বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রায়েন্দা বাজার খালের উপর সেতু নির্মাণ  অনিশ্চিত  সেতুর সংযোগ সড়কে  অবৈধ দোকানপাট

শরণখোলা উপজেলা সদর  রায়েন্দা বাজার খালের উপর সেতু নির্মাণ  প্রকল্প বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সেতুর সংযোগ সড়কে (এপ্রোচে) অবৈধ দোকানপাট থাকার কারণে এ অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সেতু নির্মাণে এলজিইডি’র গ্রামীন সহায়তা সেতু প্রকল্প প্রায় ১০ কোটি টাকা সম্ভব্য ব্যায় নির্ধারণ করে প্রাক-প্রাক্কলন (ডিপিপি) তৈরি করেছে।
শরণখোলা উপজেলা প্রকৌশলী ফেরদৌস আলম বলেন, ২০২১ সালের ১৭ আগষ্ট উপজেলা সদর রায়েন্দা বাজারের সাথে খোন্তাকাটা ইউনিয়নের চলাচলের জন্য রায়েন্দা খালের উপর ¯øাবের জরাজীর্ণ সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে। সাথে সাথে রায়েন্দা ও খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ সাময়িক চলাচলের জন্য বিকল্প হিসেবে একটি কাঠের পুল নির্মাণ করে দেয়। এরপর শরণখোলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর গ্রামীন সহায়তা সেতু প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণের প্রস্তাব পাঠান। ৭৪ মিটার সেতুটি নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয় ১০ কোটি টাকা। এরপর মাটি পরীক্ষা (সয়েল টেষ্ট) করে ডিজাইন প্রস্তুত করার জন্য গত ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে অপর একটি বিশেষজ্ঞ দল সরেজমিন পরিদর্শনে এসে সেতুর এপ্রোচে বৈধ দোকানপাট দেখতে পান। এরপর থেকে তারা সেতুর কার্যক্রম বন্ধ করে দেন।
এব্যপারে গ্রামীন সহায়তা সেতু প্রকল্পের ডিজাইন প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, সেতুটির উচ্চতা ও দৈর্ঘ্য হিসেবে দোকানপাটের কারণে এপ্রোচ করা যাচ্ছে না বলে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে এপ্রোচের জায়গা পেলে পুনঃরায় প্রকল্পটি গ্রহন করা যেতে পারে।
খালটির একপাড়ে উপজেলা সদরের বাজার অন্য পাড়ে রয়েছে শরণখোলা সরকারি কলেজ, স্কুল-মাদ্রাসা, মিল-কারখানা ও মৎস্য বন্দরসহ বাজারের অপর একটি অংশ। তাই ওই সেতুটি উপজেলাবাসীর কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেতুটি না থাকায় ভ্যান-রিক্সাসহ যানবাহন সমূহকে  তিন কিলোমিটার পথ ঘুরে উপজেলা সদর বাজারে আসতে হয়।
খোন্তাকাটা ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন বলেন, বিকল্প হিসেবে তৈরী পুলটি এখন ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় কয়েকটি খুঁটি দিয়ে সচল রাখা হয়েছে।
উপজেলা সদর রায়েন্দা ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন মুক্তা বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেতু নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে আমাদের দায়িত্বে দোকানগুলো সরিয়ে নেয়া হবে।
বাগেরহাট-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন বলেন, এপ্রোচ দখলে রাখা ব্যবসায়ীরা জায়গা ছেড়ে দেয়ার কথা বলে ছিলো। এ বিষয়ে তিনি খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তি পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান।

জনপ্রিয়

বছরজুড়ে যা যা করল ইবি ছাত্রদল

রায়েন্দা বাজার খালের উপর সেতু নির্মাণ  অনিশ্চিত  সেতুর সংযোগ সড়কে  অবৈধ দোকানপাট

প্রকাশের সময় : ০৭:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ মে ২০২৩

শরণখোলা উপজেলা সদর  রায়েন্দা বাজার খালের উপর সেতু নির্মাণ  প্রকল্প বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সেতুর সংযোগ সড়কে (এপ্রোচে) অবৈধ দোকানপাট থাকার কারণে এ অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সেতু নির্মাণে এলজিইডি’র গ্রামীন সহায়তা সেতু প্রকল্প প্রায় ১০ কোটি টাকা সম্ভব্য ব্যায় নির্ধারণ করে প্রাক-প্রাক্কলন (ডিপিপি) তৈরি করেছে।
শরণখোলা উপজেলা প্রকৌশলী ফেরদৌস আলম বলেন, ২০২১ সালের ১৭ আগষ্ট উপজেলা সদর রায়েন্দা বাজারের সাথে খোন্তাকাটা ইউনিয়নের চলাচলের জন্য রায়েন্দা খালের উপর ¯øাবের জরাজীর্ণ সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে। সাথে সাথে রায়েন্দা ও খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ সাময়িক চলাচলের জন্য বিকল্প হিসেবে একটি কাঠের পুল নির্মাণ করে দেয়। এরপর শরণখোলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর গ্রামীন সহায়তা সেতু প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণের প্রস্তাব পাঠান। ৭৪ মিটার সেতুটি নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয় ১০ কোটি টাকা। এরপর মাটি পরীক্ষা (সয়েল টেষ্ট) করে ডিজাইন প্রস্তুত করার জন্য গত ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে অপর একটি বিশেষজ্ঞ দল সরেজমিন পরিদর্শনে এসে সেতুর এপ্রোচে বৈধ দোকানপাট দেখতে পান। এরপর থেকে তারা সেতুর কার্যক্রম বন্ধ করে দেন।
এব্যপারে গ্রামীন সহায়তা সেতু প্রকল্পের ডিজাইন প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, সেতুটির উচ্চতা ও দৈর্ঘ্য হিসেবে দোকানপাটের কারণে এপ্রোচ করা যাচ্ছে না বলে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে এপ্রোচের জায়গা পেলে পুনঃরায় প্রকল্পটি গ্রহন করা যেতে পারে।
খালটির একপাড়ে উপজেলা সদরের বাজার অন্য পাড়ে রয়েছে শরণখোলা সরকারি কলেজ, স্কুল-মাদ্রাসা, মিল-কারখানা ও মৎস্য বন্দরসহ বাজারের অপর একটি অংশ। তাই ওই সেতুটি উপজেলাবাসীর কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেতুটি না থাকায় ভ্যান-রিক্সাসহ যানবাহন সমূহকে  তিন কিলোমিটার পথ ঘুরে উপজেলা সদর বাজারে আসতে হয়।
খোন্তাকাটা ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন বলেন, বিকল্প হিসেবে তৈরী পুলটি এখন ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় কয়েকটি খুঁটি দিয়ে সচল রাখা হয়েছে।
উপজেলা সদর রায়েন্দা ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন মুক্তা বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেতু নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে আমাদের দায়িত্বে দোকানগুলো সরিয়ে নেয়া হবে।
বাগেরহাট-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন বলেন, এপ্রোচ দখলে রাখা ব্যবসায়ীরা জায়গা ছেড়ে দেয়ার কথা বলে ছিলো। এ বিষয়ে তিনি খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তি পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান।