রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভুয়া স্বর্ণের বার বিক্রির অভিযোগে ৫ প্রতারক গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন যাবৎ ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায় মানুষের সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে স্বর্ণাকৃতির পিতলের বার দেখিয়ে আসল স্বর্ণের বার বলে বিক্রি করে সাধারণ মানুষের নগদ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলো একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ নভেম্বর ২০২২ তারিখে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ গোপন সংবাদ পেয়ে , দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার জিনজিরা থানা রোড মালোপাড়ার কায়কোবাদের বাড়ীতে অভিযান চালায় থানা পুলিশ।

অভিযান পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কেরানীগঞ্জ সার্কেল  মোঃ শাহাবুদ্দিন কবীর, বিপিএম। এ সময় সাথে ছিলেন এসআই  নাজমুস সাকিব সহ দক্ষিনকেরানীগঞ্জ থানার একটি চৌকস আভিযানিক দল। গত ২ নভেম্বর ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে প্রতারক চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ সদস্যরা।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা (বর্তমান-জিনজিরা থানা রোড মালোপাড়া (কায়কোবাদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া) বাবুল খানের ছেলে টিটু খান (৩২), একই জেলার সদর উপজেলার (বর্তমান সাং- জিনজিরা খানা রোড মালোপাড়া (কায়কোবাদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া) মৃত-্ ইছাক গাজীর ছেলে হাবিবুর রহমান (৪২), বরগুনা জেলার বেতাগী থানার কালীবাড়ী গ্রামের বর্তমানে সাং- জিনজিরা খাদ্য রোড মালোপাড়া (কায়কোবাদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া) আবুল হোসেনের ছেলে আবজাল হোসেন(৪১), ময়মনসিংহ জেলার চরাজা আনান ফুলপুর গ্রামের বর্তমান সাং- জিনজিরা থানা রোড (মালোপাড়া কায়কোবাদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া) আঃ মন্নানের ছেলে সজিব(২২) ও পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার বর্তমান সাং-জিনজিরা থানা রোড মালোপাড়া (কায়কোবাদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া) বাবুল খানের ছেলে মোঃ সবুজ খান(২৩)।

পুলিশ জানায়,  তাদের কাছ থেকে স্বর্ণের বার আকৃতির ০৩টি পিতলের বার উদ্ধার করে। যার গায়ে ২২K লেখা আছে। স্বর্ণের বার আকৃতির ০২টি পিতলের বারসহ মোট ৫টি নকল স্বর্ণের বার (পিতলের তৈরী) এবং প্রতারণার উদ্দেশ্যে প্রত্যেকটি বারের সাথে শ্রী জুয়েলার্স লেখা কাগজে চিরকুট উদ্ধার করে। প্রতারনার কাজে লেখা চিরকুটে লেখাছিল, “শ্রী রিপন বাবু, স্বর্ণকার পত্রে আমার প্রোনাম নিবেন। আশাকরি ভগমানের কৃপায় ভালো আছেন। পর সমাচার এই যে, আমি বিশেষ কাজে না আশিতে পেরে আমার বড় মেয়ের হাতে ২২ ক্যারেট তিন ভরি মান স্বর্ণ পাঠিয়ে দিলাম। এটি দিয়ে দুই জোড়া লকেট সহ চেইন মালা ও এক জোড়া হাতের রুলি বানিয়ে রাখবেন। পরের সাক্ষাতে কথা হবে। ইতি আপনার বন্ধু তপন বাবু” । একটি পিতলের দন্ড যাহার দৈর্ঘ্য ৯ ইঞ্চি।

তাদের কাছ থেকে শ্রী জুয়েলার্স লেখা ২০টি ছাপা কাগজ  উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে। যার নং-১৩ ।

জনপ্রিয়

শহরকে সুন্দর রাখতে খালের পাড়ে ও যত্রতত্র ময়লা না ফেলার আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের

ভুয়া স্বর্ণের বার বিক্রির অভিযোগে ৫ প্রতারক গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ১১:২১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ নভেম্বর ২০২২

দীর্ঘদিন যাবৎ ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায় মানুষের সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে স্বর্ণাকৃতির পিতলের বার দেখিয়ে আসল স্বর্ণের বার বলে বিক্রি করে সাধারণ মানুষের নগদ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলো একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ নভেম্বর ২০২২ তারিখে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ গোপন সংবাদ পেয়ে , দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার জিনজিরা থানা রোড মালোপাড়ার কায়কোবাদের বাড়ীতে অভিযান চালায় থানা পুলিশ।

অভিযান পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, কেরানীগঞ্জ সার্কেল  মোঃ শাহাবুদ্দিন কবীর, বিপিএম। এ সময় সাথে ছিলেন এসআই  নাজমুস সাকিব সহ দক্ষিনকেরানীগঞ্জ থানার একটি চৌকস আভিযানিক দল। গত ২ নভেম্বর ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে প্রতারক চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ সদস্যরা।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা (বর্তমান-জিনজিরা থানা রোড মালোপাড়া (কায়কোবাদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া) বাবুল খানের ছেলে টিটু খান (৩২), একই জেলার সদর উপজেলার (বর্তমান সাং- জিনজিরা খানা রোড মালোপাড়া (কায়কোবাদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া) মৃত-্ ইছাক গাজীর ছেলে হাবিবুর রহমান (৪২), বরগুনা জেলার বেতাগী থানার কালীবাড়ী গ্রামের বর্তমানে সাং- জিনজিরা খাদ্য রোড মালোপাড়া (কায়কোবাদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া) আবুল হোসেনের ছেলে আবজাল হোসেন(৪১), ময়মনসিংহ জেলার চরাজা আনান ফুলপুর গ্রামের বর্তমান সাং- জিনজিরা থানা রোড (মালোপাড়া কায়কোবাদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া) আঃ মন্নানের ছেলে সজিব(২২) ও পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার বর্তমান সাং-জিনজিরা থানা রোড মালোপাড়া (কায়কোবাদের বাড়ীর ভাড়াটিয়া) বাবুল খানের ছেলে মোঃ সবুজ খান(২৩)।

পুলিশ জানায়,  তাদের কাছ থেকে স্বর্ণের বার আকৃতির ০৩টি পিতলের বার উদ্ধার করে। যার গায়ে ২২K লেখা আছে। স্বর্ণের বার আকৃতির ০২টি পিতলের বারসহ মোট ৫টি নকল স্বর্ণের বার (পিতলের তৈরী) এবং প্রতারণার উদ্দেশ্যে প্রত্যেকটি বারের সাথে শ্রী জুয়েলার্স লেখা কাগজে চিরকুট উদ্ধার করে। প্রতারনার কাজে লেখা চিরকুটে লেখাছিল, “শ্রী রিপন বাবু, স্বর্ণকার পত্রে আমার প্রোনাম নিবেন। আশাকরি ভগমানের কৃপায় ভালো আছেন। পর সমাচার এই যে, আমি বিশেষ কাজে না আশিতে পেরে আমার বড় মেয়ের হাতে ২২ ক্যারেট তিন ভরি মান স্বর্ণ পাঠিয়ে দিলাম। এটি দিয়ে দুই জোড়া লকেট সহ চেইন মালা ও এক জোড়া হাতের রুলি বানিয়ে রাখবেন। পরের সাক্ষাতে কথা হবে। ইতি আপনার বন্ধু তপন বাবু” । একটি পিতলের দন্ড যাহার দৈর্ঘ্য ৯ ইঞ্চি।

তাদের কাছ থেকে শ্রী জুয়েলার্স লেখা ২০টি ছাপা কাগজ  উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে। যার নং-১৩ ।