
যদি কারো কোষ্ঠকাঠিন্য হয় এবং খাদ্য অন্ত্রে ধীরে ধীরে যায়, তাহলে এটি পেটে গ্যাস গঠনের সুযোগ বেশি দেয়। পেটে যখন খাবার দীর্ঘ সময় থাকে, তখন জীবাণুগুলো দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকে এবংপেটে গ্যাস তৈরি করে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে হজমশক্তি কমে যায়, যা আরও গ্যাস গঠনের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
আবার এর উল্টো দিকও আছে।
কারো জেনেটিক কারনে পাকস্থলীর গ্যাসট্রিক গ্ল্যান্ডে অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণের ফলে অ্যাসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যা হয়। সাধারণত অনেকক্ষণ খালি পেটে খাকলে, অতিরিক্ত চা,কফি পান করলে, মশলাযুক্ত ও ভাজাভুজি খাবার বেশি খেলে, খাওয়ার অনিয়ম হলে, রাতের খাবার খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস থাকলে, অতিরিক্ত মদ্যপান, ধূমপান, দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা ইত্যাদি কারণে পেটে গ্যাস হতে পারে। গ্যাস, অম্বলের কারণেই পেট ফুলে ওঠে, ঢেকুর ওঠে, বুক জ্বালা করে ও পেটের অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়।
একটি নতুন জীবন ধারা ও কিছু নিয়ম পারে অতিরিক্ত গ্যাস থেকে মুক্তি দিতে।নিচের লিংক টি দেখার অনুরোধ করছি।
বার্তাকন্ঠ ডেস্ক।। 



















