শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাণীশংকৈলে রামরায় দিঘির সৌন্দর্য বর্ধন কাজের উদ্বোধন

বহু দিন ধ’রে বহু ক্রোশ দূরে
বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে
দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,
দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শিষের উপরে
একটি শিশিরবিন্দু।. . . !  অ‌নে‌কেই  হয়‌তো ঠিক এম‌নি ক‌রে আবা‌রো ঘু‌রে ফি‌রে দেখ‌বে নতুন ক‌রে প্রকৃ‌তির সেই  রূপ “রাণীসাগ‌রে”। আর তারই নতুন ক‌রে সু‌যোগ ক‌রে দি‌লেন রাণীশং‌কৈল উপ‌জেলা প্রশাসন।
আজ সোমবার ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশং‌কৈল উপ‌জেলার রাণীসাগর সহ‌জে বল‌লে হয় রামরাই দিঘী-র সৌন্দর্য বর্ধ‌ন ও পর্যটক‌দের জন্য বিশ্রামাগার এর শুভ উ‌দ্বোধন ক‌রেন উপ‌জেলা’র চেয়ারম্যান জনাব শাহ‌রিয়ার আজম মুন্না ও নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সো‌হেল সুলতান জুলকার নাইন ক‌বির স্টিভ।
উপ‌জেলা’র বহু প্রাচীণ ও সর্ববৃহৎ এক‌টি দিঘী। যা দেখ‌তে ম‌নে হয় সমতল ভূ‌মি’র বু‌কে এক টুকরা সাগর। আর সে কার‌নেই পর্যটক ও ভ্রমণ‌পিয়াসীগণ রামরাই দিঘী থে‌কে রাণীসাগ‌র না‌মে অ‌ভিহীত ক‌রেন। দিঘীর চারপা‌শে উচুঁ পাহাড় ও পাহা‌ড়ে লিচুর গাছ থাকায় ভ্রমণ‌পিয়াসী‌দের‌কে ক‌রে তু‌লে‌ছে আকর্ষনীয় এক‌টি পর্যটন ও ভ্রমণ কেন্দ্র হি‌সে‌বে। অ‌নে‌কে আবার দল‌বে‌ধে সেখা‌নে পিক‌নিকও কর‌তে আ‌সে। আর সে কার‌নে সে‌টি আ‌রো পিক‌নিক স্পট হি‌সে‌বেও ই‌তোম‌ধ্যে প‌রি‌চি‌তি লাভ ক‌রে‌ছে। অ‌নেক আ‌গে দিঘী‌টির সৌন্দর্য বর্ধ‌নের কিছু কাজ হওয়া  এবং কিছু কাজ অসমাপ্ত থে‌কে গে‌লেও সংস্কা‌রের অভা‌বে তা নষ্ট হ‌য়ে যায়। বর্তমান উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একজন ভা‌লো ম‌নের  প্রকৃতি প্রে‌মিক ও সুন্দর ম‌নের মানুষ। আর সে কার‌নে হয়‌তো তি‌নি উপ‌জেলা’র পর্যটন স্পটগু‌লো চি‌হিৃত ক‌রে তা সংস্কার করাসহ সৌন্দর্যবর্ধনের কার্যক্রম অব্যাহত রে‌খে‌ছেন।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, রামরায়-দিঘী কে নতুন ভাবে সৌন্দর্য বর্ধন করতে আমরা উপজেলা প্রশাসন সকল প্রকার পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি, ইতিমধ্যে আমরা দুইটি ঘর নির্মাণ করেছি এখানে পিকনিকে আসা অতিথিরা এটি অগ্রিম বরাদ্দের মাধ্যমে নিতে পারবেন।এবং এখানে আরাম আয়েশ করতে পারবেন। যা আগে অতিথিদের জন্য কোন রকম আরাম আয়েশের ব্যবস্থা ছিল না।
প্রভাষক প্রশান্ত বসাকের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক এমপি অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, ভাইস-চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) ইন্দ্রজিৎ সাহা,বরেন্দ্র অফিসার তিতুমীর রহমান,কৃষি অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ পৌর-আ”লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম,অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক,ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ও জমিরুল ইসলাম,মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান,প্রধান শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন ও রুহুল আমিন,রানীশংকৈল প্রেসক্লাব আহব্বায়ক কুশমত আলী ও সভাপতি ফারুক আহমেদ(প্রমুখ)৷ এছাড়াও সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মঞ্জুরুল আলম ও জাহিদ হাসান,পি আই ও সামিয়েল মার্ডে,খাদ্য সহকারি অফিসার নবাব আলী,প্রভাষক আলমগীর হোসেন সহ সাংবাদিকবৃন্দ।
জনপ্রিয়

