বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মানহানির মামলায় সাংবাদিকদের কারাদণ্ড নয়, থাকছে জরিমানার বিধান

বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তন করে নাম রাখা হচ্ছে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’। এ আইনে মানহানির মামলায় সাংবাদিকদের কারাদণ্ডের বিধান থাকবে না বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

সোমবার (৭ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন এই সিদ্ধান্তের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আইনমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে মানহানির অভিযোগে কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান ছিল। নতুন আইনে পরিবর্তন এনে কারাদণ্ডের পরিবর্তে জরিমানার বিধান করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তন করা হচ্ছে। এ আইনের বহু ধারা নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনে যুক্ত করা হবে। কিছু ধারায় বড় সংশোধনী আনা হবে।

২০১৮ সালে প্রণীত বিতর্কিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ বাতিলে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠে। বিশেষ করে এর ৫৭ ধারা দেশে-বিদেশে সমালোচিত হয়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রাখা, সর্বোপরি মানুষের মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিতে আইনটি বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা।
জনপ্রিয়

রাজবাড়ীতে বিষাক্ত তামাক চাষে ঝুকছে কৃষক, খাদ্য শস্য উৎপাদন ব্যহত হওয়ার আশঙ্কা

মানহানির মামলায় সাংবাদিকদের কারাদণ্ড নয়, থাকছে জরিমানার বিধান

প্রকাশের সময় : ০৪:২৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০২৩

বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরিবর্তন করে নাম রাখা হচ্ছে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’। এ আইনে মানহানির মামলায় সাংবাদিকদের কারাদণ্ডের বিধান থাকবে না বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

সোমবার (৭ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন এই সিদ্ধান্তের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আইনমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে মানহানির অভিযোগে কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান ছিল। নতুন আইনে পরিবর্তন এনে কারাদণ্ডের পরিবর্তে জরিমানার বিধান করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তন করা হচ্ছে। এ আইনের বহু ধারা নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনে যুক্ত করা হবে। কিছু ধারায় বড় সংশোধনী আনা হবে।

২০১৮ সালে প্রণীত বিতর্কিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ বাতিলে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠে। বিশেষ করে এর ৫৭ ধারা দেশে-বিদেশে সমালোচিত হয়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমুন্নত রাখা, সর্বোপরি মানুষের মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিতে আইনটি বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা।