
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বাসাবাড়ি জোলার ব্রীজটি বেয়ে পায়ে হেটে ছাড়া চলাচল করা যায় না। ব্রীজটি নির্মাণের প্রায় আট বছর চলছে। অনেক বছর আগে থেকে ব্রীজের দুপাশে মাটি নেই৷ সড়ক ব্রীজ থেকে বেশ নীচু। এ কারণে বাহন নিয়ে চলাচল করা যায় না। বাহন নিয়ে চলতে ঘুরে যেতে হয় প্রায় ছয় কিলোমিটার।
উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের নাইমুড়ি – পুরানবেড়া সড়কের বাসাবাড়ি জোলায় প্রায় আট বছর আগে বড় ধরণের একটি ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সলঙ্গা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মোক্তার হোসেন বলেন তার মেয়াদের ২০১৪ সালে পিআইও অফিস থেকে ঠিকাদারের মাধ্যমে ব্রীজটি নির্মাণ হয়েছে। তবে এর পেছনে ব্যয়ের টাকার পরিমাণ তার জানা নেই।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা ও জানা গেছে নাইমুড়ি থেকে পুরানবেড়া গ্রাম অবধি প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ কাচা সড়কটি বেশ নীচু। এ সড়ক পথে নির্মিত ব্রীজটির দুপাশে মাটি কম থাকায় কোনো বাহন নিয়ে চলাচল করা যায় না। ব্রীজটি হয়ে পায়ে হেটেই চলাচল করতে হয়। কোনো বাহন নিয়ে চলতে প্রায় ছয় কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়।
সলঙ্গা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য ( মেন্বর ) শরীফুল ইসলাম জানান ব্রীজটির দুপাশে মাটি ফেলা হলে দুগ্রামের মধ্যে কম সময়ে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।যে কোনো বাহন নিয়ে চলাচল করা যাবে। এছাড়া সড়কটি মাটি ফেলে উচু করার দরকার রয়েছে।
সলঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান তালুকদার বলেন ব্রীজটির দুপাশে মাটি ফেলা ও সড়ক উচু করতে একটি প্রকল্প করে উপজেলার সংশ্লিষ্ট বিভাগে জমা দেবেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ প্রতিবেদকের কাছে ব্রীজটির দুপাশে মাটি না থাকার বিষয় জেনে ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান তালুকদারকে আপাতত মাটি ফেলার বিষয় জানান। তিনি আরো বলেন প্রকল্পের মাধ্যমে পুরো সড়ক উন্নয়ন করা হবে।
বার্তাকণ্ঠ/এন
সাহারুল হক সাচ্চু, উল্লাপাড়া ( সিরাজগঞ্জ ) 







































