বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেয়েদের ঠোঁটের ওপর লোম হয় কেন? বন্ধ করার উপায় কী?

লোম হওয়া বন্ধ করার উপায়:

চিনি এবং মধু:

একটা পাত্রে তিন চামচ চিনি এবং এক চামচ মধু মেশান। পাত্রটা একটু গরম করুন যাতে চিনি পুরো মধুর সাথে মিশে যায় গলে গিয়ে। হালকা ঠান্ডা করে তাতে এক চামচ লেবুর রস দিন। মিশিয়ে ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। এরপর যেভাবে চুল উঠেছে ঠোঁটের উপরে, সেই নির্দেশ অনুযায়ী কোনো কাপড় দিয়ে মুছতে থাকুন। এটা বলা যায় ঘরোয়া ওয়াক্সিং পদ্ধতি যাতে লেবুর রস ব্লিচিং উপাদান হিসেবে কাজ করে।

ডিম :

ডিম একটা পাত্রে একটা ডিমের সাদা অংশ টা নিন শুধুমাত্র। তার মধ্যে আধা চামচ বেসন আর এক চামচ চিনি দিন। ভালো করে মিশ্রণটি মেশান। এরপর ওই মিশ্রণ ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট মত রেখে দিন। এবার চুল ওঠার উল্টো দিকে এই মাস্ক আস্তে আস্তে তুলে দিন। ঠান্ডা জল দিয়ে জায়গাটা পরিষ্কার করে নিন এবং হালকা ক্রিম লাগিয়ে নিন। সপ্তাহে দুবার এই পদ্ধতি ব্যবহার করুন।

হলুদ :

একটা পাত্রে এক চামচ হলুদ আর একচামচ দুধ নিন। এর সাথে এক চামচ চালের গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে পারেন। এবার পুরো মিশ্রণ ভালো ভাবে মেশান। মেশানো হয়ে গেলে নিজের আঙ্গুল দিয়ে আস্তে আস্তে ঠোঁটের উপরের অংশে মেসেজ করার মত করে লাগিয়ে দিন এবং 5 থেকে 10 মিনিট রেখে দিন ওই ভাবেই। পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে নিজের আঙ্গুল হালকা করে জল দিয়ে ভিজিয়ে ওই মুখ শুকনো মিশ্রণ টাকে চুল ওঠার বিপরীত নির্দেশে তুলতে থাকুন। পুরো তোলা হয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে জায়গাটা ধুয়ে নিন। সপ্তাহে এই পদ্ধতি দুই থেকে তিনবার অনুসরণ করুন।

শুধু চিনি :

একটা পাত্রের এক চতুর্থাংশ জল দিয়ে ভরুন এবং তার মধ্যে দু কাপ চিনি মেশান। সাথে এক কাপ এর এক চতুর্থাংশ লেবুর রস ওই পাত্রে মেশান। এবার পুরো মিশ্রণটা কে গরম করুন এবং ততক্ষণ অব্দি গরম করুন যাতে করে ওর মিশ্রন ফুটতে না থাকে। হালকা ফোটা শুরু হয়ে গেলেই উষ্ণতা কমিয়ে মিশ্রণটিকে ঠান্ডা হতে দিন। এবারে কিভাবে ওই পেস্ট নিজের ঠোঁটের উপরের অংশে লাগান। চাইলে তুলো দিয়ে মিশ্রণ নিজের ঠোঁটের উপরে লাগাতে পারেন। 10 থেকে 15 মিনিট এই মিশ্রন রেখে দেয়ার পর একইভাবে তুলে ফেলুন। চাইলে বাড়তি বাকি মিশ্রণ বায়ু নিরোধক পাত্রে রেখে ব্যবহার করতে পারেন।

আটা :

একটা পাত্রে এক চামচ আদা এবং এক চতুর্থাংশ হলুদ নিয়ে অল্প দুধ বা জল মেশানো এবং একটা ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। উপরোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করুন মানে এ কিভাবে ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে আস্তে আস্তে তুলে ফেলুন এবং ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন।

পুদিনা চা :

আগেই আলোচনায় বলা হয়েছে যে অনেক মহিলার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হরমোনাল সমস্যার জন্য ঠোঁটের উপরে এই চুলের সমস্যা দেখা যায়। কারো শরীরে অতিরিক্ত এন্ড্রোজেন হরমোন ক্ষরণ হলে এই সমস্যা দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে পুদিনা চা খেলে উপকার পাওয়া যায় কারণ পুদিনা চা এন্ড্রোজেনের অতিরিক্ত নিঃসরণ বন্ধ করে বা নিয়ন্ত্রণ করে। চেষ্টা করুন এই পুদিনা চা খাওয়ার সময় এক চামচ মধু মিশিয়ে খেতে।

পেঁপে:

পেঁপের বহুবিধ গুন আমরা অনেকেই জানি। স্ক্রাব হিসেবেও পেঁপের নির্যাস অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 1 থেকে 2 চামচ পেঁপে নির্যাস নিয়ে তার মধ্যে হাফ চামচ হলুদ মিশিয়ে নিতে হবে ভালো করে। মিশ্রন ঘন হলে ওই মিশ্রণ নিজের আঙ্গুল দিয়ে ঠোঁটের উপরের অংশে লাগিয়ে নিতে হবে এবং 5 থেকে 10 মিনিট রাখার পর তুলে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণ সপ্তাহে একবার লাগালে যথেষ্ট।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

মেয়েদের ঠোঁটের ওপর লোম হয় কেন? বন্ধ করার উপায় কী?

