বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রতিকেজি কাঁচা মরিচের দাম ৩২০ টাকা

রাজশাহীর বাঘায় প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৩২০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। হঠাৎ খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের তিনগুণ দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

রোববার উপজেলার দিঘা বাজার ঘুরে দেখা যায়, চারদিন আগেও বাজারে খুচরা হিসেবে প্রতিকেজি ১০০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। রোববার তিনগুণ বেড়ে ৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

উপজেলার দিঘা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আয়নাল হক বলেন, চারদিন আগে বুধবার বাজারে কাঁচা মরিচ পাইকার হিসেবে প্রতিকেজি ১০০-১২০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। কিন্তু হঠাৎ পাইকারী বাজারে তিনগুণ দামে ক্রয় করতে হয়েছে। বাধ্য
হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

উপজেলার দিঘা বাজারের আরেক সবজি ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, বেশ কিছু দিন থেকে বৃষ্টি না হওয়া ও প্রচণ্ড রোদ গরমে ক্ষেতে মরিচ নষ্ট হচ্ছে। এতে সরবরাহ অনেকটাই কমে গেছে। তাই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আখতার বলেন, সহনীয় পর্যায়ে নিত্যপণ্যের দাম রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। অযথা কোনো ব্যবসায়ী যদি দাম বৃদ্ধি করে থাকে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

প্রতিকেজি কাঁচা মরিচের দাম ৩২০ টাকা

প্রকাশের সময় : ০৯:০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩

রাজশাহীর বাঘায় প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৩২০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। হঠাৎ খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের তিনগুণ দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

রোববার উপজেলার দিঘা বাজার ঘুরে দেখা যায়, চারদিন আগেও বাজারে খুচরা হিসেবে প্রতিকেজি ১০০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। রোববার তিনগুণ বেড়ে ৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

উপজেলার দিঘা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আয়নাল হক বলেন, চারদিন আগে বুধবার বাজারে কাঁচা মরিচ পাইকার হিসেবে প্রতিকেজি ১০০-১২০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। কিন্তু হঠাৎ পাইকারী বাজারে তিনগুণ দামে ক্রয় করতে হয়েছে। বাধ্য
হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

উপজেলার দিঘা বাজারের আরেক সবজি ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, বেশ কিছু দিন থেকে বৃষ্টি না হওয়া ও প্রচণ্ড রোদ গরমে ক্ষেতে মরিচ নষ্ট হচ্ছে। এতে সরবরাহ অনেকটাই কমে গেছে। তাই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আখতার বলেন, সহনীয় পর্যায়ে নিত্যপণ্যের দাম রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। অযথা কোনো ব্যবসায়ী যদি দাম বৃদ্ধি করে থাকে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।