
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতিদিন ১০০ গ্রাম থেকে দেড় শ’ গ্রাম কিসমিস খেতে পারে। আমার বাচ্চার বয়স ২১ মাস। সে প্রতিদিন দশ পিছ কিসমিস খায়।
কিসমিস হলো শুকনো আঙ্গুর। এটিকে ইংরেজিতে রেইসিনও বলা হয়। কিশমিশ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদিত হয় এবং এটি সরাসরি খাওয়া যায় ও বিভিন্ন খাদ্য রান্নার সময় উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি প্রাচীনকাল থেকে শক্তি বা ক্যালরির চমৎকার উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
নিয়মিত কিসমিস খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে। আপনি যদি পেটের সমস্যায় নিয়মিত ভোগেন তাহলে প্রতিদিন সকালে খালিপেটে ভেজানো কিসমিস খান। কিসমিসে যে আয়রন রয়েছে তা ভালো ঘুমে সাহায্য করে।
লাইফস্টাইল ডেস্ক ।। 























