শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধকালীন সময়ে কিয়েভ সফর করবেন না বাইডেন

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধকালীন সময়ে বিধ্বস্ত কিয়েভ সফর করবেন না নেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি এক ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম বাংলা প্রেস।
জেন সাকি সাংবাদিকদের পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, প্রেসিডেন্টের যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে হোয়াইট হাউজের তরফে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা যেমন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিন কিয়েভ সফর করতে পারেন।
গত রোববার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি বলেন, তিনি ভাবছেন, বাইডেন কিয়েভ সফর করতে পারেন। তিনি আরও বলেন, এটি অবশ্যই তার সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে নিরাপত্তার বিষয়টি রয়েছে। তবে তিনি আশা করেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই শীর্ষ নেতার পরিস্থিতি দেখার জন্য কিয়েভ সফর করা উচিত।
জেন সাকি আরও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র কিয়েভে পুনরায় দূতাবাস চালু করার ব্যাপারে আশাবাদী, যদিও কবে দূতাবাস চালু হবে তা খোলাসা করে বলেননি তিনি। তিনি বলেন, এটিই এখন আমাদের উদ্দেশ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানা এক মাস ধরে উত্তেজনা চলার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আগ্রাসন চালায় রাশিয়া। ছয় সপ্তাহের বেশি সময় ধরে রাশিয়ার সেনাদের সঙ্গে ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র লড়াই চলছে। দুই পক্ষের লড়াইয়ে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে দেশটিতে। ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়েছেন প্রায় ৩০ লাখ মানুষ। অনেক দেশই দূতাবাসের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় ইউক্রেনে।
জনপ্রিয়

যশোরে আসামি জামিনে বেরিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

যুদ্ধকালীন সময়ে কিয়েভ সফর করবেন না বাইডেন

প্রকাশের সময় : ১১:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল ২০২২
ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধকালীন সময়ে বিধ্বস্ত কিয়েভ সফর করবেন না নেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি এক ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম বাংলা প্রেস।
জেন সাকি সাংবাদিকদের পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, প্রেসিডেন্টের যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে হোয়াইট হাউজের তরফে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা যেমন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বা প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিন কিয়েভ সফর করতে পারেন।
গত রোববার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি বলেন, তিনি ভাবছেন, বাইডেন কিয়েভ সফর করতে পারেন। তিনি আরও বলেন, এটি অবশ্যই তার সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে নিরাপত্তার বিষয়টি রয়েছে। তবে তিনি আশা করেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই শীর্ষ নেতার পরিস্থিতি দেখার জন্য কিয়েভ সফর করা উচিত।
জেন সাকি আরও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র কিয়েভে পুনরায় দূতাবাস চালু করার ব্যাপারে আশাবাদী, যদিও কবে দূতাবাস চালু হবে তা খোলাসা করে বলেননি তিনি। তিনি বলেন, এটিই এখন আমাদের উদ্দেশ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানা এক মাস ধরে উত্তেজনা চলার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আগ্রাসন চালায় রাশিয়া। ছয় সপ্তাহের বেশি সময় ধরে রাশিয়ার সেনাদের সঙ্গে ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র লড়াই চলছে। দুই পক্ষের লড়াইয়ে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে দেশটিতে। ইউক্রেন ছেড়ে পালিয়েছেন প্রায় ৩০ লাখ মানুষ। অনেক দেশই দূতাবাসের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় ইউক্রেনে।