
অতিথি পাখির কলতানে মুখরিত রাণীশংকৈলের একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র ঐতিহাসিক রামরায় দীঘি।শীতের তীব্রতা কমলেও ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার প্রাচীন রামরায় দিঘীতে এখানো রয়েছে অতিথি পাখির আনাগোনা।পঞ্জিকা থেকে বিদায় নিয়েছে শীত,তবে প্রকৃতিতে এখনো রয়েছে শীতের আমেজ। পাখি দেখতে আসা হাজারো দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটছে প্রতিদিন।
রামরায় দিঘিতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অতিথি পাখিরা ভিড় জমায়। পাখিদের মুহুর্মুহু কলতানে পুরো এলাকা পরিণত হয়েছে পাখির স্বর্গরাজ্যে। সন্ধ্যা নামলেই দিঘীপাড়ের লিচু বাগানে আশ্রয় নেয় এসব পাখি।পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাখি ও জলাশয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর।
স্হানীয় সুত্রে জানা যায়, প্রতি বছর শীত এলেই এসব পাখি এখানে এসে প্রকৃতিকে সাজায় নতুন সাজে। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখির সমাগম হয়েছে রামরায় দিঘিতে। পাখিদের কলকাকলিতে পুরো এলাকা মুখরিত।
দেশের নদ-নদী, হাওর-বাওরের ভালোবাসার টানে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে রামরায় দিঘীতে আসে এসব অতিথি পাখি।
রুমানা ইসলাম নামে একজন দর্শনার্থী জানান, রামরায় দিঘিটি এখন নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। আগের থেকে এখন অনেক সুন্দর হয়েছে। রামরায় দীঘিতে অতিথি পাখি এসেছে শুনে দেখতে এসে বেশ ভালো লাগছে। প্রতি বছর পাখির আগমনে রামরায় দিঘীর সৌন্দর্য যেন দ্বিগুণ হয়ে ওঠে।
সেলিনা আক্তার নামে আরেক জন দর্শনার্থী জানান, আমরা নেকমরদ থেকে এসেছি। প্রতিবছর এখানে অতিথি পাখির আগমন ঘটে। পাখির কলতানে মুখরিত রামরায় দীঘি বেশ মনমুগ্ধ, অনেক অনেক ভালো লাগে। তাই বছরে প্রায় দু তিন বার আমরা সপরিবারে এখানে ঘুরতে আসি।
উপজেলা শহর থেকে ৪ কি .মি. দক্ষিণ পশ্চিমে উত্তরগাঁও গ্রামের কাছেই বরেন্দ্র অঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম জলাশয় রামরায় দিঘী। শহর থেকে যে কোনো যানবাহনে ১০ থেকে ১৫ টাকা ভাড়া নেয়। যেতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকারনাইন কবির স্টিভ জানান, অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত রামরায় দীঘি।রামরায় দীঘি পাখিদের যেন সুন্দর একটি অভয়ারণ্য গড়ে ওঠে সেদিকে খেয়াল রাখছি। কেউ যেন পাখি শিকার না করতে পারে সে বিষয়ে আমরা সর্বদা নজরদারি করছি।
বার্তা/এন
জাহাঙ্গীর আলম, ঠাকুরগাঁও থেকে 






































