ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে যৌন নিপীড়নের মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তির বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। রাজ্যের নারীরা এ হামলা চালিয়েছে। অঞ্চলটিতে আন্দোলনরত নারীরা এ হামলা চালায়। পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
ভারতের অগ্নিগর্ভ মণিপুরে দুইজন কুকি নারীকে প্রকাশ্য রাস্তায় বিবস্ত্র করে ঘোরানোর সাম্প্রতিক একটি ভিডিও সামনে আসার পর দেশটি শোকে-দু:খে-রাগে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছে। ওই দুজন নারীর অন্তত একজন গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন বলেও জানা যাচ্ছে।
প্রধান সন্দেহভাজন খুইরেম হেরোদাস। তিনি একজন মেইতি। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন যে অপরাধের সঙ্গে জড়িত কমপক্ষে ৩০ জনকে খুঁজে বের করা হচ্ছে। ওই ঘটনার প্রায় ৮০ দিন পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন মুখ খুলেন। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নারীদের অনুরোধ করছি শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার জন্য । আমরা তাদের ক্ষোভ বুঝতে পারি।’
দেশের নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপনের জন্য ন্যায়বিচার এবং সর্বশেষ ঘটনার দ্রুত তদন্তের দাবিতে অধিকার গোষ্ঠীগুলো ভারতের বেশ কয়েকটি অংশে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছিল।
মণিপুরে জাতিগত সংঘাত শুরু হওয়ার পর মে মাসে ভুক্তভোগীরা যৌন নিপীড়নের কথা জানিয়েছিল।
মে মাস থেকে মণিপুরে সংখ্যাগুরু মেইতেই ও সংখ্যালঘু কুকিদের মধ্যে যে রক্তাক্ত জাতি-সংঘাত এবং অবাধ হত্যা-লুণ্ঠন-ধর্ষণ-অগ্নিসংযোগ শুরু হয়েছে। সহিংসতা শুরু হওয়ার পর থেকে কমপক্ষে ১৩০ জন নিহত হয়েছে এবং ৫০ হাজারেরও বেশি লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে। গ্রামের অনেক বাড়িঘর ও গীর্জা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা ব্যুরো।। 








