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
লোম হওয়া বন্ধ করার উপায়:

চিনি এবং মধু:

একটা পাত্রে তিন চামচ চিনি এবং এক চামচ মধু মেশান। পাত্রটা একটু গরম করুন যাতে চিনি পুরো মধুর সাথে মিশে যায় গলে গিয়ে। হালকা ঠান্ডা করে তাতে এক চামচ লেবুর রস দিন। মিশিয়ে ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। এরপর যেভাবে চুল উঠেছে ঠোঁটের উপরে, সেই নির্দেশ অনুযায়ী কোনো কাপড় দিয়ে মুছতে থাকুন। এটা বলা যায় ঘরোয়া ওয়াক্সিং পদ্ধতি যাতে লেবুর রস ব্লিচিং উপাদান হিসেবে কাজ করে।

ডিম :

ডিম একটা পাত্রে একটা ডিমের সাদা অংশ টা নিন শুধুমাত্র। তার মধ্যে আধা চামচ বেসন আর এক চামচ চিনি দিন। ভালো করে মিশ্রণটি মেশান। এরপর ওই মিশ্রণ ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট মত রেখে দিন। এবার চুল ওঠার উল্টো দিকে এই মাস্ক আস্তে আস্তে তুলে দিন। ঠান্ডা জল দিয়ে জায়গাটা পরিষ্কার করে নিন এবং হালকা ক্রিম লাগিয়ে নিন। সপ্তাহে দুবার এই পদ্ধতি ব্যবহার করুন।

হলুদ :

একটা পাত্রে এক চামচ হলুদ আর একচামচ দুধ নিন। এর সাথে এক চামচ চালের গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে পারেন। এবার পুরো মিশ্রণ ভালো ভাবে মেশান। মেশানো হয়ে গেলে নিজের আঙ্গুল দিয়ে আস্তে আস্তে ঠোঁটের উপরের অংশে মেসেজ করার মত করে লাগিয়ে দিন এবং 5 থেকে 10 মিনিট রেখে দিন ওই ভাবেই। পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে নিজের আঙ্গুল হালকা করে জল দিয়ে ভিজিয়ে ওই মুখ শুকনো মিশ্রণ টাকে চুল ওঠার বিপরীত নির্দেশে তুলতে থাকুন। পুরো তোলা হয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে জায়গাটা ধুয়ে নিন। সপ্তাহে এই পদ্ধতি দুই থেকে তিনবার অনুসরণ করুন।

শুধু চিনি :

একটা পাত্রের এক চতুর্থাংশ জল দিয়ে ভরুন এবং তার মধ্যে দু কাপ চিনি মেশান। সাথে এক কাপ এর এক চতুর্থাংশ লেবুর রস ওই পাত্রে মেশান। এবার পুরো মিশ্রণটা কে গরম করুন এবং ততক্ষণ অব্দি গরম করুন যাতে করে ওর মিশ্রন ফুটতে না থাকে। হালকা ফোটা শুরু হয়ে গেলেই উষ্ণতা কমিয়ে মিশ্রণটিকে ঠান্ডা হতে দিন। এবারে কিভাবে ওই পেস্ট নিজের ঠোঁটের উপরের অংশে লাগান। চাইলে তুলো দিয়ে মিশ্রণ নিজের ঠোঁটের উপরে লাগাতে পারেন। 10 থেকে 15 মিনিট এই মিশ্রন রেখে দেয়ার পর একইভাবে তুলে ফেলুন। চাইলে বাড়তি বাকি মিশ্রণ বায়ু নিরোধক পাত্রে রেখে ব্যবহার করতে পারেন।

আটা :

একটা পাত্রে এক চামচ আদা এবং এক চতুর্থাংশ হলুদ নিয়ে অল্প দুধ বা জল মেশানো এবং একটা ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। উপরোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করুন মানে এ কিভাবে ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে আস্তে আস্তে তুলে ফেলুন এবং ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন।

পুদিনা চা :

আগেই আলোচনায় বলা হয়েছে যে অনেক মহিলার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হরমোনাল সমস্যার জন্য ঠোঁটের উপরে এই চুলের সমস্যা দেখা যায়। কারো শরীরে অতিরিক্ত এন্ড্রোজেন হরমোন ক্ষরণ হলে এই সমস্যা দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে পুদিনা চা খেলে উপকার পাওয়া যায় কারণ পুদিনা চা এন্ড্রোজেনের অতিরিক্ত নিঃসরণ বন্ধ করে বা নিয়ন্ত্রণ করে। চেষ্টা করুন এই পুদিনা চা খাওয়ার সময় এক চামচ মধু মিশিয়ে খেতে।

পেঁপে:

পেঁপের বহুবিধ গুন আমরা অনেকেই জানি। স্ক্রাব হিসেবেও পেঁপের নির্যাস অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 1 থেকে 2 চামচ পেঁপে নির্যাস নিয়ে তার মধ্যে হাফ চামচ হলুদ মিশিয়ে নিতে হবে ভালো করে। মিশ্রন ঘন হলে ওই মিশ্রণ নিজের আঙ্গুল দিয়ে ঠোঁটের উপরের অংশে লাগিয়ে নিতে হবে এবং 5 থেকে 10 মিনিট রাখার পর তুলে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণ সপ্তাহে একবার লাগালে যথেষ্ট।