
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি চেয়াপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের দণ্ড দুই বছরের বেশি হওয়ায় তারা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ভারত, নেপাল, ভুটান, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি ও কানাডার প্রতিনিধি সমন্বিত ‘ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের’ সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী। পরে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রশ্নই ওঠে না, তাদের (খালেদা ও তারেক) কোনোভাবেই নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। তবে দল নির্বাচন করতে পারবে।’
মন্ত্রী বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রকে প্রতিহত করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচনী ভীতি পেয়ে বসেছে তাদের।
নির্বাচনে সরকার বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ চায় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী জানান, নির্বাচন কমিশনের অধীনেই সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমান সরকার শুধু নির্বাচনকালীন সরকারের রুটিন দায়িত্ব পালন করবে।
আগামী নির্বাচনে জনগণ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে। এছাড়া জনগণ আগামী দিনের সরকার নির্বাচন করবে বলেও জানান তিনি।
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। এই নির্বাচন ইলেকশন মনিটরিং ফোরামসহ আন্তর্জাতিক যে কোনো সংস্থা চাইলে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে পারবে।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপিকে নির্বাচন ভীতি পেয়ে বসেছে। তারপরও আশা করি তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করতে দলটি সহায়তা করবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তিনি জানান, বিএনপিসহ সব দলের অংশগ্রহণের একটি নির্বাচন চায় সরকার। সব গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয় বাংলাদেশেও সেভাবে হবে।
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে এবং মানুষের বিপুল অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে একটি নির্বাচন দেখতে চাই। সকল সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশে যেভাবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, আমাদের দেশেও ঠিক সেভাবেই হবে।
ঢাকা ব্যুরো।। 







































