সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাঙালির পেট ঠাণ্ডা, মাথাও ঠাণ্ডা: খাদ্যমন্ত্রী

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের মানুষ ভালো আছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশকে বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। চালের দাম যাদের জন্য অসহনীয় পর্যায়ে, তাদের জন্য ওএমএস, খাদ্যবান্ধব ভিজিডি, ভিজিএফ ইত্যাদি আছে। শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, সবাই ভালো আছে। বাঙালির পেট ঠাণ্ডা, মাথাও ঠাণ্ডা আছে। অপচয় বন্ধ করতে হবে, বিয়ে বাড়িতে দেখা যায় যে ১০-১৫ শতাংশ খাবার অপচয় হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বুধবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডিসিদের সেশনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খরার কারণে আমনের ফলন নিয়ে শঙ্কা থাকলেও এবার আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, সংগ্রহ ভালো হয়েছে, সরবরাহও ভালো আছে। সবচেয়ে বেশি মজুদ, এখন প্রায় ১৯ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন। আমাদের এখনও সংগ্রহ চলছে।

এত ফলনের পরও কেন দাম কমছে না—এমন প্রশ্নে সাধন চন্দ্র বলেন, আপনি এর থেকে যদি কমের কথা বলেন, তাহলে কৃষকদের কাছ থেকে ৭০০ টাকা মণ ধান কিনতে হবে। মারা পড়বে কৃষক, তখন ধান চালই পাওয়া যাবে না। আমরা যে ধানের দাম নির্ধারণ করেছি, এর থেকে বেশি ধামে কৃষক বাজারে ধান বিক্রি করছে। ন্যায্যমূল্যের বেশি দাম পাচ্ছে।

সরিষার ফলনে ভোজ্যতেল নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু মানিকগঞ্জ নয়, সারাদেশেই সরিষার আবাদ হচ্ছে, আমার ধারণা ৩০ শতাংশ ভোজ্যতেল এবার আমরা সরিষা থেকে সংগ্রহ করতে পারব।

জনপ্রিয়

মনোনয়ন ফিরে পেতে ইসিতে তাসনিম জারার আপিল

বাঙালির পেট ঠাণ্ডা, মাথাও ঠাণ্ডা: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০১:৪৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের মানুষ ভালো আছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশকে বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। চালের দাম যাদের জন্য অসহনীয় পর্যায়ে, তাদের জন্য ওএমএস, খাদ্যবান্ধব ভিজিডি, ভিজিএফ ইত্যাদি আছে। শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, সবাই ভালো আছে। বাঙালির পেট ঠাণ্ডা, মাথাও ঠাণ্ডা আছে। অপচয় বন্ধ করতে হবে, বিয়ে বাড়িতে দেখা যায় যে ১০-১৫ শতাংশ খাবার অপচয় হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বুধবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডিসিদের সেশনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খরার কারণে আমনের ফলন নিয়ে শঙ্কা থাকলেও এবার আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, সংগ্রহ ভালো হয়েছে, সরবরাহও ভালো আছে। সবচেয়ে বেশি মজুদ, এখন প্রায় ১৯ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন। আমাদের এখনও সংগ্রহ চলছে।

এত ফলনের পরও কেন দাম কমছে না—এমন প্রশ্নে সাধন চন্দ্র বলেন, আপনি এর থেকে যদি কমের কথা বলেন, তাহলে কৃষকদের কাছ থেকে ৭০০ টাকা মণ ধান কিনতে হবে। মারা পড়বে কৃষক, তখন ধান চালই পাওয়া যাবে না। আমরা যে ধানের দাম নির্ধারণ করেছি, এর থেকে বেশি ধামে কৃষক বাজারে ধান বিক্রি করছে। ন্যায্যমূল্যের বেশি দাম পাচ্ছে।

সরিষার ফলনে ভোজ্যতেল নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু মানিকগঞ্জ নয়, সারাদেশেই সরিষার আবাদ হচ্ছে, আমার ধারণা ৩০ শতাংশ ভোজ্যতেল এবার আমরা সরিষা থেকে সংগ্রহ করতে পারব।