
তাইওয়ানে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির ‘জঘন্য’ সফরের প্রতিবাদ জানাতে বেইজিংয়ে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকোলাস বার্নসকে তলব করেছে চীন। মঙ্গলবার (২ আগস্ট) রাতে তাকে তলব করা হয়।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার বরাতে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, রাষ্ট্রদূত নিকোলাস বার্নসের সঙ্গে আলাপকালে চীনা ভাইস পররাষ্ট্রমন্ত্রী জি ফেং গণতান্ত্রিক স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানে পেলোসির সফরের ‘জোর প্রতিবাদ’ জানিয়েছেন। তাইওয়ানকে বরাবরই নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে মনে করে বেইজিং।
জি ফেং বলেন, ‘পদক্ষেপটি (পেলোসির সফর) অত্যন্ত জঘন্য এবং এর পরিণতি হবে অত্যন্ত গুরুতর। এজন্য চীন চুপ করে বসে থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাইওয়ান চীনের এবং একসময় তার মাতৃভূমির সঙ্গে যুক্ত হবে। চীনা জনগণ কোনো চাপকে ভয় পায় না।’
তবে রাষ্ট্রদূত নিকোলাস বার্নসকে তলব করার বিষয়ে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটনের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
পেলোসির তাইওয়ান সফরকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে। চীনা সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। তারা তাইওয়ানকে ঘিরে যে কোনো সময় ‘সুনির্দিষ্ট সামরিক অভিযান’ শুরু করতে পারে বলে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
এদিকে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাইওয়ানের কাছেই যৌথ সামরিক মহড়া চালাবে তারা। সেই সঙ্গে তাইওয়ানের পূর্বে সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কথাও জানিয়েছে পিএলএ।
তবে চীন কোনো সংঘাতে জড়াবে না বলে মনে করছেন তাইওয়ানের বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, পেলোসির এ সফরের জবাবে চীনের প্রতিক্রিয়া স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি উভয়ই হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ানবিষয়ক গবেষক জেমস লি’র মতে, বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এখন সামরিক তৎপরতা বাড়ানো হতে পারে। মহড়াও চালাতে পারে। তবে তাইওয়ান বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়াবে না চীন।
ডেস্ক রিপোর্ট 







































