
বহুল কাঙ্খিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে উচ্ছাসিত মোংলা বন্দর।এই পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে সরাসরি ২১ টি জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নের দ্বার খুললো।এই ২১ টি জেলার মধ্যে অর্থনৈতিক ভাবে সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে মোংলা বন্দরে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপসচিব মাকরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিঙ্গপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়,স্বপ্নের পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় রবিবার (২৬ জুন)মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ এক বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালীর আয়োজন করে।র্যালীটি মোংলা বন্দরের প্রধান ফটক হতে শুরু করে বন্দরের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন শেষে স্বাধিনতা চত্বরের কাছে এসে শেষে হয়।র্যালীতে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ গ্রহণ করেন।র্যালী শেষে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার বলেন, “পদ্মা সেতু চালু হওয়ার কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যে প্রতিষ্ঠানটি সবচেয়ে বেশি লাভবান হলো তা হচ্ছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।এর ফলে খুব দ্রুতই কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং অনেক বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করি।এজন্য বন্দরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যেতে হবে।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ’র মোঃ ইমতিয়াজ হোসেন,সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন),মোঃ শাহীনুর আলম, পরিচালক (প্রশাসন),বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধানগন ও বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।
মারুফ বাবু, মোংলা (বাগেরহাট) 







































