
অমাবস্যার তিথির প্রভাবে জোয়ারের পানিতে দিনে এবং রাতে দুইবার ডুবছে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ পৌর শহর। পৌর বাজার এবং উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ১০টি গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে দুইবার। এতে ব্যাহত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য, দাফতরিক কার্যক্রম। স্থবির হয়ে গেছে স্বাভাবিক চলাচল। অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে পানগুছি নদীর পশ্চিম পাড়ের ৬টি
ইউনিয়নের ১০টি গ্রাম বৃহষ্পতিবার (১৪ জুলাই) ডুবে যায়। ভেসে যায় শত শত পুকুরের মাছ। পৌর বাজারে জমে যায় হাঁটু
পানি। পানিবন্ধি হয়ে পড়ে বারইখালী, সরালিয়া গ্রামের অনেক পরিবার। এদিকে কালাচাঁন দরগাহ এলাকার বারইখালী ১নং ওয়ার্ড প্লাবিত হয়। তলিয়ে যায় বারইখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পূর্ব পাশের এলাকার শত শত বাড়ি।

সরেজমিনের ঘুরে দেখা যায়, খলিফা পট্টি, পাদুকা পট্টি, মেইন রোড, কলেজ রোড, এসিলাহা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, কুঠি
বাড়ি এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়। স্কুল ছুটির পর প্রাথমিক ও একাডেমির শিক্ষার্থীদের হাঁটু পানি ভেঙে
প্রায় এক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। এদিকে প্রবল জোয়ারের চাপে জনগুরুত্বপূর্ন মোড়েলগঞ্জ ফেরীঘাটের পূর্বপারের পন্টুন ও গ্যাংওয়ে তলিয়ে যাচ্ছে ফলে যানবাহন পারাপার ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।।। এই বিষয়ে লেপ তোষক ব্যাবসায়ী জাহাঙ্গীর আলী বলেন বাজার পানিতে ভরে গেছে, দোকানপাট খোলা যাচ্ছেনা,লেপ তোষকের কাজও করতে পারছি না মুদি ও পান ব্যবসায়ী শহীদুল জানান জোয়ারের পানি উঠলে আমরা তলায়ে যাই এ বিষয়ে মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যাতে একটা বেড়ীবাঁধের ব্যবস্থা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা সীতা রানী জানান প্রতিবছর আমাদের বাড়ীঘর তলায়ে যায় আমরা এই অবস্হা থেকে মুক্তি পেতে কর্তৃপক্ষের সাহায্য চাই।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান তালুকদার এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
পানি উন্নয়নবোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাসুম বিল্লাহ জানান এই সমস্যা সমাধানে এখানে আপাততঃ কোনো প্রকল্পের ফান্ড নেই, তবে এই সমস্যা সমাধানের জন্য একটি প্রকল্প প্রনয়নের কাজ এগিয়ে চলছে।আশাকরছি দ্রুত এর সমাধান সম্ভব হবে।
বাগেরহাট প্রতিনিধি 







































