বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পথ মওলানা ভাসানীর মানববন্ধন: সরকার বাজার নিয়ন্ত্রনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ

  • ঢাকা ব্যুরো
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২
  • ১২৮

বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও ভিন্নমতের নাগরিকদের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করা যায় না ইতিহাস তা বার বার প্রমান করেছে। সরকার পরিচালনায় ব্যার্থ সরকার আজ বিরোধী দলের উপর নির্যাতন চালাতে স্বক্ষম হলেও বাজার নিয়ন্ত্রনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।

মঙ্গলবার (৩১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “বিরোধী দলের উপর সরকারী দলের নির্যাতন ও দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির প্রতিবাদে” পথ মওলানা ভাসানী আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচীতে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন।

সংগঠনের সমন্বয়কারী ও সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন-অর-রশীদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, ডিএল সাধারন সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, ফরওয়ার্ড পার্টির সদস্য সচিব মাহাবুবুল আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পাার্টির সাধারন সম্পাদক এ এ এম ফায়েজ হোসেন, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মজুমদার, এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, এনডিএম সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন নুরুজ্জামান হীরা, জাতীয় নারী আন্দোলনের সভাপতি মিতা রহমান, বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি শফিকুল আলম শাহীন, নারী নেত্রী এলিজা খাতুন প্রমুখ।

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, সরকার ইতোমধ্যেই বিদ্যুৎ খাতকে লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে। নিজেদের পোষ্য লোকদের সুবিধা দেওয়ার জন্য বারবার মেয়াদ বাড়িয়ে কুইক রেন্টাল কোম্পানিগুলোকে বসিয়ে রেখে ক্যাপাসিটি চার্জ দিচ্ছে। এই অব্যাহত লুটপাটের টাকা জোগান দিতেই উপর্যুপরি বিদূতের মুল্যবৃদ্ধি করছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতার তুলনায় ভীষণ ব্যয়বহুল বিদ্যুত উৎপাদন সাধারণ মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস তুলছে।

তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবৈধ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়াসহ মজুতদার-মুনাফাখোর ও মধ্যস্বত্বভোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ‘উৎপাদক সমবায় ও ক্রেতা সমবায় ব্যবস্থা’ গড়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিত্যপণ্যের স্টক গড়ে তুলতে হবে। স্বল্প আয়ের মানুষকে সারাদেশে পর্যাপ্ত ন্যায্যমূল্যের দোকান ও রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। টিসিবির গাড়ির সংখ্যা বাড়াতে হবে। অতি দরিদ্রদের নগদ সহায়তা দিতে হবে।

তিনি বিদ্যুতে মুল্যবৃদ্ধির গুবিরোধী তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তেরর বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ হারুন-অর-রশীদ বলেন, দ্রব্যমূল্য এখন মধ্যবিত্তের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। ঈদের আগে সরকার অনেক নাটক করেছে। সরকার ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেছে। অথচ এ কথা দিবালোকের মত স্পষ্ট এসব সিন্ডিকেট সরকারী দলের নেতারাই তৈরী করেছেন।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

পথ মওলানা ভাসানীর মানববন্ধন: সরকার বাজার নিয়ন্ত্রনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ

প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২

বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও ভিন্নমতের নাগরিকদের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়ে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করা যায় না ইতিহাস তা বার বার প্রমান করেছে। সরকার পরিচালনায় ব্যার্থ সরকার আজ বিরোধী দলের উপর নির্যাতন চালাতে স্বক্ষম হলেও বাজার নিয়ন্ত্রনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।

মঙ্গলবার (৩১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “বিরোধী দলের উপর সরকারী দলের নির্যাতন ও দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির প্রতিবাদে” পথ মওলানা ভাসানী আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচীতে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন।

সংগঠনের সমন্বয়কারী ও সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন-অর-রশীদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, ডিএল সাধারন সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, ফরওয়ার্ড পার্টির সদস্য সচিব মাহাবুবুল আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পাার্টির সাধারন সম্পাদক এ এ এম ফায়েজ হোসেন, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মজুমদার, এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, এনডিএম সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন নুরুজ্জামান হীরা, জাতীয় নারী আন্দোলনের সভাপতি মিতা রহমান, বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি শফিকুল আলম শাহীন, নারী নেত্রী এলিজা খাতুন প্রমুখ।

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, সরকার ইতোমধ্যেই বিদ্যুৎ খাতকে লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে। নিজেদের পোষ্য লোকদের সুবিধা দেওয়ার জন্য বারবার মেয়াদ বাড়িয়ে কুইক রেন্টাল কোম্পানিগুলোকে বসিয়ে রেখে ক্যাপাসিটি চার্জ দিচ্ছে। এই অব্যাহত লুটপাটের টাকা জোগান দিতেই উপর্যুপরি বিদূতের মুল্যবৃদ্ধি করছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতার তুলনায় ভীষণ ব্যয়বহুল বিদ্যুত উৎপাদন সাধারণ মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস তুলছে।

তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবৈধ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়াসহ মজুতদার-মুনাফাখোর ও মধ্যস্বত্বভোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ‘উৎপাদক সমবায় ও ক্রেতা সমবায় ব্যবস্থা’ গড়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিত্যপণ্যের স্টক গড়ে তুলতে হবে। স্বল্প আয়ের মানুষকে সারাদেশে পর্যাপ্ত ন্যায্যমূল্যের দোকান ও রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। টিসিবির গাড়ির সংখ্যা বাড়াতে হবে। অতি দরিদ্রদের নগদ সহায়তা দিতে হবে।

তিনি বিদ্যুতে মুল্যবৃদ্ধির গুবিরোধী তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তেরর বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ হারুন-অর-রশীদ বলেন, দ্রব্যমূল্য এখন মধ্যবিত্তের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। ঈদের আগে সরকার অনেক নাটক করেছে। সরকার ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেছে। অথচ এ কথা দিবালোকের মত স্পষ্ট এসব সিন্ডিকেট সরকারী দলের নেতারাই তৈরী করেছেন।