শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পেকুয়ার এক রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রতারকের খপ্পরে,টাকা নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন প্রতারক!

আইনী সহায়তা পেতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন এক ওমান প্রবাসী

তাফসির ( প্রতারকের ছবি)

ওমান প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধার টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠেছে তফসির নামের এক প্রতারকের বিরুদ্ধে। টাকা উদ্ধার করতে আইনী সহায়তা পেতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তৌহিদুল আলম ছাদেক নামের এক প্রবাসী। ভুক্তভোগী প্রবাসী ওই প্রতারক তফসিরের বিরুদ্ধে গত ৬ ফের্রুয়ারী ওমান দূতাবাসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি আমলে নিয়ে ১৪ ফের্রুয়ারী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবরে প্রেরণ করেন ওমান দূতাবাস।
অভিযুক্ত মোহাম্মদ তফসির (পাসপোর্ট নং বিটি ০১২৫৩০১) কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার ধুরুং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আকবর বলির পাড়ার মৃত নুরুল আলমের পুত্র।

এদিকে ভুক্তভোগী তৌহিদুল আলম প্রকাশ ছাদেক কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মিয়াপাড়া এলাকার মোঃ সেলিমের পুত্র। ওই প্রবাসী তার আত্মসাৎকৃত টাকা উদ্ধার সংক্রান্ত আবেদনের বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয় আইনী সহায়তা প্রদানের জন্য ২৬ ফের্রুয়ারী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো: সারওয়ার আলম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি জেলা প্রশাসক কক্সবাজারের বরাবরে প্রেরণ করেন। এসব অভিযোগের খবর তফসির ও তার পরিবারের মাঝে জানাজানি হলে তারাও মিথ্যার আশ্রয় নেয়।

পরে তৌহিদুল আলম বাদী হয়ে আত্মসাৎকৃত পাওনা টাকা উদ্ধার চেয়ে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন। যার মালা নং ১০৩১/২৩।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, তফসির বাদী তৌহিদুল আলমের আত্মীয় হওয়ায় ভিসা দিয়ে ওমানে নিয়ে যায়। ওমানে যাওয়ার পর বিবাদীকে মাস্কাট ওমান হমিরিয়া সালতানাত দোকানের রেজিঃ নং সিআর ১১১৬৯১৩ নিজের পেকুয়া স্টোর নামীয় দোকানের ম্যানেজার হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয় তফসিরকে। ওই সময় থেকে তৌহিদুল আলম প্রকাশ ছাদেকের স্বত্বাধিকারী লাইসেন্সধারী দোকানে কয়েক বছর কাজ করেছিল। দোকানে সব সময় বি.ডি কার্গোর মালামাল ও নগদ টাকা জমা থাকত। বিবাদী তফসির দুর্লোভের বশবর্তী হয়ে প্রতারণা করতে শুরু করলে দোকান মালিক ওই তফসিরকে নিকট আত্মীয় হওয়ায় সতর্ক ও প্রতারণা করিতে নিষেধ করে। এরপর থেকে বিশ্বস্থতার সহিত কাজ করিতে থাকে তফসির। চাকরী থাকাকালীন তফসির গত বিগত ২০২২ সালের নভেম্বর তারিখ তৌহিদের অগোচরে দোকানে স্থিত কার্গোর সমস্ত মালামাল বিক্রিলব্ধ অর্থ, দোকানে ক্যাশে থাকা নগদ টাকা, আমানতদারের জমাকৃত টাকা, বকেয়া হিসাবে প্রদত্ত উত্তোলনকৃত টাকাসহ মোট ৮৯১৬.৬০ ওমানি রিয়াল নিয়ে পালিয়ে বাংলাদেশ তথা নিজের দেশে চলে আসে। পরে পলাতক তফসিরের খোজ না পেয়ে দেশে আত্মীয়- স্বজনের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানাই যে, তফসির দেশে চলে এসেছে। প্রবাসী তৌহিদ নিরুপায় হয়ে প্রথমে ওমানস্থ কাউন্সিলের (শ্রম) অফিসে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওমান দূতাবাস হইতে মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর (পিএসসি) বিইও/এলডব্লিউ/অভিযোগ /০৩৫/২০২২/১৭ নং স্মারক মূলে বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রবাসী কল্যাণ শাখা বরাবরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করেন।

