
যশোরে প্রকাশ্যে জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি বদিউজ্জামান ধনিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। ধনি চোপদারপাড়া মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে।
আজ মঙ্গলবার (১২ জুলাই) বেলা ১২ টার দিকে নাজির শংকরপুরের আকবরের মোড়ে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। ধনি যুবলীগ কর্মী ইয়াসিন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। ওই মামলায় কয়েকদিন আগে তিনি জেল থেকে বের হয়েছেন।
নিহত ধনীর ভাই মনি জানান, ধনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন। এমন সময় অজ্ঞাত ৮/১০ জন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধনির উপর আতর্কিত হামলা চালায়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
একটি সূত্র জানায়, নিহত ইয়াসিনের এক নিকট আত্মীয়ের নেতৃত্বে তার উপর হামলা চালানো হয়েছে। ওই আত্মীয়ের বাবার সাথে ধনির ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব চলছিলো। এর জেরেই হত্যা করা হতে পারে তাকে।
এদিকে ধনির মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে ছুটে যান খুলনা বিভাগীয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ জেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ। তারা দ্রুত হত্যার সাথে জড়িতদের আটকের দাবি জানান।
এ বিষয়ে জেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ , এঘটনায় কারা জড়িত তা কারো অজানা নয়। তিনি জড়িতদের আটকে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এব্যাপারে জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও ডিবির অফিসার ইনচার্জ রুপণ কুমার সরকার জানান, খবর শুনে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। জড়িতদের আটকের চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন জানান, হত্যার মিশনে থাকাদের পরিচয় জানা গেছে তাদের আটকের অভিযান চলছে। তারা ধরা পড়লেই ধ্বনি হত্যার প্রকৃত কারন জানা যাবে।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি ) তাজুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, পুলিশ জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের জন্য অভিযান শুরু করেছে।
এব্যাপারে র্যাব-৬ যশোরের কোম্পানী কমান্ডার নাজিউর রহমান জানান, তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। র্যাবের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য নিহত ধ্বনি ওই এলাকার ইয়াসিন হত্যা মামলার আসামী ছিলেন। পুলিশের ধারনা এই হত্যাকান্ডের জের ধরেই ধনি হত্যাকান্ড হতে পারে…।
যশোর প্রতিনিধি 





































