শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে সাঈদীর গায়েবি জানাজায় সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত-১

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমীর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর গায়েবি জানাজার পর কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়ায় সহিংস ঘটনা ঘটেছে। জানাজায় অংশ নেওয়া লোকজনের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওসি, ইউএনও, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, এসিল্যান্ডসহ অন্য সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি। সহিংসতার একপর্যায়ে করা গুলিতে নিহত হয়েছেন একজন। এসময় দুই থানার ওসিসহ ২০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চকরিয়ার চিরিঙ্গা থানা রাস্তার মাথা ও পেকুয়ার বারবাকিয়া বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদ ও পেকুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ ওমর হায়দার এ তথ্য জানিয়েছেন।
গুলিতে নিহত ফোরকানুল ইসলাম (৬০) চকরিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল বারিপাড়ার বাসিন্দা। তিনি চিরিঙ্গা রাস্তার মাথা এলাকায় চায়ের দোকান চালাতেন।
পেকুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ ওমর হায়দার জানান, পেকুয়া সদরের একটি মাঠে সাঈদীর গায়েবি জানাজার প্রস্তুতি নেওয়া হলে, ওখানে অনুমতি না থাকায় বাধা দেওয়া হয়। এরপর লোকজন বারবাকিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওলানা বদিউল আলম জিহাদির নেতৃত্বে বারবাকিয়া বাজারে চলে যায়। সেখানে সাঈদীর গায়েবি জানাজা শুরু করে। ওই জায়গায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশের একটি টহল টিম উপস্থিত ছিল। নামাজ চলাকালে হঠাৎ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়ে মারা হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যান ওসি। এসময় জানাজায় আগত লোকজন পুলিশের ওপর হামলা করে। এতে তিনিসহ ১৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয়

সিরাজগঞ্জের ৬ আসনে ৩৯ প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

কক্সবাজারে সাঈদীর গায়েবি জানাজায় সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত-১

প্রকাশের সময় : ১০:২৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৩

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমীর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর গায়েবি জানাজার পর কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়ায় সহিংস ঘটনা ঘটেছে। জানাজায় অংশ নেওয়া লোকজনের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওসি, ইউএনও, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, এসিল্যান্ডসহ অন্য সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি। সহিংসতার একপর্যায়ে করা গুলিতে নিহত হয়েছেন একজন। এসময় দুই থানার ওসিসহ ২০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চকরিয়ার চিরিঙ্গা থানা রাস্তার মাথা ও পেকুয়ার বারবাকিয়া বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদ ও পেকুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ ওমর হায়দার এ তথ্য জানিয়েছেন।
গুলিতে নিহত ফোরকানুল ইসলাম (৬০) চকরিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল বারিপাড়ার বাসিন্দা। তিনি চিরিঙ্গা রাস্তার মাথা এলাকায় চায়ের দোকান চালাতেন।
পেকুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ ওমর হায়দার জানান, পেকুয়া সদরের একটি মাঠে সাঈদীর গায়েবি জানাজার প্রস্তুতি নেওয়া হলে, ওখানে অনুমতি না থাকায় বাধা দেওয়া হয়। এরপর লোকজন বারবাকিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওলানা বদিউল আলম জিহাদির নেতৃত্বে বারবাকিয়া বাজারে চলে যায়। সেখানে সাঈদীর গায়েবি জানাজা শুরু করে। ওই জায়গায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশের একটি টহল টিম উপস্থিত ছিল। নামাজ চলাকালে হঠাৎ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়ে মারা হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যান ওসি। এসময় জানাজায় আগত লোকজন পুলিশের ওপর হামলা করে। এতে তিনিসহ ১৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।