রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের ঘর পেল ৩৩ হাজার পরিবার

সংগৃহীত

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় ধাপে ঈদ উপহার হিসেবে ভূমিহীন ও গৃহহীন ৩২ হাজার ৯০৪টি পরিবারকে ঘর হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে জমির দলিলসহ ঘরের চাবি প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে উঠবে। তিনি সবসময় বলতেন, প্রতিটি মানুষ খাদ্য পাবে, আশ্রয় পাবে, উন্নত জীবনের অধিকারী হবে। আমিও জাতির পিটার সেই আদর্শ নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, একদিকে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলছি, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের যেসব মানুষ একেবারে ছিন্নমূল, যাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই, যারা কখনও স্বপ্নও দেখতে পারে না। যারা একমুঠো খাবার জোটাতে পারে না, সেই মানুষগুলোর ভাগ্য পরিবর্তন করাই হচ্ছে আমাদের সরকারের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করে যাচ্ছিG

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু ছিন্নমূল মানুষ না, দেশে যারা কুষ্ঠ রোগী, তাদেরকে আশ্রয়ণের মাধ্যমে পুনর্বাসন করেছি। যারা বেদে, নৌকায় বসবাস করতো, তাদেরকে আমরা ঘরবাড়ি তৈরি করে দিয়েছি। অবহেলিত জনগোষ্ঠী হিজড়াদেরও আমরা স্বীকৃতি দিয়েছি, তারা তাদের পরিবারেই থাকতে পারবেন। তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও আমরা করে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘর পেয়ে মানুষ যখন হাসে তখন সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে অনেক বেদখল জমি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

এ সময় প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

জনপ্রিয়

যশোরে সকালের বার্তা পত্রিকার প্রকাশনা উদ্বোধন

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের ঘর পেল ৩৩ হাজার পরিবার

প্রকাশের সময় : ০১:৫৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল ২০২২

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় ধাপে ঈদ উপহার হিসেবে ভূমিহীন ও গৃহহীন ৩২ হাজার ৯০৪টি পরিবারকে ঘর হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে জমির দলিলসহ ঘরের চাবি প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে উঠবে। তিনি সবসময় বলতেন, প্রতিটি মানুষ খাদ্য পাবে, আশ্রয় পাবে, উন্নত জীবনের অধিকারী হবে। আমিও জাতির পিটার সেই আদর্শ নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, একদিকে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলছি, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের যেসব মানুষ একেবারে ছিন্নমূল, যাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই, যারা কখনও স্বপ্নও দেখতে পারে না। যারা একমুঠো খাবার জোটাতে পারে না, সেই মানুষগুলোর ভাগ্য পরিবর্তন করাই হচ্ছে আমাদের সরকারের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করে যাচ্ছিG

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু ছিন্নমূল মানুষ না, দেশে যারা কুষ্ঠ রোগী, তাদেরকে আশ্রয়ণের মাধ্যমে পুনর্বাসন করেছি। যারা বেদে, নৌকায় বসবাস করতো, তাদেরকে আমরা ঘরবাড়ি তৈরি করে দিয়েছি। অবহেলিত জনগোষ্ঠী হিজড়াদেরও আমরা স্বীকৃতি দিয়েছি, তারা তাদের পরিবারেই থাকতে পারবেন। তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও আমরা করে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঘর পেয়ে মানুষ যখন হাসে তখন সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে অনেক বেদখল জমি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

এ সময় প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।