যাহা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কল্যাণ-১ এর সিনিয়র সহকারী সচিব সরওয়ার আলম ৪৯.০০.০০০০.০২৪.২৪.০০১.২৩.১৭./১(৪) নং মূলে কক্সবাজার শাখা ও জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রেরণ করেন। সদয় অবগতির জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর একান্ত সচিবের কাছে অনুলিপি প্রদান করা হয়। এদিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কক্সবাজার প্রবসী কল্যাণ শাখা থেকে প্রবাসী তৌহিদের অভিযোগ আবেদনের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে স্থানীয় কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
এছাড়া তফসির ওসমান থেকে পালিয়ে আসার সময় বেশ কয়কজন প্রবাসীর কাছ থেকে নগদ টাকা ও বি.ডি কার্গোর মালামাল নিয়ে আসে। এবিষয়ে ওই তফসিরের বিরুদ্ধে পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে একাধিক লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এদিকে দেশে এসে অভিযুক্ত তফসিরের সাথে কথা বলে টাকা ফেরত চাওয়া হয় ওমানী ৮৯১৬.৬০ রিয়াল, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ২৬,৪৭,১৭৪/- (ছাব্বিশ লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার একশত চুয়াত্তর) টাকা।
প্রবাসী তৌহিদুল আলম বলেন, বিগত ৫ বছর পূর্বে তফসির নামের ছেলেটিকে ভিসা দিয়ে ওমানে নিয়ে আসি। সে আমার দোকানে ম্যানেজার হিসেবে চাকুরী করত। তার মাসিক বেতনও নিয়মিত পরিশোধ করেছি। হঠাৎ দেশে চলে আস তফসির। আসার সময় নগদ টাকা ও বিভিন্ন মাুনুষের জিনিসপত্র দেশে চলে আসে। তফসির টাকার কথা স্বীকার করে টাকা ফেরত দেবে বলে জানায়। পরে তার ভাই আফনানসহ একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় আত্মসাৎকৃত টাকা এখন তারা অস্বীকরছে। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে ওই প্রতারকচক্র। প্রতারক তফসির একাধিক ঠিকানা দেখিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছ। অসহায় রেমিট্যান্সযোদ্ধা হিসেবে নিরূপায় হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছি।

এ বিষয়ে কুতুবদিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ নাজেম উদ্দিন বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য ইলিয়াছের এর মাধ্যমে অভিযুক্ত তফসিরের খোঁজ খবর নিয়েছি। সে ও তার পরিবার কুতুদিয়ায় থাকেনা। এরা বসত ভিটা বিক্রি করে বাঁশখালী উপজেলায় চলে গেছে।

জনপ্রিয়

বেনাপোলে বিএনপির নেতার ভাইয়ের মৃত্যু,জানাজায় ধানের শীষের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন

পেকুয়ার এক রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রতারকের খপ্পরে,টাকা নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন প্রতারক!

আইনী সহায়তা পেতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন এক ওমান প্রবাসী

প্রকাশের সময় : ০৪:১৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩

ওমান প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধার টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠেছে তফসির নামের এক প্রতারকের বিরুদ্ধে। টাকা উদ্ধার করতে আইনী সহায়তা পেতে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তৌহিদুল আলম ছাদেক নামের এক প্রবাসী। ভুক্তভোগী প্রবাসী ওই প্রতারক তফসিরের বিরুদ্ধে গত ৬ ফের্রুয়ারী ওমান দূতাবাসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি আমলে নিয়ে ১৪ ফের্রুয়ারী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবরে প্রেরণ করেন ওমান দূতাবাস।
অভিযুক্ত মোহাম্মদ তফসির (পাসপোর্ট নং বিটি ০১২৫৩০১) কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার ধুরুং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আকবর বলির পাড়ার মৃত নুরুল আলমের পুত্র।

এদিকে ভুক্তভোগী তৌহিদুল আলম প্রকাশ ছাদেক কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মিয়াপাড়া এলাকার মোঃ সেলিমের পুত্র। ওই প্রবাসী তার আত্মসাৎকৃত টাকা উদ্ধার সংক্রান্ত আবেদনের বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয় আইনী সহায়তা প্রদানের জন্য ২৬ ফের্রুয়ারী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো: সারওয়ার আলম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি জেলা প্রশাসক কক্সবাজারের বরাবরে প্রেরণ করেন। এসব অভিযোগের খবর তফসির ও তার পরিবারের মাঝে জানাজানি হলে তারাও মিথ্যার আশ্রয় নেয়।

