়েন্দা তাফালবাড়ী গ্রামের মৃত আঃ মজিদ হাওলাদারের পুত্র কামরুল ইসলাম বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের সøুইসগেট (এফ এস-৭) সংলগ্ন সরকারী রেকর্ডীয় খালের একাংশে বাঁধ দিয়ে মাছের চাষ (ঘের) করেছেন ফলে বোরো ফসলের মাঠে স্বাভাবিক পানি ওঠানামা বন্ধ হয়ে গেছে।
সাউথখালী ইউপি সদস্য মোঃ গিয়াস উদ্দিন জানান, মাঠের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বোরো চাষীদের জন্য এ খালটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখে ব্যাক্তি স্বার্থে খালটিতে বাঁধ দিয়ে মাছের ঘের করা হয়েছে যা সম্পূর্ন খামখেয়ালী মুলক ।
সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোজাম্মেল হোসেন বলেন, খালে বাঁধ দিয়ে জনদূর্ভোগসহ বোরো ফসল উৎপন্নে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে । এটি একটি স্বেচ্ছাচারীতা। চাষীদের সুবিধার্থে এ খালটি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বহুবার খনন করা হয়েছে ।
এ ব্যাপারে মাছচাষকারী মোঃ কামরুল ইসলাম জানান, আংশিক ভরাট হওয়া খালের পৈত্রিক রেকর্ডিয় জমিতে তিনি মাছের চাষ করেছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ওয়াসীম উদ্দিন জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আজগোর আলী স্যারকে নিয়ে বিবাদমান খাল এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে । বিবাদীর মালিকানাধীন কিছু জমি খালের মধ্যে রয়েছে তাই তিনি বাঁধ দিয়ে মাছের চাষ করেছেন । তবে চাষীদের স্বার্থে তাঁর খাল কেটে দিয়ে পানি চলাচলের ব্যাবস্থা করা উচিৎ । আমরা জনস্বার্থে খাল কেটে দেয়ার জন্য মোঃ কামরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি।

 

বার্তা/এন

 

জনপ্রিয়

ইতালি উপকূলে ভেসে আসছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৃতদেহ

খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ, বিপাকে দুই’শ বোরো চাষী

প্রকাশের সময় : ০৭:০৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

শরণখোলায় রেকর্ডীয় খালে বাঁধ দিয়ে মাছের চাষ করায় দুই শতাধিক বোরো চাষী পড়েছেন বিপাকে। খালের পানি ওঠা নামা বন্ধ হওয়ায় বোরো ধান উৎপন্ন না হবার আশংকা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনিরুজ্জামান খানসহ রায়েন্দা তাফালবাড়ী গ্রামের অর্ধশত চাষী স্বাক্ষরিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দাখিলকৃত অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের রায়েন্দা তাফালবাড়ী গ্রামের মৃত আঃ মজিদ হাওলাদারের পুত্র কামরুল ইসলাম বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের সøুইসগেট (এফ এস-৭) সংলগ্ন সরকারী রেকর্ডীয় খালের একাংশে বাঁধ দিয়ে মাছের চাষ (ঘের) করেছেন ফলে বোরো ফসলের মাঠে স্বাভাবিক পানি ওঠানামা বন্ধ হয়ে গেছে।
সাউথখালী ইউপি সদস্য মোঃ গিয়াস উদ্দিন জানান, মাঠের জলাবদ্ধতা নিরসন এবং বোরো চাষীদের জন্য এ খালটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখে ব্যাক্তি স্বার্থে খালটিতে বাঁধ দিয়ে মাছের ঘের করা হয়েছে যা সম্পূর্ন খামখেয়ালী মুলক ।
সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোজাম্মেল হোসেন বলেন, খালে বাঁধ দিয়ে জনদূর্ভোগসহ বোরো ফসল উৎপন্নে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে । এটি একটি স্বেচ্ছাচারীতা। চাষীদের সুবিধার্থে এ খালটি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বহুবার খনন করা হয়েছে ।
এ ব্যাপারে মাছচাষকারী মোঃ কামরুল ইসলাম জানান, আংশিক ভরাট হওয়া খালের পৈত্রিক রেকর্ডিয় জমিতে তিনি মাছের চাষ করেছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ওয়াসীম উদ্দিন জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আজগোর আলী স্যারকে নিয়ে বিবাদমান খাল এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে । বিবাদীর মালিকানাধীন কিছু জমি খালের মধ্যে রয়েছে তাই তিনি বাঁধ দিয়ে মাছের চাষ করেছেন । তবে চাষীদের স্বার্থে তাঁর খাল কেটে দিয়ে পানি চলাচলের ব্যাবস্থা করা উচিৎ । আমরা জনস্বার্থে খাল কেটে দেয়ার জন্য মোঃ কামরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি।

 

বার্তা/এন