বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেটে বিএনপি-আওয়ামীলীগ মুখোমুখি, মাঠ উত্তপ্ত

পাঁচ বছর পর সিলেট নগরীতে পৃথক পৃথক কর্মসূচি নিয়ে শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজপথে নামছে দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও দুই দলের মুখোমুখি হওয়ায় রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে এই আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন দুই দলের দায়িত্বশীল নেতারা। তারা বলছেন, সিলেটের রাজনীতি সম্প্রীতির রাজনীতি। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে কিন্তু কোনো প্রতিহিংসা নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা সব সময় শান্তির পক্ষে। তাই রেজিস্ট্রারি মাঠে আমাদের কর্মসূচি থাকলেও স্থান বদল করে আমরা সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শান্তি সমাবেশের আয়োজন করেছি। কারণ আমরা শান্তিতে বিশ্বাসী বন্দুকের নলের উপর বিশ্বাসী নই।আমরা রাজনৈতিক সহাবস্থানের পক্ষে। তাই আমরা উদারতা দেখিয়ে নিজেদের কর্মসূচির স্থান পরিবর্তন করেছি। এখন বিএনপি যদি বিশৃঙ্খলা না করে তবে আমাদের শান্তি সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হবে।

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীও একই সুরে গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করতে চাই। অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যেতে চাই। নেতাকর্মীদেরও বলেছি, যাতে তারা কোন ধরনের বিশৃঙ্খলায় না জড়ায়। যদি সমাবেশ বানচাল করতে হঠকারিতা হয়, সেটা জনগণ প্রতিহত করবে। অতীতে সমাবেশ ঘিরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির কোনো সংঘাত হয়নি, এবারো হবে না। কেননা সিলেট শান্তির নগরী।

দুই দলের সমাবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (মিডিয়া) সুদীপ দাস বলেন, আজ দুই দলের সমাবেশ ঘিরে যাতে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, এ জন্য নগরীর সবগুলো মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন আছে। নগরীর প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশী চৌকি বসানো হয়েছে। সমাবেশ চলাকালে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকবে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সদা তৎপর রয়েছে।

সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সিলেটের রাজপথে মুখোমুখি হয়েছিল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। সেদিন খালেদা জিয়ার রায়কে ঘিরে নগরীর কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়, আহত হন অনেকে।

জনপ্রিয়

২৪ ঘন্টার মধ্যে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করে বহাল রাখেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

সিলেটে বিএনপি-আওয়ামীলীগ মুখোমুখি, মাঠ উত্তপ্ত

প্রকাশের সময় : ০৩:১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

পাঁচ বছর পর সিলেট নগরীতে পৃথক পৃথক কর্মসূচি নিয়ে শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজপথে নামছে দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও দুই দলের মুখোমুখি হওয়ায় রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে এই আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন দুই দলের দায়িত্বশীল নেতারা। তারা বলছেন, সিলেটের রাজনীতি সম্প্রীতির রাজনীতি। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে কিন্তু কোনো প্রতিহিংসা নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা সব সময় শান্তির পক্ষে। তাই রেজিস্ট্রারি মাঠে আমাদের কর্মসূচি থাকলেও স্থান বদল করে আমরা সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শান্তি সমাবেশের আয়োজন করেছি। কারণ আমরা শান্তিতে বিশ্বাসী বন্দুকের নলের উপর বিশ্বাসী নই।আমরা রাজনৈতিক সহাবস্থানের পক্ষে। তাই আমরা উদারতা দেখিয়ে নিজেদের কর্মসূচির স্থান পরিবর্তন করেছি। এখন বিএনপি যদি বিশৃঙ্খলা না করে তবে আমাদের শান্তি সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হবে।

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীও একই সুরে গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করতে চাই। অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যেতে চাই। নেতাকর্মীদেরও বলেছি, যাতে তারা কোন ধরনের বিশৃঙ্খলায় না জড়ায়। যদি সমাবেশ বানচাল করতে হঠকারিতা হয়, সেটা জনগণ প্রতিহত করবে। অতীতে সমাবেশ ঘিরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির কোনো সংঘাত হয়নি, এবারো হবে না। কেননা সিলেট শান্তির নগরী।

দুই দলের সমাবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (মিডিয়া) সুদীপ দাস বলেন, আজ দুই দলের সমাবেশ ঘিরে যাতে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, এ জন্য নগরীর সবগুলো মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন আছে। নগরীর প্রবেশপথগুলোতে তল্লাশী চৌকি বসানো হয়েছে। সমাবেশ চলাকালে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকবে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সদা তৎপর রয়েছে।

সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সিলেটের রাজপথে মুখোমুখি হয়েছিল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। সেদিন খালেদা জিয়ার রায়কে ঘিরে নগরীর কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়, আহত হন অনেকে।