রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মায়ের বলে দেওয়া প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই রূপচর্চা করেন তমন্না!

সাউথ ইন্ডিয়ান সেনশেসন তমন্না ভাটিয়া। ঝলমলে মসৃণ ত্বক। মাছি বসলেও যেন পিছলে যাবে। এমন নিখুঁত ত্বকের রহস্য জানতে উদগ্রীব তামাম ভক্তকূল। ইন্টারনেটে সেই রহস্য ফাঁস করেছেন সুন্দরী অভিনেত্রী নিজেই।

একটি ম্যাগাজিনের ‘বিউটি সিক্রেটস’ ভিডিও সিরিজে হাজির হন তমন্না। সেখানেই তিনি জানান তাঁর ত্বকচর্চার গোপন কথা। ত্বকের যত্নে তমন্না তাঁর মায়ের ঠিক করে দেওয়া প্রাকৃতিক উপাদানেই ভরসা রাখেন। সঙ্গে যোগ করেন নিজস্ব হ্যাকস। কোমল এবং উজ্জ্বল ত্বক ও চুলের যত্নে সর্বদা এই রুটিন মেনে চলেন অভিনেত্রী।

সোজা কথায় তমন্নার উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য পুরোপুরি প্রাকৃতিক। মা-ঠাকুমার ঠিক করে দেওয়া। অভিনয়ের জন্য বছরের পর বছর সিনথেটিক্স এবং অন্যান্য মেকআপ সামগ্রী লাগাতে হয়। প্রচুর ক্ষতিকর রাসয়নিক থাকে। এতে ত্বকের বারোটা বাজে। সেই ক্ষতি পূরণ করতে একটা রুটিনের মধ্যে নিজেকে বেঁধে রাখতে হয়। তমন্না সেটাই করেন।

ভিডিও সিরিজে সপ্তাহে একবার ফেস স্ক্রাব করার কথাও জানিয়েছেন তমন্না। যে কেউ এটা করতে পারেন। অভিনেত্রী বলেছেন, এক চা চামচ চন্দন গুঁড়ো, গ্রাউন্ড কফি এবং সামান্য অরগ্যানিক মধু মিশিয়ে হালকা হাতে হালকা হাতে মুখ, ঘাড় এবং গলায় ঘষে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলি’। যে কেউ এই ফেস স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। তমন্নার পরামর্শ, ‘ত্বকে সত্যিকারের গ্ল্যামার আনতে চাইলে কাঁচা কিংবা জৈব উপাদান ব্যবহার করা উচিত’।

এই ফেস স্ক্রাবের সব উপাদানই শুষ্ক প্রকৃতির। তাই শুষ্ক ত্বক হলে একটু বেশি করে মধু ব্যবহার করতে হবে। দীর্ঘক্ষণ রোদে ঘুরলে বা ক্রমাগত মেকআপ ব্যবহারের ফলে ত্বকের পৃষ্ঠে যে মৃত কোষ তৈরি হয়, এই ফেস স্ক্রাব সে সব পরিষ্কার করে ফেলবে। ত্বকের জন্য দই এবং বেসনও খুব কার্যকরী বলে জানিয়েছেন তামান্না।

ত্বকচর্চায় আরেকটি চমৎকার উপাদান হল গোলাপ জল। মুখের যে কোনও লালভাব দূর করতে এটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এটা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটারি বৈশিষ্টে ভরপুর। গোলাপ জল দিয়ে তৈরি একটি ফেস মাস্কের রেসিপিও শেয়ার করেছেন তামান্না। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, গোলাপ জল এবং বেসন মিশিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করতে হবে। অতিরিক্ত হাইড্রেশন চাইলে তাতে দিতে হবে দই। তারপর মুখে মেখে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে ঠান্ডা জলে। এতে ত্বক উজ্জ্বল হয়, ঠান্ডাও থাকে।

(Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের জনসভা অনুষ্ঠিত

মায়ের বলে দেওয়া প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই রূপচর্চা করেন তমন্না!

