শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন -মির্জা ফখরুল

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩
  • ২৫৯

গণআন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন সরকারকে বিদায় নিতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, শুধু সভা-সমাবেশ করে সরকার বিদায় হবে না। জনগণকে নিয়ে রাস্তায় নেমে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হবে।

সরকারের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মূল কথা হচ্ছে- অনেক হয়েছে এবার বিদায় হও। জনগণের রক্ত শোষণ করে খেয়েছ, এবার বিদায় হও। পদত্যাগ করে সংসদকে বিলুপ্ত করুন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। সেই নির্বাচনে জনগণ তাদের প্রতিনিধিত্ব নির্বাচন করবে।’

আজ শনিবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান, ডেমোক্র্যাটিক লীগের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, বিকল্পধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নূরুল আমিন বেপারী, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, গণদলের গোলাম মাওলা, বাংলাদেশ ন্যাপের এম এন শাওন সাদেকী, বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্টির সুকৃতি মণ্ডল, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ডেমোক্র্যাটিক লীগের মো. আকবর হোসেন, পিপলস লীগের অ্যাডভোকেট গরিবে নেওয়াজ ও সৈয়দ মাহবুব হোসেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের শাহ আহমেদ বাদল, এনপিপির ফরিদ উদ্দিন, যুব জাগপার মীর আমির হোসেন আমু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি স্বাধীনচেতা, বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি দেশপ্রেমিক। ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়ে তারা যুদ্ধ শুরু করেছিল। পরবর্তীকালে ’৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে গণতন্ত্র রক্ষা করেছিলেন খালেদা জিয়া। আজকে আবার ফ্যাসিবাদকে হটানোর জন্য সামগ্রিক লড়াই শুরু হয়েছে। এ লড়াই শুধু বিএনপির লড়াই নয়, বিরোধী দলের নয়; এটা জনগণের লড়াই।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকের জনগণের সব অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। স্বাধীন দেশের নাগরিকত্ব থেকে তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে।

পদযাত্রা নয়, মরণযাত্রা শুরু হয়েছে বিএনপির- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, অদ্ভুত! এ ধরনের কথাবার্তা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এগুলো জনগণের সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়।

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের অধিকার আপনারা নিয়ে নিয়েছেন। আমাদের দুইবার ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন। আমার জনগণের বেঁচে থাকার ন্যূনতম অধিকারটুকু কেড়ে নিয়েছেন। মানুষের পকেট কেটে আপনি বড়লোক হচ্ছেন আর সেই টাকা বিদেশে পাচার করছেন।’

জনপ্রিয়

কোথায় আছেন ড. ইউনূস, কী করছেন?

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন -মির্জা ফখরুল

প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩

গণআন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন সরকারকে বিদায় নিতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, শুধু সভা-সমাবেশ করে সরকার বিদায় হবে না। জনগণকে নিয়ে রাস্তায় নেমে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হবে।

সরকারের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মূল কথা হচ্ছে- অনেক হয়েছে এবার বিদায় হও। জনগণের রক্ত শোষণ করে খেয়েছ, এবার বিদায় হও। পদত্যাগ করে সংসদকে বিলুপ্ত করুন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। সেই নির্বাচনে জনগণ তাদের প্রতিনিধিত্ব নির্বাচন করবে।’

আজ শনিবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান, ডেমোক্র্যাটিক লীগের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, বিকল্পধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নূরুল আমিন বেপারী, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, গণদলের গোলাম মাওলা, বাংলাদেশ ন্যাপের এম এন শাওন সাদেকী, বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্টির সুকৃতি মণ্ডল, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ডেমোক্র্যাটিক লীগের মো. আকবর হোসেন, পিপলস লীগের অ্যাডভোকেট গরিবে নেওয়াজ ও সৈয়দ মাহবুব হোসেন, বিকল্পধারা বাংলাদেশের শাহ আহমেদ বাদল, এনপিপির ফরিদ উদ্দিন, যুব জাগপার মীর আমির হোসেন আমু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি স্বাধীনচেতা, বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি দেশপ্রেমিক। ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়ে তারা যুদ্ধ শুরু করেছিল। পরবর্তীকালে ’৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে গণতন্ত্র রক্ষা করেছিলেন খালেদা জিয়া। আজকে আবার ফ্যাসিবাদকে হটানোর জন্য সামগ্রিক লড়াই শুরু হয়েছে। এ লড়াই শুধু বিএনপির লড়াই নয়, বিরোধী দলের নয়; এটা জনগণের লড়াই।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকের জনগণের সব অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। স্বাধীন দেশের নাগরিকত্ব থেকে তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে।

পদযাত্রা নয়, মরণযাত্রা শুরু হয়েছে বিএনপির- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, অদ্ভুত! এ ধরনের কথাবার্তা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এগুলো জনগণের সঙ্গে তামাশা ছাড়া আর কিছু নয়।

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের অধিকার আপনারা নিয়ে নিয়েছেন। আমাদের দুইবার ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন। আমার জনগণের বেঁচে থাকার ন্যূনতম অধিকারটুকু কেড়ে নিয়েছেন। মানুষের পকেট কেটে আপনি বড়লোক হচ্ছেন আর সেই টাকা বিদেশে পাচার করছেন।’