মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীতে বাতের ব্যথায় অসহ্য কষ্ট? প্রতিদিন পাতে রাখুন এই ৭ সুপারফুড! হাতেনাতে ফলাফল পাবেন

ছবিঃ সংগৃহীত

বয়সের কারণে বা আর্থ্রাইটিস থাকলে গাঁটে গাঁটে ব্যথা হয়। শীতকালে ব্যথা বাড়ে। অস্বস্তি বাড়ে দ্বিগুণ। আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন কিছু ব্যায়াম, নির্ধারিত ওষুধ গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া উচিত। এতে কিছুটা আরাম মেলে। বাতের রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনও ডায়েট নেই। তবে বেশ কিছু খাবার রয়েছে যা হাড়কে শক্তিশালী করে এবং জয়েন্টের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে।

চর্বিযুক্ত মাছ: স্যামন এবং ম্যাকেরেলের মতো মাছ ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ। এর প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট জয়েন্টের ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের সাপ্লিমেন্টও জয়েন্টের ব্যথার তীব্রতা এবং বেদনাদায়ক জয়েন্টের সংখ্যা কমাতে সাহায্য করে।

রসুন: রসুন এবং পেঁয়াজের মতো শাকসবজিতে ডায়ালাইল ডিসালফাইড থাকে, যা একটি প্রদাহ-বিরোধী যৌগ। এটি প্রদাহের সঙ্গে লড়াই করতে, ব্যথা উপশম করতে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে।

আদা: নিয়মিত তাজা বা শুকনো আদা খেলে জয়েন্টের ব্যথা থেকে মুক্তি মেলে। আদার সঙ্গে মধু মিশিয়ে বা চায়ের সঙ্গে খাওয়া যায়। এক গ্লাস গরম জলে আদা মিশিয়ে খেলেও সমান কাজ দেয়। আদা শরীরে প্রদাহ বাড়ায় এমন পদার্থের উৎপাদনে বাধা দেয়।

বাদাম এবং বীজ: বাদাম এবং বীজ স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। বাদাম এবং বীজের ছোট অংশ যেমন আখরোট, বাদাম, শণের বীজ, চিয়া বীজ এবং পাইন বাদাম নিয়মিত খেলে জয়েন্টের প্রদাহ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ফল এবং বেরি: আপেল, ক্র্যানবেরি এবং অ্যাপ্রিকট জাতীয় ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এগুলি শরীর থেকে ক্ষতিকারক ফ্রি র‍্যডিকেলগুলি দূর করতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে অ্যান্থোসায়ানিন সমৃদ্ধ চেরি জয়েন্ট এবং পেশির ফোলাভাব কমাতে কার্যকরী ভূমিকা নেয়।

হাড়ের জুস: খাসি বা মুরগির হাড়ের ঝোল মানব শরীরের হাড়ের স্বাস্থ্য বাড়িয়ে তোলে। এটি গ্লুকোসামিন, কনড্রয়েটিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা হাড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। নিয়মিত গরম হাড়ের ঝোল পান করলে জয়েন্টের ব্যথা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

অলিভ অয়েল: অলিভ অয়েল স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ওমেগা ৩-এর সমৃদ্ধ উৎস। এতে ওলিওক্যানথাল রয়েছে যা প্রদাহ থেকে মুক্তি দিতে পারে। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অলিভ অয়েল অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যেমন ডিমের ঝোল, স্যালাডে ইত্যাদি।

(Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)

জনপ্রিয়

ইচ্ছামতো চাঁদাবাজি চলছে রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় সূর্য মেলায়

শীতে বাতের ব্যথায় অসহ্য কষ্ট? প্রতিদিন পাতে রাখুন এই ৭ সুপারফুড! হাতেনাতে ফলাফল পাবেন

প্রকাশের সময় : ০৯:০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২

বয়সের কারণে বা আর্থ্রাইটিস থাকলে গাঁটে গাঁটে ব্যথা হয়। শীতকালে ব্যথা বাড়ে। অস্বস্তি বাড়ে দ্বিগুণ। আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন কিছু ব্যায়াম, নির্ধারিত ওষুধ গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া উচিত। এতে কিছুটা আরাম মেলে। বাতের রোগীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনও ডায়েট নেই। তবে বেশ কিছু খাবার রয়েছে যা হাড়কে শক্তিশালী করে এবং জয়েন্টের ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে।

চর্বিযুক্ত মাছ: স্যামন এবং ম্যাকেরেলের মতো মাছ ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ। এর প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট জয়েন্টের ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে। একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের সাপ্লিমেন্টও জয়েন্টের ব্যথার তীব্রতা এবং বেদনাদায়ক জয়েন্টের সংখ্যা কমাতে সাহায্য করে।

রসুন: রসুন এবং পেঁয়াজের মতো শাকসবজিতে ডায়ালাইল ডিসালফাইড থাকে, যা একটি প্রদাহ-বিরোধী যৌগ। এটি প্রদাহের সঙ্গে লড়াই করতে, ব্যথা উপশম করতে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে।

আদা: নিয়মিত তাজা বা শুকনো আদা খেলে জয়েন্টের ব্যথা থেকে মুক্তি মেলে। আদার সঙ্গে মধু মিশিয়ে বা চায়ের সঙ্গে খাওয়া যায়। এক গ্লাস গরম জলে আদা মিশিয়ে খেলেও সমান কাজ দেয়। আদা শরীরে প্রদাহ বাড়ায় এমন পদার্থের উৎপাদনে বাধা দেয়।

বাদাম এবং বীজ: বাদাম এবং বীজ স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। বাদাম এবং বীজের ছোট অংশ যেমন আখরোট, বাদাম, শণের বীজ, চিয়া বীজ এবং পাইন বাদাম নিয়মিত খেলে জয়েন্টের প্রদাহ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ফল এবং বেরি: আপেল, ক্র্যানবেরি এবং অ্যাপ্রিকট জাতীয় ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এগুলি শরীর থেকে ক্ষতিকারক ফ্রি র‍্যডিকেলগুলি দূর করতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে অ্যান্থোসায়ানিন সমৃদ্ধ চেরি জয়েন্ট এবং পেশির ফোলাভাব কমাতে কার্যকরী ভূমিকা নেয়।

হাড়ের জুস: খাসি বা মুরগির হাড়ের ঝোল মানব শরীরের হাড়ের স্বাস্থ্য বাড়িয়ে তোলে। এটি গ্লুকোসামিন, কনড্রয়েটিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা হাড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। নিয়মিত গরম হাড়ের ঝোল পান করলে জয়েন্টের ব্যথা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

অলিভ অয়েল: অলিভ অয়েল স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ওমেগা ৩-এর সমৃদ্ধ উৎস। এতে ওলিওক্যানথাল রয়েছে যা প্রদাহ থেকে মুক্তি দিতে পারে। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অলিভ অয়েল অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যেমন ডিমের ঝোল, স্যালাডে ইত্যাদি।

(Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)