শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাবার স্বীকৃতি ছাড়াই সন্তান জন্ম দান বাড়ছে চীনে

দিন দিন ‘সিঙ্গেল মাদার’ বাড়ছে চীনে। দেশটিতে গত বছর পর্যন্ত বেশিরভাগ অবিবাহিত নারীর পক্ষে মা হওয়া সম্ভব ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই পালটে গেল নিয়ম। দেশটির আইন সহজ করে দিয়েছে একক মায়েদের জীবন। দিয়েছে বাবার স্বীকৃতি ছাড়াই সন্তান জন্ম দানের গ্রহণযোগ্যতা। জন্মহার বাড়াতেই এমন নমনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির আইন ব্যবস্থা।

এ বিশ্বাস খুব দৃঢ় হয়ে আছে গ্রামীণ অঞ্চলগুলোতে। সাংহাইতে একা মা হওয়া সহজবোধ্য হওয়ায় ঝাং মেইলি এ শহরে চলে আসেন। সংসার চালাতে একটি ব্যবসা করেন। কাজে যাওয়ার সময় হেং হেং-কে রেখে যান তার দাদির কাছে।  মেইলির প্রেমিকের পরিবার তাকে বিয়ের জন্য প্রত্যাখ্যান করার পর তিনি একক মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। যদিও তাকে অনেক বৈষম্যের স্বীকার হতে হয়েছিল। তার বন্ধুদের কেউই সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেননি। কিন্তু তিনি তার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। সাংহাই-এর অবাধ স্বাধীনতার জন্য কৃতজ্ঞ জানান মেইলি। তার মতো অনেকেই এখন ‘সিঙ্গেল মাদার’ হয়ে আছেন।

গত বছর পর্যন্ত চীনে বিয়ের প্রমাণ ছাড়া সন্তান নেওয়া প্রায় অসম্ভব ব্যাপার ছিল। সামাজিক পরিবর্তনের মাধ্যমে তা এখন অনেকটাই সহজ করা হয়েছে। অনেক মানুষ এখনো একক মায়েদের প্রতি সহনশীল নয়। কিন্তু একক সন্তার নীতির কয়েক দশক পর থেকে জন্মহার কমে যাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দেশটিতে।

জনপ্রিয়

সিরাজগঞ্জের ছয় আসনে বিএনপি–জামায়াত প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী

বাবার স্বীকৃতি ছাড়াই সন্তান জন্ম দান বাড়ছে চীনে

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩

দিন দিন ‘সিঙ্গেল মাদার’ বাড়ছে চীনে। দেশটিতে গত বছর পর্যন্ত বেশিরভাগ অবিবাহিত নারীর পক্ষে মা হওয়া সম্ভব ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই পালটে গেল নিয়ম। দেশটির আইন সহজ করে দিয়েছে একক মায়েদের জীবন। দিয়েছে বাবার স্বীকৃতি ছাড়াই সন্তান জন্ম দানের গ্রহণযোগ্যতা। জন্মহার বাড়াতেই এমন নমনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির আইন ব্যবস্থা।

এ বিশ্বাস খুব দৃঢ় হয়ে আছে গ্রামীণ অঞ্চলগুলোতে। সাংহাইতে একা মা হওয়া সহজবোধ্য হওয়ায় ঝাং মেইলি এ শহরে চলে আসেন। সংসার চালাতে একটি ব্যবসা করেন। কাজে যাওয়ার সময় হেং হেং-কে রেখে যান তার দাদির কাছে।  মেইলির প্রেমিকের পরিবার তাকে বিয়ের জন্য প্রত্যাখ্যান করার পর তিনি একক মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। যদিও তাকে অনেক বৈষম্যের স্বীকার হতে হয়েছিল। তার বন্ধুদের কেউই সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেননি। কিন্তু তিনি তার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। সাংহাই-এর অবাধ স্বাধীনতার জন্য কৃতজ্ঞ জানান মেইলি। তার মতো অনেকেই এখন ‘সিঙ্গেল মাদার’ হয়ে আছেন।

গত বছর পর্যন্ত চীনে বিয়ের প্রমাণ ছাড়া সন্তান নেওয়া প্রায় অসম্ভব ব্যাপার ছিল। সামাজিক পরিবর্তনের মাধ্যমে তা এখন অনেকটাই সহজ করা হয়েছে। অনেক মানুষ এখনো একক মায়েদের প্রতি সহনশীল নয়। কিন্তু একক সন্তার নীতির কয়েক দশক পর থেকে জন্মহার কমে যাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দেশটিতে।