শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উল্লাপাড়ায় খাদ্য বান্ধবে ডাটাবেজ হয়নি ৬ হাজার ৪৫৪ জনের

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর ভেরিফাইড ডিজিটাল ডাটাবেজ প্রণয়ন কার্যক্রমে আজ রবিবার অবধি ৬ হাজার ৪৫৪ জন ভোক্তার নিবন্ধন হয়নি৷ এর মধ্যে উধুনিয়া ইউনিয়নে সবচেয়ে কম সংখ্যক ৬ শ ৬৪ জন ভোক্তার ডাটাবেজ হয়েছে৷ এদিকে ১৫ টাকা কেজি দরের চাউলের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর ডিলারগণ তাদের বরাদ্দের মোট চাউল উত্তোলন এবং ডাটাবেজ হওয়া ভোক্তাদের মাঝে চাউল বিক্রি করছেন৷ ডাটাবেজ না হওয়া ভোক্তাদের চাউল গুদামে নিজ হেফাজতে রাখতে হবে এমন কথা বলা হচ্ছে বলে জানা গেছে ৷
উপজেলা খাদ্য অফিস সুত্রে , উপজেলার মোট ১৪ টি ইউনিয়নের ১৫ টাকা কেজি দরের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর উপকারভোগী ভোক্তার সংখ্যা ২৪ হাজার ৪৮৯ জন৷ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে উপকারভোগীদের ডিজিটাল ডাটাবেজ প্রণয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে৷ প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের ইউডিসিগণ এ ডাটাবেজ করছেন৷
আজ ২৫ সেপ্টেম্বর রবিবার অবধি ১৪ টি ইউনিয়নে ২৪ হাজার ৪৮৯ জনের মধ্যে ডাটাবেজ হওয়া ভোক্তার সংখ্যা ১৮ হাজার ৩৫ জন৷ উধুনিয়া ইউনিয়নে মোট ১ হাজার ৬৩০ জন ভোক্তার মধ্যে ৬ শ ৬৪ জনের ডাটাবেজ হয়েছে৷ উধুনিয়া ইউনিয়নের ইউডিসি মোঃ হাফিজ জানান তিনি ভোক্তা আসলেই ডাটাবেজ করে দিচ্ছেন৷ উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের মোট ১৭ শ ভোক্তার মধ্যে ১ হাজার ৩৯৬ জনের ডাটাবেজ হয়েছে৷ সদর উল্লাপাড়া ইউনিয়নে ১ হাজার ২৪৬ জন, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নে ১ হাজার ৫২০ জন, বাঙ্গালায় ১ হাজার ৯৭ জন,বড় পাঙ্গাসীতে ১ হাজার ১৭৩ জন, দূর্গানগরে ১ হাজার ৪৪৮ জন, পূর্ণিমাগাঁতীতে ১ হাজার ৩১৯ জন, হাটিকুমরুলে ১ হাজার ৪৫৬ জন, বড়হরে ১ হাজার ৫৭৫ জন, পঞ্চক্রোশীতে ১ হাজার ৩৫৪ জন, সলপে ১ হাজার ২৫৪ জন, মোহনপুরে ১ হাজার ১৯৩ জন ও কয়ড়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৩৩০ জনের ডাটাবেজ হয়েছে৷
এদিকে উল্লাপাড়া উপজেলায় খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর মোট ডিলার সংখ্যা ৪৬ জন৷ জানা গেছে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের বরাদ্দের চাউল ডিলারগণ উত্তোলন এবং খাদ্য অফিস থেকে ডাটাবেজ হওয়া তালিকাভুক্ত ভোক্তাদের মাঝে চাউল বিক্রি করছেন৷ একাধিক ডিলারের বক্তব্যে তারা বরাদ্দের মোট চাউল উত্তোলন করে এলাকায় বিক্রি পয়েন্টে নিয়েছেন৷ সব ভোক্তার ডাটাবেজ হওয়া দেরীতে ( ডাটাবেজ না হওয়া ভোক্তাদের ) চাউল গুদামে থাকছে৷
উপজেলার উধুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম বলেন তার ইউনিয়নে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর উপকারভোগী ভোক্তারদের বেশী জনের নাম ঠিকানা ভুল , একই পরিবারে একাধিক জন ও ধনী ব্যক্তি রয়েছেন৷ তিনি এসব চিহ্নিত করে প্রায় নয়শোজন ভোক্তার সঠিক নাম প্রতিস্থাপন করবেন বলে জানান ৷ আগামী এক দুদিনের মধ্যে এ তালিকা অনুমোদনের জন্য উপজেলা খাদ্য বিভাগে জমা দেবেন ৷
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ শফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর উপকারভোগী ভোক্তারদের ডাটাবেজ দ্রুত শেষ করতে তিনি নিজে ছাড়াও তার বিভাগ থেকে ইউডিসিদের বলা হচ্ছে৷ এছাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবদেরকে নিজ নিজ ইউনিয়নের ভোক্তাদের ডাটাবেজ করা দ্রুত শেষ করে আনতে সব সময় যোগাযোগ করা হচ্ছে৷

