
একেএম শামীম ওসমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন রাজনীতিবিদ। যিনি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য। যে কোনো ইস্যুতে সোচ্চার থাকেন। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের যে কোনো কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায় তাকে।
শামীম ওসমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী একদিন আমাকে ডাকলেন, একটু দূরেই হেলিকপ্টার দাঁড়ানো ছিল। আমি শুনতে পাইনি, আমি বললাম— আপা আমাকে কি ডাকছেন? আপা বললেন, হ্যাঁ। আমার সঙ্গে তুই চান্দিনা যাবি? আপা আমি (শামীম ওসমান) যেতে পারব না। আমার শরীর ঘামে ভিজে আছে। আপা বললেন, কিচ্ছুই হবে না, চল্।
আপা বললেন, আমি সকাল থেকে কিছুই খাইনি। তুই যদি যাস, তা হলে তু্ই বক্তব্য রাখবি, আমি তখন একটু রেস্ট করব। খুব মায়া লাগল। ঘামে ভিজা শরীর নিয়ে চলে গেলাম আপার সঙ্গে।
তখন আমি হেলিকপ্টারে ওঠার আগে দেখলাম, আমাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে গেলেন। চারপাশে মানুষ জমায়েত হয়ে আছে। সেখানে আছে নারী ও ছোট ছেলেরা। আপার সঙ্গে হেলিকপ্টারের চারপাশ ঘুরলাম।
আমার সেই ‘তিন মিনিট’ আমার জীবনের রাজনীতি বদলে দিয়েছে। আমি দেখলাম দাঁড়িয়ে থাকা নারীরা আপাকে জড়িয়ে ধরলেন। সেখানে দেখলাম অনেক দিন পর মায়ের সঙ্গে দেখা হলে যে আচরণ করে, ঠিক সেই আচরণ দেখতে পেলাম।
সেখানে দেখলাম প্রধানমন্ত্রী দাঁড়িয়ে থাকা নারীদের কোলে মাথা রাখলেন। আর তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। আমি শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম। আর অবাক হলাম।
পরে হেলিকপ্টারে ওঠে দেখলাম প্রধানমন্ত্রী কাঁদতেছেন। আমি বললাম আপা আপনি কাঁদছেন, না হাসছেন?
তখন আপা বলল, শামীম শোন্, ওই মহিলাগুলো যখন আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে, তখন আমার মনে হয় আমার মা কবর থেকে উঠে বলছে— মাগো, ও মা চিন্তা করিস না মা, দোয়া তোর সঙ্গে আছে।
বার্তাকণ্ঠ ডেস্ক 





































