মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিশুরা কেন মিথ্যা বলে? আপনার করণীয়

ছবি -সংগৃহিত

শিশুদের বড় হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আচরণ অনেক পরিবর্তন হয়। এ সময় তাদের আচরণগত সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে স্কুলে ভর্তি হওয়ার সময় থেকে এই সমস্যা বাড়তে থাকে। কারণ আপনার শিশু হঠাৎ করে নতুন অনেক শিশুদের সঙ্গে মিশতে শুরু করে। শিশুদের আচরণগত যে সমস্যা হয় তা হলো মিথ্যা কথা বলা। কোনও কোনও সময় মা-বাবা এই স্বভাবকে অবহেলা করে গেলেও তা পরে বড়সড় আকার ধারণ করে। শুধু তাই-ই নয়, কথায় কথায় মিথ্যা বলার এই স্বভাব শিশুর জীবনেও নানা ক্ষতি করে, ছোট থেকেই তা রুখে না দিলে এই অভ্যাস খুব বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে।

শিশুরা কেন মিথ্যা বলে? আপনার করণীয়-

 

অতিরিক্ত শাসন

তাদের নিয়ে যে সমস্যাগুলো অভিভাবকরা মূলত সম্মুখীন হন, তার মধ্যে সন্তানের মিথ্যা বলাও পড়ে। মনোবিদদের মতে, ভয়ে মিথ্যা বলা দিয়েই এই অভ্যাস বাসা বাঁধে শিশুদের স্বভাবে।

শিশুদের সামনে মিথ্যা এড়িয়ে চলুন

বাবা-মা অনেক সময় শিশুদের কাছে কথা লুকাতে মিথ্যা আশ্রয় নিয়ে থাকে। কিন্তু তা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই বাঞ্ছনীয়। শিশুদের সামনে যতটা সম্ভব মিথ্যা এড়িয়ে চলুন। তারা কিন্তু অভিভাবকদের থেকেই সবচেয়ে বেশি শেখে। তাই পারিবারিক নানা কারণে অতিকথন, মিথ্যা এড়িয়ে চলুন।

গল্পের ছলে 

শিশুকে প্রথম থেকেই গল্পের ছলে মনীষীদের জীবনী, ঈশপের নানা গল্প, নীতিকথা শেখান। বড় মানুষরা কেউ মিথ্যা পছন্দ করতে না অথবা মিথ্যা বিষয়টা খুব একটা গ্রহণীয় নয় সেই ধারণা মনের মধ্যে প্রবেশ করান।

মিথ্যা বলা কতটা খারাপ কিংবা আপনাদের বাড়ির সব সদস্য এই মিথ্যা বলাকে কতটা ঘৃণা করেন সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিন।

শিশুদের বন্ধু

স্কুল থেকে ফিরলে বা কোনও বন্ধুর সঙ্গে মিশলে, লক্ষ রাখুন তার চারপাশের বন্ধুরা কেমন। তাদের মধ্যে কারও মিথ্যা বলার প্রবণতা থাকলে তা যেন আপনার শিশুকে প্রভাবিত করতে না পারে, সে বিষয়ে যত্নবান হোন।

মিথ্যার আশ্রয়

কোনও কারণে আপনার শিশু কি নিজের ওপর আস্থা হারাচ্ছে বা অবহেলিত হচ্ছে কোথাও, সে দিকে নজর রাখুন। এসব কারণ ঘটলেও শিশুরা মিথ্যার আশ্রয় নেয়।

 

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

শিশুরা কেন মিথ্যা বলে? আপনার করণীয়

প্রকাশের সময় : ১২:১৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

শিশুদের বড় হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আচরণ অনেক পরিবর্তন হয়। এ সময় তাদের আচরণগত সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে স্কুলে ভর্তি হওয়ার সময় থেকে এই সমস্যা বাড়তে থাকে। কারণ আপনার শিশু হঠাৎ করে নতুন অনেক শিশুদের সঙ্গে মিশতে শুরু করে। শিশুদের আচরণগত যে সমস্যা হয় তা হলো মিথ্যা কথা বলা। কোনও কোনও সময় মা-বাবা এই স্বভাবকে অবহেলা করে গেলেও তা পরে বড়সড় আকার ধারণ করে। শুধু তাই-ই নয়, কথায় কথায় মিথ্যা বলার এই স্বভাব শিশুর জীবনেও নানা ক্ষতি করে, ছোট থেকেই তা রুখে না দিলে এই অভ্যাস খুব বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে।

শিশুরা কেন মিথ্যা বলে? আপনার করণীয়-

 

অতিরিক্ত শাসন

তাদের নিয়ে যে সমস্যাগুলো অভিভাবকরা মূলত সম্মুখীন হন, তার মধ্যে সন্তানের মিথ্যা বলাও পড়ে। মনোবিদদের মতে, ভয়ে মিথ্যা বলা দিয়েই এই অভ্যাস বাসা বাঁধে শিশুদের স্বভাবে।

শিশুদের সামনে মিথ্যা এড়িয়ে চলুন

বাবা-মা অনেক সময় শিশুদের কাছে কথা লুকাতে মিথ্যা আশ্রয় নিয়ে থাকে। কিন্তু তা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই বাঞ্ছনীয়। শিশুদের সামনে যতটা সম্ভব মিথ্যা এড়িয়ে চলুন। তারা কিন্তু অভিভাবকদের থেকেই সবচেয়ে বেশি শেখে। তাই পারিবারিক নানা কারণে অতিকথন, মিথ্যা এড়িয়ে চলুন।

গল্পের ছলে 

শিশুকে প্রথম থেকেই গল্পের ছলে মনীষীদের জীবনী, ঈশপের নানা গল্প, নীতিকথা শেখান। বড় মানুষরা কেউ মিথ্যা পছন্দ করতে না অথবা মিথ্যা বিষয়টা খুব একটা গ্রহণীয় নয় সেই ধারণা মনের মধ্যে প্রবেশ করান।

মিথ্যা বলা কতটা খারাপ কিংবা আপনাদের বাড়ির সব সদস্য এই মিথ্যা বলাকে কতটা ঘৃণা করেন সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিন।

শিশুদের বন্ধু

স্কুল থেকে ফিরলে বা কোনও বন্ধুর সঙ্গে মিশলে, লক্ষ রাখুন তার চারপাশের বন্ধুরা কেমন। তাদের মধ্যে কারও মিথ্যা বলার প্রবণতা থাকলে তা যেন আপনার শিশুকে প্রভাবিত করতে না পারে, সে বিষয়ে যত্নবান হোন।

মিথ্যার আশ্রয়

কোনও কারণে আপনার শিশু কি নিজের ওপর আস্থা হারাচ্ছে বা অবহেলিত হচ্ছে কোথাও, সে দিকে নজর রাখুন। এসব কারণ ঘটলেও শিশুরা মিথ্যার আশ্রয় নেয়।