
মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে বাদ পড়েছেন রনি তালুকদার ও তাইজুল ইসলাম। দলে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে তাইজুল ইসলাম, সাইফ হাসান ও তানজীম হাসানকে। তবে মূল দলের সঙ্গে তারা কেউ সফর করবেন না।
গত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে তার পারফরম্যান্স খারাপ ছিল না। ১১ ইনিংসে ৪৩.০৯ গড়ে করেন ৪৭৪ রান, স্ট্রাইক রেট ৯৩.৩০।
দল ঘোষণার আগের দিনই অবশ্য বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান সংবাদমাধ্যমকে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ওপেনিংয়ে নতুন কাউকে পরখ করা হতে পারে। মূলত তামিম ইকবালের চোট পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণেই তানজীদকে দলে নেওয়া।
এর আগে টাইগার একাদশের সাত নম্বর পজিশনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় ছিলেন মাহমুদউল্লাহ, সৌম্য, আফিফ ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তাদের মধ্য থেকে সুযোগ পেয়েছেন কেবল আফিফ। যদিও দলে আসার লড়াইয়ে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকা মাহমুদউল্লাহ নতুন করে অনুশীলন ও ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। অন্যদিকে টাইগারদের প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের পছন্দের খেলোয়াড় হওয়ায় বিশেষ নজরে ছিলেন সৌম্যও। তবে ‘এ’ দলের ইমার্জিং এশিয়া কাপে তিনি প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি হাথুরুর।
শনিবার মিরপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু এশিয়া কাপের জন্য দল ঘোষণা করেন। সেখানে রিয়াদের বাদ পড়া নিয়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়। টিম ম্যানেজমেন্ট ও কোচের পরিকল্পনাতে রিয়াদের না থাকার কথা জানান প্রধান নির্বাচক। এ সময় নান্নু বলেন, ‘মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে অনেক লম্বা আলোচনা হয়ে আসছে শুরুর দিকে। তার পর অনেক আলোচনার পর টিম ম্যানেজমেন্ট আমাদের একটা পরিকল্পনা দেয়, সামনে কীভাবে কোন দেশের সঙ্গে খেলবে এবং তার কৌশল। সেই চিন্তা-ভাবনা থেকেই রিয়াদকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ম্যানেজমেন্টের পরিকল্পনাকে আমরা অবশ্যই ভালো মনে করছি। ওদের সঙ্গে যেহেতু হেড কোচের একটা পরিকল্পনা আছে টিম পরিচালনার বিষয়ে। এ নিয়ে আমাদের অধিনায়কের (সাকিব আল হাসান) সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।’
৩০ আগস্ট থেকে শুরু হবে এশিয়া কাপ। পাকিস্তান মূল আয়োজক হলেও সহআয়োজক হিসেবে থাকছে শ্রীলংকা। মোট ম্যাচ ১৩টি, শ্রীলংকায় হবে ৯ ম্যাচ। বাকি চার ম্যাচ পাকিস্তানে। গ্রুপপর্বে বাংলাদেশ দুটি ম্যাচ খেলবে দুই দেশেÑ শ্রীলংকার বিপক্ষে ক্যান্ডিতে খেলার পর লাহোরে হবে আফগানিস্তানের সঙ্গে। দুটি ম্যাচের মধ্যে বাংলাদেশ সময় পাবে মাত্র দুদিন।
দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রথম পর্ব খেলবে ছয় দলÑ পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের দুই প্রতিপক্ষ শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান। দুটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে দল উঠবে সুপার ফোরে। সেখান থেকে শীর্ষ দুদল খেলবে ফাইনালে। ১৭ সেপ্টেম্বর কলম্বোয় ফাইনাল। এশিয়া কাপ খেলতে ২৬ আগস্ট শ্রীলংকার উদ্দেশে উড়াল দেবে বাংলাদেশ দল।
স্পোর্টস ডেস্ক।। 







