পরে তৌহিদুল আলম বাদী হয়ে আত্মসাৎকৃত পাওনা টাকা উদ্ধার চেয়ে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন। যার মালা নং ১০৩১/২৩।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, তফসির বাদী তৌহিদুল আলমের আত্মীয় হওয়ায় ভিসা দিয়ে ওমানে নিয়ে যায়। ওমানে যাওয়ার পর বিবাদীকে মাস্কাট ওমান হমিরিয়া সালতানাত দোকানের রেজিঃ নং সিআর ১১১৬৯১৩ নিজের পেকুয়া স্টোর নামীয় দোকানের ম্যানেজার হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয় তফসিরকে। ওই সময় থেকে তৌহিদুল আলম প্রকাশ ছাদেকের স্বত্বাধিকারী লাইসেন্সধারী দোকানে কয়েক বছর কাজ করেছিল। দোকানে সব সময় বি.ডি কার্গোর মালামাল ও নগদ টাকা জমা থাকত। বিবাদী তফসির দুর্লোভের বশবর্তী হয়ে প্রতারণা করতে শুরু করলে দোকান মালিক ওই তফসিরকে নিকট আত্মীয় হওয়ায় সতর্ক ও প্রতারণা করিতে নিষেধ করে। এরপর থেকে বিশ্বস্থতার সহিত কাজ করিতে থাকে তফসির। চাকরী থাকাকালীন তফসির গত বিগত ২০২২ সালের নভেম্বর তারিখ তৌহিদের অগোচরে দোকানে স্থিত কার্গোর সমস্ত মালামাল বিক্রিলব্ধ অর্থ, দোকানে ক্যাশে থাকা নগদ টাকা, আমানতদারের জমাকৃত টাকা, বকেয়া হিসাবে প্রদত্ত উত্তোলনকৃত টাকাসহ মোট ৮৯১৬.৬০ ওমানি রিয়াল নিয়ে পালিয়ে বাংলাদেশ তথা নিজের দেশে চলে আসে। পরে পলাতক তফসিরের খোজ না পেয়ে দেশে আত্মীয়- স্বজনের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানাই যে, তফসির দেশে চলে এসেছে। প্রবাসী তৌহিদ নিরুপায় হয়ে প্রথমে ওমানস্থ কাউন্সিলের (শ্রম) অফিসে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওমান দূতাবাস হইতে মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর (পিএসসি) বিইও/এলডব্লিউ/অভিযোগ /০৩৫/২০২২/১৭ নং স্মারক মূলে বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রবাসী কল্যাণ শাখা বরাবরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করেন।

যাহা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কল্যাণ-১ এর সিনিয়র সহকারী সচিব সরওয়ার আলম ৪৯.০০.০০০০.০২৪.২৪.০০১.২৩.১৭./১(৪) নং মূলে কক্সবাজার শাখা ও জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রেরণ করেন। সদয় অবগতির জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর একান্ত সচিবের কাছে অনুলিপি প্রদান করা হয়। এদিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কক্সবাজার প্রবসী কল্যাণ শাখা থেকে প্রবাসী তৌহিদের অভিযোগ আবেদনের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে স্থানীয় কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
এছাড়া তফসির ওসমান থেকে পালিয়ে আসার সময় বেশ কয়কজন প্রবাসীর কাছ থেকে নগদ টাকা ও বি.ডি কার্গোর মালামাল নিয়ে আসে। এবিষয়ে ওই তফসিরের বিরুদ্ধে পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে একাধিক লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এদিকে দেশে এসে অভিযুক্ত তফসিরের সাথে কথা বলে টাকা ফেরত চাওয়া হয় ওমানী ৮৯১৬.৬০ রিয়াল, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ২৬,৪৭,১৭৪/- (ছাব্বিশ লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার একশত চুয়াত্তর) টাকা।
প্রবাসী তৌহিদুল আলম বলেন, বিগত ৫ বছর পূর্বে তফসির নামের ছেলেটিকে ভিসা দিয়ে ওমানে নিয়ে আসি। সে আমার দোকানে ম্যানেজার হিসেবে চাকুরী করত। তার মাসিক বেতনও নিয়মিত পরিশোধ করেছি। হঠাৎ দেশে চলে আস তফসির। আসার সময় নগদ টাকা ও বিভিন্ন মাুনুষের জিনিসপত্র দেশে চলে আসে। তফসির টাকার কথা স্বীকার করে টাকা ফেরত দেবে বলে জানায়। পরে তার ভাই আফনানসহ একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় আত্মসাৎকৃত টাকা এখন তারা অস্বীকরছে। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে ওই প্রতারকচক্র। প্রতারক তফসির একাধিক ঠিকানা দেখিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছ। অসহায় রেমিট্যান্সযোদ্ধা হিসেবে নিরূপায় হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছি।

এ বিষয়ে কুতুবদিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ নাজেম উদ্দিন বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য ইলিয়াছের এর মাধ্যমে অভিযুক্ত তফসিরের খোঁজ খবর নিয়েছি। সে ও তার পরিবার কুতুদিয়ায় থাকেনা। এরা বসত ভিটা বিক্রি করে বাঁশখালী উপজেলায় চলে গেছে।