মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাণীশংকৈলে একই ইউনিয়নে দু’জনের আত্মহত্যা

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় একই ইউনিয়নে দু’জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ২২ ফেব্রুযারি উপজেলার ৭নং রাতোর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামে চন্দন(১৪) ও নরগাঁও গ্রামের ঘামানু ওরফে ভাগ্য (৩১) নামে দু’জনের আত্বহত্যা করার ঘটনা ঘটে।
থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রাতোর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামের কৃষ্ণ কুমারের ছেলে চন্দন(১৪) ঢাকা বেড়াতে যাওয়ার জন্য বাবার কাছে টাকা চাই। তার বাবা টাকা দিতে ব্যার্থ হওয়ায় চন্দন অভিমান করে গত মঙ্গলবার ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে নিজ ঘরে গলায় দড়ি দিয়ে বাঁশের শরে ঝুলে আত্মহত্যা করে। পরদিন বুধবার ২৩ ফেব্রুয়ারি সকালে পরিবারে লোকজন তাকে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে চন্দনের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে চন্দনের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে, একই ইউনিয়নের নরগাঁও গ্রামের আতিয়া রায়ের বিবাহিত ছেলে ঘামানু (ভাগ্য) রায়(৩১) পারিবারিক কলহের জেরে একই দিনে সকালে নিজ বাড়িতে ইঁদুর মারা ট্যাবলেট খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে ওই দিনেই প্রথমে পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে রংপুরে নেয়ার পথে সন্ধ্যায় মারা যান তিনি।
রাণীশংকৈল থানা ওসি(তদন্ত) আব্দুল লতিফ শেখ জানান,দুই পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এডিএম’র অনুমতি সাপেক্ষে মৃতদের শেষকৃত্য করা হয়। এ বিষয়ে থানায় দুটি ইউডি মামলা করা হয়েছে।
বার্তা/এন
জনপ্রিয়

গর্ভাবস্থায় যে ৫ ভুল করা যাবে না

রাণীশংকৈলে একই ইউনিয়নে দু’জনের আত্মহত্যা

প্রকাশের সময় : ১০:৪৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় একই ইউনিয়নে দু’জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ২২ ফেব্রুযারি উপজেলার ৭নং রাতোর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামে চন্দন(১৪) ও নরগাঁও গ্রামের ঘামানু ওরফে ভাগ্য (৩১) নামে দু’জনের আত্বহত্যা করার ঘটনা ঘটে।
থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রাতোর ইউনিয়নের রাঘবপুর গ্রামের কৃষ্ণ কুমারের ছেলে চন্দন(১৪) ঢাকা বেড়াতে যাওয়ার জন্য বাবার কাছে টাকা চাই। তার বাবা টাকা দিতে ব্যার্থ হওয়ায় চন্দন অভিমান করে গত মঙ্গলবার ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে নিজ ঘরে গলায় দড়ি দিয়ে বাঁশের শরে ঝুলে আত্মহত্যা করে। পরদিন বুধবার ২৩ ফেব্রুয়ারি সকালে পরিবারে লোকজন তাকে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে চন্দনের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে চন্দনের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে, একই ইউনিয়নের নরগাঁও গ্রামের আতিয়া রায়ের বিবাহিত ছেলে ঘামানু (ভাগ্য) রায়(৩১) পারিবারিক কলহের জেরে একই দিনে সকালে নিজ বাড়িতে ইঁদুর মারা ট্যাবলেট খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে ওই দিনেই প্রথমে পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে রংপুরে নেয়ার পথে সন্ধ্যায় মারা যান তিনি।
রাণীশংকৈল থানা ওসি(তদন্ত) আব্দুল লতিফ শেখ জানান,দুই পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এডিএম’র অনুমতি সাপেক্ষে মৃতদের শেষকৃত্য করা হয়। এ বিষয়ে থানায় দুটি ইউডি মামলা করা হয়েছে।
বার্তা/এন