বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্যর্থতা খুঁজে বের করে দিলে সংশোধন করে নেব -প্রধানমন্ত্রী

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ১১:১৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩
  • ১১৭

বিরোধী দলকে নিজের ব্যর্থতা খুঁজে বের করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  তিনি বলেছেন, ব্যর্থতা খুঁজে বের করে দিলে সংশোধন করে নেবেন তিনি।

ফখরুল ইমাম প্রশ্ন করতে গিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফলতার দিকগুলো সারাদিন আলোচনা করেও শেষ করা যাবে না; কিন্তু তার ব্যর্থতার দিকগুলো কী কী বলে তিনি মনে করেন।

জবাবে শেখ হাসিনা সরকারের ব্যর্থতা থাকলে বিরোধী দলকে তা খুঁজে বের করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সফলতা কী, বর্থ্যতা কী- এটা যাচাই করবে জনগণ। এটা যাচাই করা আমার দায়িত্ব না। সততা ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে জনগণের কল্যাণ বিবেচনা করে কাজ করলে ব্যর্থ হব কেন? কোথায় সাফল্য, কোথায় ব্যর্থতা সেটা জনগণই যাচাই করবে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় সদস্যের যখন এতই আগ্রহ তাহলে আমার ব্যর্থতাগুলো আপনিই খুঁজে বের করে দিন, আমি সংশোধন করে নেব।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। কলেজেও রাজনীতি করেছি। ভিপি ছিলাম। ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেছি। রাজনীতি আমাদের পারিবারিক, একেবারে রক্তেই আছে কিন্তু কখনো এত বড় দায়িত্ব নিতে হবে বলে ভাবিনি। ওই ধরনের কোনো আকাঙ্ক্ষাও ছিল না। এমনকি কখনো এ ধরনের দাবিও করিনি। সময়ের প্রয়োজনে যখন যে কাজ দিয়েছে, সেই কাজই করে গেছি। চেষ্টা করেছি। পঁচাত্তরের পরে যখন আওয়ামী লীগের দায়িত্ব দিল। বিশেষ করে ১৯৮০ সালে যখন লন্ডনে গেলাম, সেখানে আওয়ামী লীগ সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করেছি।

তিনি ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসার ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, কোনটা সফল হওয়া, কোনটা বিফল হওয়া, সেটা না। সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করতে হবে। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হবে।

জাতির পিতার আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় নিয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, চারণের বেশে সারা বাংলাদেশ ঘুরেছি। বাংলাদেশকে চিনেছি, জেনেছি। সরকার গঠনের পর তৃণমূলের মানুষ যাতে ভালো থাকে সেই আকাঙ্ক্ষা নিয়েই কাজ করেছি। তার সুফল এখন জনগণ পাচ্ছে। ১৪ বছর আগের বাংলাদেশ আর এখনকার বাংলাদেশে যে আমূল পরিবর্তন সেটা আমরা বয়োবৃদ্ধ যারা আছি তারা জানি কিন্তু আজকের প্রজন্ম জানবে না।

জনপ্রিয়

সুন্দরবনে ফাঁদে আটকা হরিণ উদ্ধার, আটক ১

ব্যর্থতা খুঁজে বের করে দিলে সংশোধন করে নেব -প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১১:১৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩

বিরোধী দলকে নিজের ব্যর্থতা খুঁজে বের করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  তিনি বলেছেন, ব্যর্থতা খুঁজে বের করে দিলে সংশোধন করে নেবেন তিনি।

ফখরুল ইমাম প্রশ্ন করতে গিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফলতার দিকগুলো সারাদিন আলোচনা করেও শেষ করা যাবে না; কিন্তু তার ব্যর্থতার দিকগুলো কী কী বলে তিনি মনে করেন।

জবাবে শেখ হাসিনা সরকারের ব্যর্থতা থাকলে বিরোধী দলকে তা খুঁজে বের করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সফলতা কী, বর্থ্যতা কী- এটা যাচাই করবে জনগণ। এটা যাচাই করা আমার দায়িত্ব না। সততা ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে জনগণের কল্যাণ বিবেচনা করে কাজ করলে ব্যর্থ হব কেন? কোথায় সাফল্য, কোথায় ব্যর্থতা সেটা জনগণই যাচাই করবে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘মাননীয় সদস্যের যখন এতই আগ্রহ তাহলে আমার ব্যর্থতাগুলো আপনিই খুঁজে বের করে দিন, আমি সংশোধন করে নেব।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। কলেজেও রাজনীতি করেছি। ভিপি ছিলাম। ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেছি। রাজনীতি আমাদের পারিবারিক, একেবারে রক্তেই আছে কিন্তু কখনো এত বড় দায়িত্ব নিতে হবে বলে ভাবিনি। ওই ধরনের কোনো আকাঙ্ক্ষাও ছিল না। এমনকি কখনো এ ধরনের দাবিও করিনি। সময়ের প্রয়োজনে যখন যে কাজ দিয়েছে, সেই কাজই করে গেছি। চেষ্টা করেছি। পঁচাত্তরের পরে যখন আওয়ামী লীগের দায়িত্ব দিল। বিশেষ করে ১৯৮০ সালে যখন লন্ডনে গেলাম, সেখানে আওয়ামী লীগ সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করেছি।

তিনি ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসার ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, কোনটা সফল হওয়া, কোনটা বিফল হওয়া, সেটা না। সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করতে হবে। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হবে।

জাতির পিতার আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় নিয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, চারণের বেশে সারা বাংলাদেশ ঘুরেছি। বাংলাদেশকে চিনেছি, জেনেছি। সরকার গঠনের পর তৃণমূলের মানুষ যাতে ভালো থাকে সেই আকাঙ্ক্ষা নিয়েই কাজ করেছি। তার সুফল এখন জনগণ পাচ্ছে। ১৪ বছর আগের বাংলাদেশ আর এখনকার বাংলাদেশে যে আমূল পরিবর্তন সেটা আমরা বয়োবৃদ্ধ যারা আছি তারা জানি কিন্তু আজকের প্রজন্ম জানবে না।