বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বেসরকারি খাতকেও উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল ২০২২
  • ১০৬
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি জানান, দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুরক্ষিত বিশ্ব, নিশ্চিত স্বাস্থ্য’ যথার্থ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। স্বাস্থ্য খাতের সব শাখায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগের ফলে সামগ্রিভাবে দেশের স্বাস্থ্যসূচকে বিস্ময়কর উন্নতি হয়েছে।
মো. আবদুল হামিদ বলেন,স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও নিয়োগ, অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সংগ্রহ ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দেশের চিকিৎসাসেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মানুষের গড় আয়ু যেমন বেড়েছে, তেমনি কমেছে ‘মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার’।
জনপ্রিয়

বেনাপোলে ছাত্রদলের উদ্যোগে রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বেসরকারি খাতকেও উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশের সময় : ১২:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল ২০২২
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি জানান, দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুরক্ষিত বিশ্ব, নিশ্চিত স্বাস্থ্য’ যথার্থ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। স্বাস্থ্য খাতের সব শাখায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগের ফলে সামগ্রিভাবে দেশের স্বাস্থ্যসূচকে বিস্ময়কর উন্নতি হয়েছে।
মো. আবদুল হামিদ বলেন,স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও নিয়োগ, অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সংগ্রহ ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দেশের চিকিৎসাসেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মানুষের গড় আয়ু যেমন বেড়েছে, তেমনি কমেছে ‘মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার’।