
জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ঢাকা টেস্টে নেমেছিল বাংলাদেশ। আত্মবিশ্বাসও ছিল ঢের। কারণ, উইকেট, কন্ডিশন সবই চেনা। মিরপুর শেরেবাংলা গ্রাউন্ড টাইগারদের নিজ ঘরের উঠান।
আর এমন চেনা মাঠেই লংকান পেসারদের তোপে মুড়ি-মুরখির মতো উইকেট দিয়ে এলো বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতেও এভাবে উইকেট পড়ে না!
টস জিতে বড় সংগ্রহের আশায় ব্যাট হাতে নামে মুমিনুল বাহিনী।
আর প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। এরপর শুধু আসা-যাওয়ার মিছিল। এ মিছিলে যোগ দিতে কার্পণ্য করেননি তামিম-সাকিব-মুমিনুলের মতো অভিজ্ঞরাও।
মাত্র ৭ ওভারে ২৫ রান তুলেই ৫ উইকেট হাওয়া। তবে কি প্রথম ইনিংসে দলগত সেঞ্চুরিও হবে না বাংলাদেশের।
লজ্জার সেই পরিস্থিতিতে থেকে দলকে বাঁচালেন আরো দুই অভিজ্ঞ টাইগার মুশফিকুর রহিম ও লিটন কুমার দাস।
কোনো বিপদ না ঘটিয়ে ২৫ রান থেকে ৮৩ রান পর্যন্ত নিয়ে গেলেন। ১১২ বলে পঞ্চাশ রানের জুটি গড়লেন তারা।
যেখানে লিটন দাসের অবদান ৩৩ রান। বাকিটা মুশফিকের।
এ রিপোর্ট লেখার সময় ৫ বাউন্ডারিতে ৬৯ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত মি. ডিপেন্ডেবল। অন্যপ্রান্তে সমানসংখ্যক বাউন্ডারিতে ৭৮ বলে ৩৩ রানে ব্যাট করছেন লিটন।
এ দুজনের দারুণ ব্যাটিংয়ে ৩১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮৪ রান।
এর আগে মাঠে বল গড়াতেই আউট হন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়।
লংকান পেসার কাসুন রাজিথার প্রথম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে ব্যাট প্যাডের ফাঁক গলে বোল্ড হয়েছেন জয়। রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি।
পরের ওভারেই বিদায় নেন অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল। আসিথা ফার্নান্ডোর ওভারের চতুর্থ বলটি লেগ সাইডে খেলতে গেলে উল্টো দিকে বল উঠে যায়, জয়াবিক্রমের দুর্দান্ত ক্যাচ হন। তিনিও ফিরে যান রানের খাতা না খুলেই।
ব্যর্থতার বলয় এই ইনিংসের ছিঁড়তে পারেনরি মুমিনুল হিও। আসিথা ফার্নান্দোর দ্বিতীয় শিকার তিনি। ৯ রানে আউট হলেন মুমিনুল।
ফের আঘাত হানেন রাজিথা। তার দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন নাজমুল হাসান শান্ত। তাকে বোল্ড করে দিলেন এ পেসার।
রাউন্ড দ্য উইকেটে এসে ক্রিজের বেশ দূর থেকে করা কার বল স্টাম্প উড়িয়ে দেয় শান্তর। ১৭ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফিরলেন শান্ত।
রাজিথার পরের বলেই আউট সাকিব। তিনিও রানের খাতা খুলতেই পারেননি। রাজিথার ৩য় শিকার তিনি।
স্পোর্টস ডেস্ক 






































