
কুড়িগ্রামে শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী ইজতেমা ও মাহফিল। বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) ফজরের নামাজের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামের ধরলা ব্রিজ পূর্বপাড়ের ফজলুল করীম (রহ.) জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এর কার্যক্রম শুরু হবে।
ইজতেমাকে ঘিরে জেলার ৯ উপজেলার শতাধিক মুজাহিদ কমিটির সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন। এই ইজতেমাকে ঘিরে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইজতেমা মাঠে আসছেন। এ ছাড়া ইজতেমাকে ঘিরে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে রকমারি ব্যবসায়ীরা অস্থায়ী দোকান খুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত বছর করোনার কারণে মুসল্লিদের উপস্থিত কম থাকলেও এবারে লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগম হবে বলে জানিয়েছেন ইজতেমা এন্তাজিয়া কমিটি।
আব্দুল বাতেন নামের এক মুসল্লি বলেন, ইজতেমা তো বৃহস্পতিবার থেকে আরম্ভ হবে। রাজারহাট উপজেলা থেকে একদিন আগেই এসেছি। বৃহস্পতিবার আসলে ভালো জায়গা পাওয়া যাবে না। তাই আজই এসেছি এবং স্টেজের সামনে স্থান নিয়েছি। প্রতি বছরই এই ইজতেমায় আসি। আল্লাহ পাক সুস্থ সফল রাখলে তিন দিন শেষ করে বাড়ি ফিরবো।
কুড়িগ্রাম জেলা মুজাহিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ইজতেমা এন্তেজামিয়া কমিটির সদস্য সচিব মহিউদ্দিন খান আলমগীর জানান, তিন দিনব্যাপী মিনি ইজতেমায় মুজাহিদ কমিটির আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ রেজাউল করীম উপস্থিত থেকে বয়ান পেশ করবেন। এ ছাড়াও দেশবরেণ্য আলেম-ওলামারা ইজতেমায় নসিহত পেশ করবেন। ইজতেমা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এরইমধ্যে প্যান্ডেল তৈরিসহ যাবতীয় প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, কুড়িগ্রামে ৩ দিনব্যাপী ইজতেমা মাহফিলে সামাজিক কটূক্তি ও ধর্মীয় কটূক্তি ছাড়া ওয়াজ মাহফিল যেন শেষ হয়। কেননা আমরা ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিল করতে বাধা বা নিষেধ করতে পারি না। যাতে সুষ্ঠুভাবে ইজতেমা হয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
বার্তাকণ্ঠ ডেস্ক 







































