বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীঘা হয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ‘অশনি’

ছবি-সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’এই মুহূর্তে ১০ কিলোমিটার বেগে স্থলভাগে বিরাজ করছে। ভারতের ওড়িশা উপকূল থেকে এসে দীঘা হয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আছড়ে পড়ার আশংকা রয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়ের। বর্তমানে বিশাখাপত্যনম থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এটি।

গোপালপুর থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে এবং পুরী থেকে ৪৭৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থান ঘূর্ণিঝড়ের। ধীরে ধীরে আশনির দাপট কমতে থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে এর বড় কোনো প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়বে না বলে জানিয়েছেন আবহওয়াবিদরা।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। নবান্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বৃষ্টি বেশি পরিমাণে হলে লোকজনকে বিভিন্ন স্কুলে আশ্রয়ের জন্য নিয়ে আসতে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যেই সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। যারা বেড়াতে গিয়েছিলেন তাদের সেখান থেকে সরিয়ে আনার কাজও শুরু হয়েছে। অপরদিকে নবান্নে যে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে সেখান থেকে প্রতিমূহুর্তে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে ওই এলাকা থেকে সরিয়ে আনার কাজ চলছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্ব মেদিনীপুরে ২টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১টি, উত্তর২৪ পরগনায় ২টি, দক্ষিণ২৪ পরগনায় ২টি কলকাতায় ২টি, হাওড়ায় ১টি, হুগলিতে ১টি এবং নদিয়ায় ১টি টিম গঠন করা হয়েছে। মোট ১২টি মোতায়েন করেছে ন্যাশনাল ডিজেস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ)।

জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়ে ভারতের পার্লামেন্টে নীরবতা পালন

দীঘা হয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ‘অশনি’

প্রকাশের সময় : ০৪:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মে ২০২২

ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’এই মুহূর্তে ১০ কিলোমিটার বেগে স্থলভাগে বিরাজ করছে। ভারতের ওড়িশা উপকূল থেকে এসে দীঘা হয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আছড়ে পড়ার আশংকা রয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়ের। বর্তমানে বিশাখাপত্যনম থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এটি।

গোপালপুর থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে এবং পুরী থেকে ৪৭৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থান ঘূর্ণিঝড়ের। ধীরে ধীরে আশনির দাপট কমতে থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে এর বড় কোনো প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়বে না বলে জানিয়েছেন আবহওয়াবিদরা।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। নবান্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বৃষ্টি বেশি পরিমাণে হলে লোকজনকে বিভিন্ন স্কুলে আশ্রয়ের জন্য নিয়ে আসতে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যেই সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। যারা বেড়াতে গিয়েছিলেন তাদের সেখান থেকে সরিয়ে আনার কাজও শুরু হয়েছে। অপরদিকে নবান্নে যে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে সেখান থেকে প্রতিমূহুর্তে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে ওই এলাকা থেকে সরিয়ে আনার কাজ চলছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্ব মেদিনীপুরে ২টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১টি, উত্তর২৪ পরগনায় ২টি, দক্ষিণ২৪ পরগনায় ২টি কলকাতায় ২টি, হাওড়ায় ১টি, হুগলিতে ১টি এবং নদিয়ায় ১টি টিম গঠন করা হয়েছে। মোট ১২টি মোতায়েন করেছে ন্যাশনাল ডিজেস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ)।