তারেক রহমান সপরিবারে যমুনায়

রাণীশংকৈলে রামরায় দিঘির সৌন্দর্য বর্ধন কাজের উদ্বোধন

প্রকাশের সময় : ০৮:১৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২
বহু দিন ধ’রে বহু ক্রোশ দূরে
বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে
দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,
দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শিষের উপরে
একটি শিশিরবিন্দু।. . . !  অ‌নে‌কেই  হয়‌তো ঠিক এম‌নি ক‌রে আবা‌রো ঘু‌রে ফি‌রে দেখ‌বে নতুন ক‌রে প্রকৃ‌তির সেই  রূপ “রাণীসাগ‌রে”। আর তারই নতুন ক‌রে সু‌যোগ ক‌রে দি‌লেন রাণীশং‌কৈল উপ‌জেলা প্রশাসন।
আজ সোমবার ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশং‌কৈল উপ‌জেলার রাণীসাগর সহ‌জে বল‌লে হয় রামরাই দিঘী-র সৌন্দর্য বর্ধ‌ন ও পর্যটক‌দের জন্য বিশ্রামাগার এর শুভ উ‌দ্বোধন ক‌রেন উপ‌জেলা’র চেয়ারম্যান জনাব শাহ‌রিয়ার আজম মুন্না ও নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সো‌হেল সুলতান জুলকার নাইন ক‌বির স্টিভ।
উপ‌জেলা’র বহু প্রাচীণ ও সর্ববৃহৎ এক‌টি দিঘী। যা দেখ‌তে ম‌নে হয় সমতল ভূ‌মি’র বু‌কে এক টুকরা সাগর। আর সে কার‌নেই পর্যটক ও ভ্রমণ‌পিয়াসীগণ রামরাই দিঘী থে‌কে রাণীসাগ‌র না‌মে অ‌ভিহীত ক‌রেন। দিঘীর চারপা‌শে উচুঁ পাহাড় ও পাহা‌ড়ে লিচুর গাছ থাকায় ভ্রমণ‌পিয়াসী‌দের‌কে ক‌রে তু‌লে‌ছে আকর্ষনীয় এক‌টি পর্যটন ও ভ্রমণ কেন্দ্র হি‌সে‌বে। অ‌নে‌কে আবার দল‌বে‌ধে সেখা‌নে পিক‌নিকও কর‌তে আ‌সে। আর সে কার‌নে সে‌টি আ‌রো পিক‌নিক স্পট হি‌সে‌বেও ই‌তোম‌ধ্যে প‌রি‌চি‌তি লাভ ক‌রে‌ছে। অ‌নেক আ‌গে দিঘী‌টির সৌন্দর্য বর্ধ‌নের কিছু কাজ হওয়া  এবং কিছু কাজ অসমাপ্ত থে‌কে গে‌লেও সংস্কা‌রের অভা‌বে তা নষ্ট হ‌য়ে যায়। বর্তমান উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একজন ভা‌লো ম‌নের  প্রকৃতি প্রে‌মিক ও সুন্দর ম‌নের মানুষ। আর সে কার‌নে হয়‌তো তি‌নি উপ‌জেলা’র পর্যটন স্পটগু‌লো চি‌হিৃত ক‌রে তা সংস্কার করাসহ সৌন্দর্যবর্ধনের কার্যক্রম অব্যাহত রে‌খে‌ছেন।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, রামরায়-দিঘী কে নতুন ভাবে সৌন্দর্য বর্ধন করতে আমরা উপজেলা প্রশাসন সকল প্রকার পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি, ইতিমধ্যে আমরা দুইটি ঘর নির্মাণ করেছি এখানে পিকনিকে আসা অতিথিরা এটি অগ্রিম বরাদ্দের মাধ্যমে নিতে পারবেন।এবং এখানে আরাম আয়েশ করতে পারবেন। যা আগে অতিথিদের জন্য কোন রকম আরাম আয়েশের ব্যবস্থা ছিল না।
প্রভাষক প্রশান্ত বসাকের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক এমপি অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, ভাইস-চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) ইন্দ্রজিৎ সাহা,বরেন্দ্র অফিসার তিতুমীর রহমান,কৃষি অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ পৌর-আ”লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম,অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক,ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ও জমিরুল ইসলাম,মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান,প্রধান শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন ও রুহুল আমিন,রানীশংকৈল প্রেসক্লাব আহব্বায়ক কুশমত আলী ও সভাপতি ফারুক আহমেদ(প্রমুখ)৷ এছাড়াও সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মঞ্জুরুল আলম ও জাহিদ হাসান,পি আই ও সামিয়েল মার্ডে,খাদ্য সহকারি অফিসার নবাব আলী,প্রভাষক আলমগীর হোসেন সহ সাংবাদিকবৃন্দ।