বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যৌন নিপীড়ন মামলায় সংগীত শিক্ষককে ৮ বছরের কারাদণ্ড

ছবিঃ সংগৃহীত

রাঙামাটির আসামবস্তি এলাকায় সংগীত শিক্ষার সুযোগে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের মামলায় শিক্ষক রণজিত পাটোয়ারীকে আট বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছের আদালত।

বৃহস্পতিবার (১ ‍ডিসেম্বর) দুপুরে রাঙামাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ ই এম ইসমাইল হোসেন এ রায় দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ থেকে ভিকটিম আসামির ভাড়া বাসায় গান শিখতে গেলে প্রায় এক বছর বিভিন্ন অজুহাতে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেন ওই শিক্ষক। পরে ২০২১ সালের ১০ মার্চ সকালে ভিকটিমের সঙ্গে অশালীন আচরণ করলে পুরো ঘটনা স্থানীয়দের জানানোর পাশাপাশি ওই দিনই রাঙামাটির কোতোয়ালি থানায় মামলা করে পরিবার। রাতেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

আদালতে শুনানি শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ১০ ধারায় আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দু-বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) সাইফুল ইসলাম অভি বলেন, ‘একজন গৃহশিক্ষকের কাছে যদি তার ছাত্রী নিরাপদ না থাকে, তাহলে বাবা-মা কোন ভরসায়, কীভাবে তাদের কাছে পড়ানোর জন্য দেবে। এই রায়ে আমরা খুশি। এর ফলে সমাজে এমন অপরাধ কমে আসবে।’

জনপ্রিয়

ইতালি উপকূলে ভেসে আসছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৃতদেহ

যৌন নিপীড়ন মামলায় সংগীত শিক্ষককে ৮ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৫:১৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২

রাঙামাটির আসামবস্তি এলাকায় সংগীত শিক্ষার সুযোগে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের মামলায় শিক্ষক রণজিত পাটোয়ারীকে আট বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছের আদালত।

বৃহস্পতিবার (১ ‍ডিসেম্বর) দুপুরে রাঙামাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ ই এম ইসমাইল হোসেন এ রায় দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ থেকে ভিকটিম আসামির ভাড়া বাসায় গান শিখতে গেলে প্রায় এক বছর বিভিন্ন অজুহাতে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেন ওই শিক্ষক। পরে ২০২১ সালের ১০ মার্চ সকালে ভিকটিমের সঙ্গে অশালীন আচরণ করলে পুরো ঘটনা স্থানীয়দের জানানোর পাশাপাশি ওই দিনই রাঙামাটির কোতোয়ালি থানায় মামলা করে পরিবার। রাতেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

আদালতে শুনানি শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ১০ ধারায় আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দু-বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) সাইফুল ইসলাম অভি বলেন, ‘একজন গৃহশিক্ষকের কাছে যদি তার ছাত্রী নিরাপদ না থাকে, তাহলে বাবা-মা কোন ভরসায়, কীভাবে তাদের কাছে পড়ানোর জন্য দেবে। এই রায়ে আমরা খুশি। এর ফলে সমাজে এমন অপরাধ কমে আসবে।’