সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সার্চ কমিটি নয়, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : ০৫:০০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১৪৭

সংগৃহীত ছবি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপির কোনো মাথাব্যথা নেই। আমাদের মাথাব্যথা একটা বিষয় নিয়ে, সেটি হলো নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে। কারণ আওয়ামী লীগ সরকার যদি ক্ষমতায় থাকে তাহলে নিশ্চিত থাকতে পারেন কোনো নির্বাচন হবে না। এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।

রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট আয়োজিত কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি আব্দুস সালামের সাম্প্রদায়িক উক্তি ও নিপুন রায় চৌধুরীর ওপর হামলার প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আবার তারা (সরকার) একই কায়দায় নির্বাচন করবে, আমরা চেয়ে চেয়ে দেখবো, আমরা সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো না। আমাদের একমাত্র দাবি, নির্বাচন কমিশন নয়, সার্চ কমিটি নয়, তত্ত্বাবধায়ক বা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, যাদেরকে রাতের ভোটের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, যাকে আন্তর্জাতিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে তিনি একজন সন্ত্রাসী, মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, তাকে আপনারা (সরকার) উচ্চপদে আসীন করে রেখেছেন। তার ছবি নিয়ে র‌্যালি করা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) আমাদের জন্য সম্মানের নয়, আনন্দের নয়, অত্যন্ত লজ্জার। গোটা জাতির জন্য এটা একটা লজ্জার ঘটনা। আমরা যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছি, তখন আমাদের একটি বাহিনীর ওপর এই নিষেধাজ্ঞা অত্যন্ত লজ্জার। কারণ সরকার তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনে ব্যবহার করছে।

সংগঠনের সভাপতি সাবেক মন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ড প্রমুখ বক্তব্য দেন।

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের জনসভা অনুষ্ঠিত

সার্চ কমিটি নয়, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে

প্রকাশের সময় : ০৫:০০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপির কোনো মাথাব্যথা নেই। আমাদের মাথাব্যথা একটা বিষয় নিয়ে, সেটি হলো নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে। কারণ আওয়ামী লীগ সরকার যদি ক্ষমতায় থাকে তাহলে নিশ্চিত থাকতে পারেন কোনো নির্বাচন হবে না। এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।

রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট আয়োজিত কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি আব্দুস সালামের সাম্প্রদায়িক উক্তি ও নিপুন রায় চৌধুরীর ওপর হামলার প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আবার তারা (সরকার) একই কায়দায় নির্বাচন করবে, আমরা চেয়ে চেয়ে দেখবো, আমরা সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো না। আমাদের একমাত্র দাবি, নির্বাচন কমিশন নয়, সার্চ কমিটি নয়, তত্ত্বাবধায়ক বা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, যাদেরকে রাতের ভোটের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, যাকে আন্তর্জাতিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে তিনি একজন সন্ত্রাসী, মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, তাকে আপনারা (সরকার) উচ্চপদে আসীন করে রেখেছেন। তার ছবি নিয়ে র‌্যালি করা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা) আমাদের জন্য সম্মানের নয়, আনন্দের নয়, অত্যন্ত লজ্জার। গোটা জাতির জন্য এটা একটা লজ্জার ঘটনা। আমরা যখন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছি, তখন আমাদের একটি বাহিনীর ওপর এই নিষেধাজ্ঞা অত্যন্ত লজ্জার। কারণ সরকার তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনে ব্যবহার করছে।

সংগঠনের সভাপতি সাবেক মন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ড প্রমুখ বক্তব্য দেন।