সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোট ডাকাতির জন্য নানা রকম কারিগরি করতে মাঠ সাজানো শুরু –রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। ভোট ডাকাতির জন্য নানা রকম কারিগরি করতে মাঠ সাজানো শুরু হয়। ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের মতো সেই একই প্রক্রিয়ায় পুরনো পথে হাঁটতে শুরু করেছে সরকার।

সোমবার (৮ মে) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

৭ ডিসেম্বরের ঘটনা প্রসঙ্গ টেনে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশ নিজেরাই বোমাসহ প্রবেশ করেছে। আর এটা করা হয়েছে বিএনপি নেতাকর্মীদের ফাঁসাতে। ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ কেউ শোনেনি। কিন্তু আসামি করা হয় মৃত ব্যক্তি ও কারাবন্দী নেতাদের।

রিজভী বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় পরিচয় দেখে পুলিশে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনী রদবদল ও পদোন্নতি শুরু হয়েছে। তবে এতো সব করে এবার আর পার পাওয়া যাবে না। জনগণ রাজপথে নেমেছে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না দিলে সরকারের পতন হবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, অন্যায়ভাবে বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম মুন্নাসহ এস এম জাহাঙ্গীর, ইউসুফ বিন জলিল, আলী আলী আকবর চুন্নু, হারুনুর রশিদ হারুন, আমির এজাজ খান, গোলাম মাওলা শাহীন, রফিক হাওলাদার, আসিফসহ শত শত নেতাকর্মী এখনো কারা ভোগ করছে। আমি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারসহ নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান জানাচ্ছি।
জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৃপ্তি -হাসান ঐক্যবদ্ধ

ভোট ডাকাতির জন্য নানা রকম কারিগরি করতে মাঠ সাজানো শুরু –রিজভী

প্রকাশের সময় : ০৮:১২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। ভোট ডাকাতির জন্য নানা রকম কারিগরি করতে মাঠ সাজানো শুরু হয়। ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের মতো সেই একই প্রক্রিয়ায় পুরনো পথে হাঁটতে শুরু করেছে সরকার।

সোমবার (৮ মে) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

৭ ডিসেম্বরের ঘটনা প্রসঙ্গ টেনে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশ নিজেরাই বোমাসহ প্রবেশ করেছে। আর এটা করা হয়েছে বিএনপি নেতাকর্মীদের ফাঁসাতে। ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ কেউ শোনেনি। কিন্তু আসামি করা হয় মৃত ব্যক্তি ও কারাবন্দী নেতাদের।

রিজভী বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় পরিচয় দেখে পুলিশে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনী রদবদল ও পদোন্নতি শুরু হয়েছে। তবে এতো সব করে এবার আর পার পাওয়া যাবে না। জনগণ রাজপথে নেমেছে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না দিলে সরকারের পতন হবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, অন্যায়ভাবে বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম মুন্নাসহ এস এম জাহাঙ্গীর, ইউসুফ বিন জলিল, আলী আলী আকবর চুন্নু, হারুনুর রশিদ হারুন, আমির এজাজ খান, গোলাম মাওলা শাহীন, রফিক হাওলাদার, আসিফসহ শত শত নেতাকর্মী এখনো কারা ভোগ করছে। আমি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারসহ নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান জানাচ্ছি।