শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেধাবী ছোট্ট শিশু ফারহানের বাঁচার আকুতি

ছবি-সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) কর্মরত সেকশন অফিসার সুমন মিয়া রোহানের একমাত্র সন্তান পুরান ঢাকার প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ সেন্ট গ্রেগরী হাই স্কুল এন্ড কলেজের দ্বিতীয় শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী সুলাইমান আহম্মেদ ফারহান (বয়স ৮) অ্যাপ্লাইস্টিক অ্যামেনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত দুই মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
ফারহানের বোনম্যারো থেকে রক্ত উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। তাকে প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিন ব্যাগ প্লাটিলেট দিতে হচ্ছে যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
ফারহানের বাবা সুমন মিয়া বলেন, আমি আমার সর্বস্ব দিয়ে গত দুই মাস ধরে ছেলের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু গত সপ্তাহে ডাক্তার বললো যদি ছেলেকে বাঁচাতে চান তাহলে ওকে উন্নত চিকিৎসার (বোনম্যারো ট্রান্সফার) জন্য ভারতের বেলোরে সিএমসি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। সেখানে চিকিৎসার জন্য ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ্য টাকার প্রয়োজন। এত ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ আমার একার পক্ষে কোনভাবে চালানো সম্ভব নয়।
তাই সকলের কাছে আমার আকুতি এই থাকবে যে আপনারা আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য সকলেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন। আমার সাথে যোগাযোগ করতে হলে ০১৭১৬৩০৮৯০৯ এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। আর আর্থিক সহযোগিতার জন্য আমার এই এ্যাকাউন্টে সহযোগীতা পাঠাতে পারেন, বিকাশ – ০১৭১৬৩০৮৯০৯ (পারসোনাল), নগদ – ০১৬৭৬৬০৮৬০২ (পারসোনাল) এবং ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নং ১ : সুমন মিয়া, ব্যাংক হিসাব নং : ০২০০০০২৪৭৯৬৬৮ অগ্রণী ব্যাংক লি. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, ঢাকা ব্যাংক এ্যাকাউন্ট ২: সুমন মিয়া ( SUMON MIA), ব্যাংক হিসেব নং : ৩০৫-১৫৮-০০১৬৪৩২, ডাচ বাংলা ব্যাংক লি. ধোলাইখাল শাখা, ঢাকা।
জনপ্রিয়

প্রচারণার প্রথম দিনেই মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে উৎসবের আমেজ বইছে

মেধাবী ছোট্ট শিশু ফারহানের বাঁচার আকুতি

প্রকাশের সময় : ১২:১৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০২২
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) কর্মরত সেকশন অফিসার সুমন মিয়া রোহানের একমাত্র সন্তান পুরান ঢাকার প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ সেন্ট গ্রেগরী হাই স্কুল এন্ড কলেজের দ্বিতীয় শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী সুলাইমান আহম্মেদ ফারহান (বয়স ৮) অ্যাপ্লাইস্টিক অ্যামেনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত দুই মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
ফারহানের বোনম্যারো থেকে রক্ত উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। তাকে প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিন ব্যাগ প্লাটিলেট দিতে হচ্ছে যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
ফারহানের বাবা সুমন মিয়া বলেন, আমি আমার সর্বস্ব দিয়ে গত দুই মাস ধরে ছেলের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু গত সপ্তাহে ডাক্তার বললো যদি ছেলেকে বাঁচাতে চান তাহলে ওকে উন্নত চিকিৎসার (বোনম্যারো ট্রান্সফার) জন্য ভারতের বেলোরে সিএমসি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। সেখানে চিকিৎসার জন্য ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ্য টাকার প্রয়োজন। এত ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ আমার একার পক্ষে কোনভাবে চালানো সম্ভব নয়।
তাই সকলের কাছে আমার আকুতি এই থাকবে যে আপনারা আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য সকলেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন। আমার সাথে যোগাযোগ করতে হলে ০১৭১৬৩০৮৯০৯ এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। আর আর্থিক সহযোগিতার জন্য আমার এই এ্যাকাউন্টে সহযোগীতা পাঠাতে পারেন, বিকাশ – ০১৭১৬৩০৮৯০৯ (পারসোনাল), নগদ – ০১৬৭৬৬০৮৬০২ (পারসোনাল) এবং ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নং ১ : সুমন মিয়া, ব্যাংক হিসাব নং : ০২০০০০২৪৭৯৬৬৮ অগ্রণী ব্যাংক লি. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা, ঢাকা ব্যাংক এ্যাকাউন্ট ২: সুমন মিয়া ( SUMON MIA), ব্যাংক হিসেব নং : ৩০৫-১৫৮-০০১৬৪৩২, ডাচ বাংলা ব্যাংক লি. ধোলাইখাল শাখা, ঢাকা।