বার্তা/এন

জনপ্রিয়

কলারোয়ায় বাস-নছিমন সংঘর্ষে নিহত ১

উল্লাপাড়ায় খাদ্য বান্ধবে ডাটাবেজ হয়নি ৬ হাজার ৪৫৪ জনের

প্রকাশের সময় : ০৬:০০:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর ভেরিফাইড ডিজিটাল ডাটাবেজ প্রণয়ন কার্যক্রমে আজ রবিবার অবধি ৬ হাজার ৪৫৪ জন ভোক্তার নিবন্ধন হয়নি৷ এর মধ্যে উধুনিয়া ইউনিয়নে সবচেয়ে কম সংখ্যক ৬ শ ৬৪ জন ভোক্তার ডাটাবেজ হয়েছে৷ এদিকে ১৫ টাকা কেজি দরের চাউলের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর ডিলারগণ তাদের বরাদ্দের মোট চাউল উত্তোলন এবং ডাটাবেজ হওয়া ভোক্তাদের মাঝে চাউল বিক্রি করছেন৷ ডাটাবেজ না হওয়া ভোক্তাদের চাউল গুদামে নিজ হেফাজতে রাখতে হবে এমন কথা বলা হচ্ছে বলে জানা গেছে ৷
উপজেলা খাদ্য অফিস সুত্রে , উপজেলার মোট ১৪ টি ইউনিয়নের ১৫ টাকা কেজি দরের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর উপকারভোগী ভোক্তার সংখ্যা ২৪ হাজার ৪৮৯ জন৷ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে উপকারভোগীদের ডিজিটাল ডাটাবেজ প্রণয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে৷ প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের ইউডিসিগণ এ ডাটাবেজ করছেন৷
আজ ২৫ সেপ্টেম্বর রবিবার অবধি ১৪ টি ইউনিয়নে ২৪ হাজার ৪৮৯ জনের মধ্যে ডাটাবেজ হওয়া ভোক্তার সংখ্যা ১৮ হাজার ৩৫ জন৷ উধুনিয়া ইউনিয়নে মোট ১ হাজার ৬৩০ জন ভোক্তার মধ্যে ৬ শ ৬৪ জনের ডাটাবেজ হয়েছে৷ উধুনিয়া ইউনিয়নের ইউডিসি মোঃ হাফিজ জানান তিনি ভোক্তা আসলেই ডাটাবেজ করে দিচ্ছেন৷ উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের মোট ১৭ শ ভোক্তার মধ্যে ১ হাজার ৩৯৬ জনের ডাটাবেজ হয়েছে৷ সদর উল্লাপাড়া ইউনিয়নে ১ হাজার ২৪৬ জন, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নে ১ হাজার ৫২০ জন, বাঙ্গালায় ১ হাজার ৯৭ জন,বড় পাঙ্গাসীতে ১ হাজার ১৭৩ জন, দূর্গানগরে ১ হাজার ৪৪৮ জন, পূর্ণিমাগাঁতীতে ১ হাজার ৩১৯ জন, হাটিকুমরুলে ১ হাজার ৪৫৬ জন, বড়হরে ১ হাজার ৫৭৫ জন, পঞ্চক্রোশীতে ১ হাজার ৩৫৪ জন, সলপে ১ হাজার ২৫৪ জন, মোহনপুরে ১ হাজার ১৯৩ জন ও কয়ড়া ইউনিয়নে ১ হাজার ৩৩০ জনের ডাটাবেজ হয়েছে৷
এদিকে উল্লাপাড়া উপজেলায় খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর মোট ডিলার সংখ্যা ৪৬ জন৷ জানা গেছে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের বরাদ্দের চাউল ডিলারগণ উত্তোলন এবং খাদ্য অফিস থেকে ডাটাবেজ হওয়া তালিকাভুক্ত ভোক্তাদের মাঝে চাউল বিক্রি করছেন৷ একাধিক ডিলারের বক্তব্যে তারা বরাদ্দের মোট চাউল উত্তোলন করে এলাকায় বিক্রি পয়েন্টে নিয়েছেন৷ সব ভোক্তার ডাটাবেজ হওয়া দেরীতে ( ডাটাবেজ না হওয়া ভোক্তাদের ) চাউল গুদামে থাকছে৷
উপজেলার উধুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম বলেন তার ইউনিয়নে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর উপকারভোগী ভোক্তারদের বেশী জনের নাম ঠিকানা ভুল , একই পরিবারে একাধিক জন ও ধনী ব্যক্তি রয়েছেন৷ তিনি এসব চিহ্নিত করে প্রায় নয়শোজন ভোক্তার সঠিক নাম প্রতিস্থাপন করবেন বলে জানান ৷ আগামী এক দুদিনের মধ্যে এ তালিকা অনুমোদনের জন্য উপজেলা খাদ্য বিভাগে জমা দেবেন ৷
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ শফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর উপকারভোগী ভোক্তারদের ডাটাবেজ দ্রুত শেষ করতে তিনি নিজে ছাড়াও তার বিভাগ থেকে ইউডিসিদের বলা হচ্ছে৷ এছাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবদেরকে নিজ নিজ ইউনিয়নের ভোক্তাদের ডাটাবেজ করা দ্রুত শেষ করে আনতে সব সময় যোগাযোগ করা হচ্ছে৷

বার্তা/এন