বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেদ্ধ ডিমে ক্যালোরি বেশি নাকি তেলে ভাজা ডিমে?

সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে ভাজা ডিম আর সেদ্ধ ডিমের পুষ্টিগুণের মাঝে একটু হলেও ফারাক আছে। তবুও সবার ক্ষেত্রে যেমন ডিম ভেজে খাওয়া ঠিক নয় তেমনি সেদ্ধ ডিমও সবার জন্য ভালো নয়।

সেদ্ধ ডিম কাদের উপকারে আসে?

যারা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান তারা সেদ্ধ ডিম খাবেন। যাদের শরীরে অ্যালবুমিনের পরিমাণ কম তারা সেদ্ধ ডিম খাবেন। কিন্তু যাদের শরীরে অ্যালবুমিনের পরিমাণ বেশি তারা সেদ্ধ ডিমের সাদা অংশ খাবেন না। ব্লাড প্রেসারের সমস্যাযাদের আছে তারাও সেদ্ধ ডিমে খেতে পারেন।

ডিম ভাজা কাদের জন্য উপকারী?

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ডিম ভেজে খাওয়াতে পারেন। কারণ, গবেষণায় দেখা গেছে একটি সেদ্ধ ডিমের তুলনায় অনেক বেশি গুণ থাকে ভাজা ডিমের কুসুমে। ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান যারা তারা ভাজা ডিম অবশ্যই খাবেন না কারণ সেদ্ধ ডিমের থেকে ভাজা ডিমে ক্যালরি বেশি থাকে। যাদের ব্লাড প্রেসারের সমস্যা আছে তারাও ভাজা ডিম খাবেন না। ভাজা ডিমের থেকে সেদ্ধ ডিমে ফসফরাস কম থাকে আর এই ফসফরাস হাড় শক্ত করতে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ভাজা ডিমে ও সেদ্ধ ডিমের ভিটামিনের পরিমাণ প্রায় একই। একটা গোটা সেদ্ধ ডিমের ১৫% রাইবোফ্লোভিন, ১০ % ভিটামিন বি১২ ও ১১ % ভিটামিন। এই রাইবোফ্লোভিন শরীরের রক্তকণিকা তৈরি করতে সাহায্য করে। ভিটামিন বি১২ স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা নিয়নন্ত্রণ করে।ভিটামিন ডি রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

ভাজা থেকে সেদ্ধ ডিমের মিনারেলের পরিমাণ কম। সেদ্ধ ডিমে আছে ৯% ফসফরাস,ওমলেটে আছে ফসফরাসের ১০%। যা শিশুদের দাঁত, হাড় শক্ত করে, গর্ভবতী নারীদের জন্য, কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে সেদ্ধ ডিম। কিন্তু পোচ বা ভাজা ডিম খেলে এর উপকারিতা চলে যায়।

তাই পুষ্টিবিদরা পোচ বা ভাজা ডিমের পরিবর্তে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু শরীরের সমস্যা অনুযায়ী ডিম খাবেন। উপরে দেওয়া আছে সেই কোন সমস্যা থাকলে কোন ডিম খাবেন।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

সেদ্ধ ডিমে ক্যালোরি বেশি নাকি তেলে ভাজা ডিমে?

প্রকাশের সময় : ০৪:০১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩

সুতরাং বুঝাই যাচ্ছে ভাজা ডিম আর সেদ্ধ ডিমের পুষ্টিগুণের মাঝে একটু হলেও ফারাক আছে। তবুও সবার ক্ষেত্রে যেমন ডিম ভেজে খাওয়া ঠিক নয় তেমনি সেদ্ধ ডিমও সবার জন্য ভালো নয়।

সেদ্ধ ডিম কাদের উপকারে আসে?

যারা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান তারা সেদ্ধ ডিম খাবেন। যাদের শরীরে অ্যালবুমিনের পরিমাণ কম তারা সেদ্ধ ডিম খাবেন। কিন্তু যাদের শরীরে অ্যালবুমিনের পরিমাণ বেশি তারা সেদ্ধ ডিমের সাদা অংশ খাবেন না। ব্লাড প্রেসারের সমস্যাযাদের আছে তারাও সেদ্ধ ডিমে খেতে পারেন।

ডিম ভাজা কাদের জন্য উপকারী?

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ডিম ভেজে খাওয়াতে পারেন। কারণ, গবেষণায় দেখা গেছে একটি সেদ্ধ ডিমের তুলনায় অনেক বেশি গুণ থাকে ভাজা ডিমের কুসুমে। ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান যারা তারা ভাজা ডিম অবশ্যই খাবেন না কারণ সেদ্ধ ডিমের থেকে ভাজা ডিমে ক্যালরি বেশি থাকে। যাদের ব্লাড প্রেসারের সমস্যা আছে তারাও ভাজা ডিম খাবেন না। ভাজা ডিমের থেকে সেদ্ধ ডিমে ফসফরাস কম থাকে আর এই ফসফরাস হাড় শক্ত করতে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ভাজা ডিমে ও সেদ্ধ ডিমের ভিটামিনের পরিমাণ প্রায় একই। একটা গোটা সেদ্ধ ডিমের ১৫% রাইবোফ্লোভিন, ১০ % ভিটামিন বি১২ ও ১১ % ভিটামিন। এই রাইবোফ্লোভিন শরীরের রক্তকণিকা তৈরি করতে সাহায্য করে। ভিটামিন বি১২ স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা নিয়নন্ত্রণ করে।ভিটামিন ডি রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

ভাজা থেকে সেদ্ধ ডিমের মিনারেলের পরিমাণ কম। সেদ্ধ ডিমে আছে ৯% ফসফরাস,ওমলেটে আছে ফসফরাসের ১০%। যা শিশুদের দাঁত, হাড় শক্ত করে, গর্ভবতী নারীদের জন্য, কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে সেদ্ধ ডিম। কিন্তু পোচ বা ভাজা ডিম খেলে এর উপকারিতা চলে যায়।

তাই পুষ্টিবিদরা পোচ বা ভাজা ডিমের পরিবর্তে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু শরীরের সমস্যা অনুযায়ী ডিম খাবেন। উপরে দেওয়া আছে সেই কোন সমস্যা থাকলে কোন ডিম খাবেন।