প্রকাশের সময় : ১১:৩৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২২

সাউথ ইন্ডিয়ান সেনশেসন তমন্না ভাটিয়া। ঝলমলে মসৃণ ত্বক। মাছি বসলেও যেন পিছলে যাবে। এমন নিখুঁত ত্বকের রহস্য জানতে উদগ্রীব তামাম ভক্তকূল। ইন্টারনেটে সেই রহস্য ফাঁস করেছেন সুন্দরী অভিনেত্রী নিজেই।

একটি ম্যাগাজিনের ‘বিউটি সিক্রেটস’ ভিডিও সিরিজে হাজির হন তমন্না। সেখানেই তিনি জানান তাঁর ত্বকচর্চার গোপন কথা। ত্বকের যত্নে তমন্না তাঁর মায়ের ঠিক করে দেওয়া প্রাকৃতিক উপাদানেই ভরসা রাখেন। সঙ্গে যোগ করেন নিজস্ব হ্যাকস। কোমল এবং উজ্জ্বল ত্বক ও চুলের যত্নে সর্বদা এই রুটিন মেনে চলেন অভিনেত্রী।

সোজা কথায় তমন্নার উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য পুরোপুরি প্রাকৃতিক। মা-ঠাকুমার ঠিক করে দেওয়া। অভিনয়ের জন্য বছরের পর বছর সিনথেটিক্স এবং অন্যান্য মেকআপ সামগ্রী লাগাতে হয়। প্রচুর ক্ষতিকর রাসয়নিক থাকে। এতে ত্বকের বারোটা বাজে। সেই ক্ষতি পূরণ করতে একটা রুটিনের মধ্যে নিজেকে বেঁধে রাখতে হয়। তমন্না সেটাই করেন।

ভিডিও সিরিজে সপ্তাহে একবার ফেস স্ক্রাব করার কথাও জানিয়েছেন তমন্না। যে কেউ এটা করতে পারেন। অভিনেত্রী বলেছেন, এক চা চামচ চন্দন গুঁড়ো, গ্রাউন্ড কফি এবং সামান্য অরগ্যানিক মধু মিশিয়ে হালকা হাতে হালকা হাতে মুখ, ঘাড় এবং গলায় ঘষে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলি’। যে কেউ এই ফেস স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। তমন্নার পরামর্শ, ‘ত্বকে সত্যিকারের গ্ল্যামার আনতে চাইলে কাঁচা কিংবা জৈব উপাদান ব্যবহার করা উচিত’।

এই ফেস স্ক্রাবের সব উপাদানই শুষ্ক প্রকৃতির। তাই শুষ্ক ত্বক হলে একটু বেশি করে মধু ব্যবহার করতে হবে। দীর্ঘক্ষণ রোদে ঘুরলে বা ক্রমাগত মেকআপ ব্যবহারের ফলে ত্বকের পৃষ্ঠে যে মৃত কোষ তৈরি হয়, এই ফেস স্ক্রাব সে সব পরিষ্কার করে ফেলবে। ত্বকের জন্য দই এবং বেসনও খুব কার্যকরী বলে জানিয়েছেন তামান্না।

ত্বকচর্চায় আরেকটি চমৎকার উপাদান হল গোলাপ জল। মুখের যে কোনও লালভাব দূর করতে এটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এটা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটারি বৈশিষ্টে ভরপুর। গোলাপ জল দিয়ে তৈরি একটি ফেস মাস্কের রেসিপিও শেয়ার করেছেন তামান্না। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, গোলাপ জল এবং বেসন মিশিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করতে হবে। অতিরিক্ত হাইড্রেশন চাইলে তাতে দিতে হবে দই। তারপর মুখে মেখে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে ঠান্ডা জলে। এতে ত্বক উজ্জ্বল হয়, ঠান্ডাও থাকে।

(Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)