শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কার্ডে ওএমএসের চাল বিতরণ শিগগিরই: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, শিগগিরই কার্ডের মাধ্যমে চাল বিতরণ শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খোলাবাজারে বিক্রি কার্যক্রম (ওএমএস) কার্ডের মাধ্যমে বিতরণের নির্দেশনা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার পোরশা উপজেলার কপালির বাজারে চলমান খোলাবাজারে বিক্রয় কার্যক্রম (ওএমএস) আকস্মিক পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বারবার ওএমএসের চাল নেয়। সে আবার সেটা বিক্রি করে দেয়। কার্ডের মাধ্যমে বিতরণ করা হলে এ প্রবণতা কমবে এবং সবাই পাবে। কার্ডের মাধ্যমে একজন সপ্তাহে একবার ওএমএসের চাল কিনতে পারবে।

চালের বাজারদর কমাতে বিদেশ থেকে চাল আমদানি করা হবে কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে চালের অনেক মজুত আছে, কোনো অভাব নেই।

আমনের উৎপাদন ভালো হয়েছে। বোরো ফসলের চাষ শুরু হয়েছে। বেশি আমদানি করলে কৃষক নায্যমূল্য পাবে না।

নিম্নআয়ের লোকদের কোনো সমস্যা হবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তাদের জন্য ওএমএস-এ ৩০ টাকায় চাল দেওয়া হচ্ছে।

আবার মার্চ মাস থেকেই খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু হয়েছে। ৫০ লাখ পরিবার প্রতি মাসে একবার করে ৩০ কেজি চাল পাবেন।

এ সময় পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা বেগম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামসহ খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে খাদ্যমন্ত্রী নিতপুর খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি গুদামে রক্ষিত চালের গুণগতমান পরীক্ষা করে দেখেন।

জনপ্রিয়

যুদ্ধ বাঁধলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের ওপর হামলা ও সরঞ্জাম গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ইরান

কার্ডে ওএমএসের চাল বিতরণ শিগগিরই: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৪:২৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, শিগগিরই কার্ডের মাধ্যমে চাল বিতরণ শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খোলাবাজারে বিক্রি কার্যক্রম (ওএমএস) কার্ডের মাধ্যমে বিতরণের নির্দেশনা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার পোরশা উপজেলার কপালির বাজারে চলমান খোলাবাজারে বিক্রয় কার্যক্রম (ওএমএস) আকস্মিক পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বারবার ওএমএসের চাল নেয়। সে আবার সেটা বিক্রি করে দেয়। কার্ডের মাধ্যমে বিতরণ করা হলে এ প্রবণতা কমবে এবং সবাই পাবে। কার্ডের মাধ্যমে একজন সপ্তাহে একবার ওএমএসের চাল কিনতে পারবে।

চালের বাজারদর কমাতে বিদেশ থেকে চাল আমদানি করা হবে কিনা— এমন প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে চালের অনেক মজুত আছে, কোনো অভাব নেই।

আমনের উৎপাদন ভালো হয়েছে। বোরো ফসলের চাষ শুরু হয়েছে। বেশি আমদানি করলে কৃষক নায্যমূল্য পাবে না।

নিম্নআয়ের লোকদের কোনো সমস্যা হবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তাদের জন্য ওএমএস-এ ৩০ টাকায় চাল দেওয়া হচ্ছে।

আবার মার্চ মাস থেকেই খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু হয়েছে। ৫০ লাখ পরিবার প্রতি মাসে একবার করে ৩০ কেজি চাল পাবেন।

এ সময় পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা বেগম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামসহ খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে খাদ্যমন্ত্রী নিতপুর খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি গুদামে রক্ষিত চালের গুণগতমান পরীক্ষা করে দেখেন।